অভিশপ্ত ভালোবাসা/মোঃ শহীদ হোসেন হৃদয়

অভিশপ্ত ভালোবাসা

আজ ৩ দিন হয়ে গেল সুবন্যার সাথে ডিভোর্স হয়েছে হৃদয়ের। কোন যোগাযোগ নেই একজনের সাথে আরেকজনের। দুইজন দুই দিকে।

অথচ এই দুইজনই এক সময় উত্তল সঙ্গমে কাটিয়েছে কত শত রাত। ৫ বছর এক সাথে থাকার পর কি যেন মনে হলো, সুবন্যা হৃদয়কে ছেড়ে চলে যায়।

 

প্রেম করে বিয়ে করেছিলো হৃদয় আর সুবন্যা। শপথ করেছিলো এক সাথে থাকবে দুজন সারাজীবন। এক মেলায় প্রথম দেখে হৃদয় সুবন্যাকে। হৃদয় ঢাকা থেকে গ্রামে আসে ছুটিতে। দেখে ভালো লাগে সুবন্যাকে হৃদয়ের। তারপর  হৃদয় সুবন্যাকে প্রোপোজ করে।

গ্রামের মেয়ে সুবন্যা। প্রোপোজে সুবন্যাা রাজি হয়।

 

হৃদয় একটা দোকানের সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতো। আর সুবন্যাা ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়তো। ওদের ফ্যামিলির অবস্থাও সুবিধার ছিলোনা। তাই সুবন্যার

সাথে হৃদয়েরর বিয়ে দিয়ে দেয় সুবন্যার বাবা-মা। দুই জনে একটা ছোট বাসা নিয়ে থাকতে শুরু করে ঢাকা শহরে। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন ছিলো সুবন্যা ডাক্তার হবে। আর হৃদয়ও সুবন্যাকে অনেক ভালোবাসতো তাই হৃদয় সুবন্যাকে নিজে কষ্ট করে হলেও পড়াতে থাকে।

 

ইন্টারে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছিলো সুবন্যা। হৃদয় সুবন্যাকে কোচিং সেন্টারে ভর্তি করে দেয় এইচএসসি তে ভালো রেজাল্ট করার জন্য। ভালো রেজাল্ট করতে হবে সুবন্যাকে মেডিকেল এ চান্স পাওয়ার জন্য। হৃদয় অন্যের দোকানে বিক্রেতা হিসেবে কাজ করতো। ইনকাম সোর্স শুধু ওই দোকান থেকে পাওয়া মাইনেটাই ছিলো, ৯০০০/=,  তাই দিয়ে সুবন্যার সব সখ পূরন করতো আর সংসার চালাতো।

 

নিজে প্রতিদিন ৩ কিঃমিঃ পথ হেঁটে কাজে যেত। আবার হেঁটে বাসায় ফিরে আসতো। টাকা জমিয়ে রাখতো সুবন্যার পড়াশুনার জন্য। সকালবেলা কাজে যাবার আগে হৃদয় রান্না করে দিয়ে আসতো। কারণ সকালবেলা সুবন্যার

প্রাইভেট ছিলো। খেয়ে দেয়ে সুবন্যা প্রাইভেটে চলে যেত। এইভাবে চলছিলো হৃদয় আর সুবন্যার সংসার।

 

একদিন সুবন্যার জ্বর হয়েছিলো। হৃদয় প্রায় পাগলই হয়ে পড়েছিলো সুবন্যার জন্য। সুবন্যার জ্বর ছিলো ৭ দিন। পরে টেস্ট করে জানা যায় টাইফয়েড হয়েছিলো সুবন্যার। হৃদয় অনেক কষ্ট করে সুস্থ করে তোলে সুবন্যাকে। চিকিৎসার টাকা ছিলো না হাতে। দোকানে ওভার ডিউটি করে সেই টাকা দিয়ে চিকিৎসা করে সুবন্যার। সমস্যা ছিলো একটাই। যে সময় সুবন্যার জ্বর হয়, তার ১১ দিন পরেই সুবন্যার এইচ. এস. সি পরীক্ষা ছিলো।

 

যাই হোক সুবন্যা পরীক্ষা দেয়। রেজাল্ট বের হয়। সুবন্যা আশারনুরূপ রেজাল্টও করে। জিপিএ-৫। হৃদয় খুব খুশি হয়। দোকানে কাজ করছিলো হৃদয়। হঠাৎ এক সময় সুবন্যা ফোন দিয়ে বলে যে সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। হৃদয় মিষ্টি কিনবে সে  টাকা ছিলো না। দোকানের মালিক মিষ্টি কেনার টাকা দেয়। সবাইকে মিষ্টি খাওয়ায়ে মিষ্টি নিলে বাড়িতে চলে আসে। সুবন্যাকে ধরে কোলে নিয়ে নাচতে শুরু করে। সবাই খুব খুশি হয়। বাসার মালিকও খুশি হয়। কষ্ট সার্থক হয়েছে হৃদয় আর সুবন্যার। বিকেলে সুবন্যাকে নিয়ে ঘুরতে বের হয় হৃদয়। পার্কে যায়, ফুসকা খায়, আইসক্রিম খায় দুজনে মিলে। খুব আনন্দ করে সেদিন তারা।

 

নিজে একটা ভালো সার্টও কিনতো না হৃদয়। কিন্তু সুবন্যাকে কিনে দিতো নতুন জামা কাপড়। কারণ পুরাতন কাপড়ে কলেজে গেলে যদি তার বন্ধবীরা তাকে লজ্জা দেয়! হৃদয় সেটা সইতে পারবে না। সে চাইতো তার ওয়াইফ বাকি ১০ জনের মতই চলুক।

 

এরপর সুবন্যার শুরু হয় মেডিকেল-এ ভর্তি প্রস্তুতি। হৃদয় একজন ভালো টিচার রেখে দেয় সুবন্যাকে। মাসে ১০,০০০/= করে দিতে হবে তাকে। কিন্তু হৃদয়ের মাসিক ইনকামই তো ৯,০০০/=।

হৃদয় সারাদিন রাত কাজ করতে থাকে। সারাদিন ডিউটি করে। আবার রাতে নৈশ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে থাকে। কয়েক মাস ঘুম বাদ দিয়ে দেয় একমাত্র সুবন্যার জন্য। নিজের শরীরের কোন যত্ন নাই । উদ্দেশ্য একটাই,  সে সুবন্যার স্বপ্ন পূরণ করবে। বাসররাতে কথা দিয়েছিলো সুবন্যাকে।

 

হৃদয়ের স্বাস্থ্য দিন দিন খারাপ হতে থাকে। তারপরও  আধমরা হয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকে। এরপর মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দেয় সুবন্যা। আল্লাহর রহমতে চান্স পেয়ে যায় সুবন্যা। এমনকি ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পায়। আল্লাহর কি খেলা, যে দিন সুবন্যার রেজাল্ট বের হয় ওইদিন হৃদয় ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি। কারণ হৃদয়ের  শরীর দুর্বল হয়েছিলো অতিরিক্ত পরিশ্রম করার কারণে। সুবন্যা এসব করতে মানা করেছিলো, কিন্তু হৃদয় শোনেনি।

এরপর হৃদয় সুবন্যাকে মেডিকেল এ ভর্তি করে দেয়। ক্লাশ করা শুরু করে সুবন্যা। হৃদয়ের দোকানের মালিক একটু ভালো ছিলো। সে হৃদয়কে অর্থ দিয়ে সাহায্য করে সুবন্যার ভর্তির সময়। হৃদয় সুবন্যাকে এপ্রোন, নতুন বই, নতুন পোশাক কিনে দেয়।

 

এভাবে চলতে থাকে কয়েক মাস। সুবন্যা প্রথমে বাড়ি থেকে ক্লাশ করতো। এরপর  সুবন্যা বায়না ধরে হোস্টেলে থাকবে সে। হৃদয় প্রথমে না করে, কিন্তু সুবন্যা জোর করেই বলে সে হোস্টেলে থাকবে। হৃদয় সুবন্যার কোন কাজে না করেনি। এইবারও আর বাঁধা দিলোনা। হোস্টেলে তুলে দিয়ে আসলো সুবন্যাকে।

 

এরপর থেকেই শুর হলো আসল ঘটনা।

সুবন্যা হোস্টেলে থাকা অবস্থায় সপ্তাহে একদিন করে বাড়ি এসে হৃদয়ের সাথে থাকতো। কিন্তু ২ মাস পর থেকে সুবন্যা আর বাড়ি আসে না। হৃদয়কে বলে পড়াশুনার চাপ। বাড়ি যেতে পারবো না। হৃদয়ও মেনে নেয়। হৃদয় ৩-৪ দিন  পর পর সুবন্যার সাথে কলেজে গিয়ে দেখা করে। কিছুদিন পর সুবন্যা বলে দেখা করতে আসতে হবে না। সময় হলে সুবন্যাই নাকি দেখা করতে আসবে। হৃদয় চিন্তায় পড়ে যায়। সে একটু খোঁজ নেয়। পরে জানতে পারে অন্য একটি ছেলের সাথে ইস্টু ফিস্টু করছে সুবন্যা। অনেক কান্না করে হৃদয়। ভেঙে পড়ে একদম। হৃদয় ফোন দিলে ফোন কেটে দেয় সুবন্যা।

 

একদিন রাতে হৃদয়কে ফোন দিয়ে সুবন্যা বলে,  তাকে যেন ভুলে যায় হৃদয়। আর তার পরের দিন ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দেয় সুবন্যা। হৃদয় সোজা দৌড়ে চলে যায় যায় মেডিকেলে। সুবন্যাকে মেডিকেলে না পেয়ে সুবন্যার বন্ধুদের কাছে জানতে চায় কোথায় গেছে সুবন্যা। একজনে এক জায়গার নাম বলে। হৃদয় সেখানে চলে যায়। গিয়ে দেখে সুবন্যা আর সেই ছেলেটি বসে আসে। হৃদয় আর কোন কথা না বলে ডিভোর্স লেটারে সাইন করে একটা বাদামওয়ালার হাতে দিয়ে লেটারটা সুবন্যার কাছে পাঠিয়ে দেয়।

 

আজ ৩ দিন হলো হৃদয় কিছু খায় না। শুধু কাঁদছ। আর ভাবছে, হয়তোবা সুবন্যা তার কাছে সুখী না। কিন্তু সুখে রাখতেই চেয়েছিলো হৃদয় তাকে। হৃদয় ঘুমাতে পরছে না, খেতে পারছেনা। সব সময় কান্নাকাটির উপর আছে। কেনই বা কাঁদবে না। নিজের সবচেয়ে পছন্দের জিনিসটিই যে হারিয়ে ফেলেছে। যার জন্য সারাজীবন ধরে কষ্ট করলো,  নিজের শরীরের রক্ত পানি করে মেডিকেলে ভর্তি করালো । আর সেই সুবন্যা ডিভোর্স দিয়ে দিলো ভুল মানুষের প্রেমে পড়ে। হায়রে মানুষের অবস্থা।

 

হৃদয় মারাত্বক রকম ডিপ্রেশনে ভুগছিলো। কাজে যায় না ঠিকমত। ভালোবাসতো তো খুব। তাই হৃদয় লুকিয়ে লুকিয়ে মেডিকেলে যায়। সুবন্যাকে দেখে চলে আসে। মনে মনে ভাবে সুবন্যা যদি ওকে নিয়ে সুখে থাকে তাহলে আমি সুবন্যাকে কেনো জ্বালাবো। তাই হৃদয় আর সুবন্যাকে দেখতে যায় না। কিন্তু সুবন্যাকে তো ভুলতে পারছে না। সব সময় কষ্ট দিচ্ছে সুবন্যার ফেলে যাওয়া স্মৃতিগুলো। ধীরে ধীরে হৃদয় নেশার দিকে এগিয়ে যায়।

 

প্রথমে গাঁজা খাওয়া শুরু করে। তারপর ইয়াবা, মদ সব খায়। আস্তে আস্তে নিজেকে মৃত্যুর দিকে ঠেলতে থাকে হৃদয়। কি করবে আর সে, নিজেকে যে শান্ত করতে পারছে না। নেশার জন্য চাই টাকা। তাই দিনের বেলা দোকানে যাওয়া ধরলো আবার। কাজ করতো আর নেশা করতো। নিজের রক্তও বিক্রি করতো সে। এর মধ্যে আর সুবন্যার সাথে কোনো যোগাযোগ করেনি হৃদয়।

 

এভাবে ১৭ দিন চলে গেলো। একদিন হৃদয় দোকানের এক কাজে বাইরে গিয়েছিলো। গিয়ে দেখে সুবন্যা আর শাকিল মানে সুবন্যার বয়ফ্রেন্ড রিক্সায় যাচ্ছে। হৃদয় আর সহ্য করতে পারেনি। মাথাটা ঘুরতে থাকে হৃদয়ের, পড়ে যায় সেখানেই।হৃদয় বাড়ি চলে যায়। রুমে গিয়ে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। বাড়িওয়ালা এগিয়ে আসে। সান্ত্বনা দেয়,  আবার বিয়ে করতে বলে হৃদয়কে। কিন্তু হৃদয় না করে দেয়। বাড়ি ওয়ালা চলে যাবার পর হৃদয় হাত কেটে সারা রুমের দেয়ালে সুবন্যার নাম লিখতে থাকে। রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায় সারা রুম।

 

ঐ দিন রাতে হৃদয় নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারে না। ছাদে যায়, সারা রাত নেশা করে, আর কাঁদে। সিগারেটের পর সিগারেট জ্বালাতে থাকে। এক সময় নিজের উপর কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলে। ছাদের একদম কোণায় এসে নিজের শরীরটাকে আস্তে আস্তে বাহিরের দিকে ঠেলে দেয়। এক সময় হৃদয়ের শরীর ছাদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিচের দিকে হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে পড়তে থাকে হৃদয়। নিজে শেষ বারের মত একবার প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেয় হৃদয়। হঠাৎ  ধূপ করে মাটি স্পর্শ করে হৃদয়ের শরীর। মাথাটা ফেটে যায়। শেষ হয়ে যায় হৃদয়ের জীবন।

 

ভালোবাসা হেরে যায় এই দুনিয়ার মানুষের কাছে। হৃদয়ের চোখ তখনও পানিতে ভেজা ছিলো। ধিক্কার জানায় দুনিয়ার মানুষকে হৃদয়ের সেই চোখের জল। দিনের বেলা সবাই দেখতে পায় হৃদয়ের লাশ। সবাই আফসোস করতে থাকে। ঘৃণা করতে থাকে সবাই সুবন্যাকে। তারপর হৃদয়ের লাশ পাঠিয়ে দেওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে। সেখানেইদাফন করা হয় হৃদয়কে।

 

অন্যদিকে সুবন্যা এসব কিছুই জানে না।

সুবন্যা যে ছেলের সাথে প্রেম করছিলো ঐ ছেলে আসলে সুবন্যাকে না সুবন্যার শরীর কে ভালোবাসতো। একদিন সুবন্যাকে মিথ্যা বলে এক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে যাবার পর ৪ জন মিলে জোর করে রেপ করে সুবন্যাকে। ভিডিও করে। সুবন্যা অনেক কাঁদে।

 

সেই ছেলেগুলো তারপরও সুবন্যাকে নিস্তার দেয়নি। ভিডিও দিয়ে ব্লাকমেইল করে কয়েকদিন পর পরই ফিজিক্যাল রিলেশন করতো সুবন্যার সাথে। এভাবে এক সময় অতিষ্ঠ হয়ে যায় সুবন্যা। বুঝতে পারে সে নিজের ভুল। হৃদয়ের কথা ভাবে। কিন্তু ভাবলে কি হবে। কোন মুখ নিয়ে যাবে হৃদয়ের কাছে। তারপরও শতবার ভাবার পর যায় হৃদয়ের বাড়িতে সুবন্যা। গিয়ে দেখে হৃদয়ের রুম তালা। কিন্তু হৃদয়কে পায় না। কিভাবে পাবে, অনেক আগেই যে হৃদয় সবাইকে ছেড়ে ঐপারে পারি জমিয়েছে।

 

সুবন্যার কাছে রুমের এক্সট্রা চাবি ছিলো। রুম খুলে দেখে সারা রুমে রক্তের দাগ। দেয়ালে তার নাম লেখা রক্ত দিয়ে। সুবন্যার চোখে পানি চলে আসে। রুম খোলা দেখে বাড়িওয়ালা এগিয়ে আসে। সুবন্যা বাড়িওয়ালার কাছে বলে হৃদয়

কোথায়? বাড়িওয়ালাও কেদে ফেলে। সুবন্যাকে নিয়ে ছাদে যায় বাড়িওয়ালা। তারপর অাস্তে আস্তে সব খুলে বলে।

বলে যে, তোমার জন্য কাঁদতে কাঁদতে পাগলের মত হয়ে যায়। খাওয়া দাওয়া করতো না ঠিকমতো। তারপর নেশাও শুরু করে। এরপর ছাদ থেকে পড়ে

আত্নহত্যা করে হৃদয়। গ্রামে লাশ দাফন করা হয়েছে।

 

সুবন্যা আর চুপ থাকতে পারলো না। তার চিৎকারে আকাশ বাতাস সব একাকার হয়ে যায়। সুবন্যা ছাদের কোণাতেও দেখে তার নাম লেখা রয়েছে রক্ত দিয়ে। সাত তলা থেকে পড়ে গিয়েছিলো হৃদয়। সুবন্যা নিচে নেমেও দেখে রক্তের দাগ লেগে আছে মাটিতে। নিজেকে শেষ করে দেবে ভাবে সে।

 

পরে গ্রামে চলে যায় সুবন্যা। ওদের ডিভোর্সের কথা কেউ জানতো না গ্রামের বাড়িতে হৃদয়ের বাবা মা। হৃদয়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সুবন্যা হয়তোবা কি বলে মনে মনে। তারপর একসময় সুবন্যা মাটিতে পড়ে যায়। ফেনা বেরিয়ে আসে মুখ দিয়ে। মারা যায় সুবন্যা।

 

Author: মোঃ শহীদ হোসেন হৃদয়

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts

মতামত দিন Leave a comment