খনার বচনে গর্ভস্থ সন্তানের স্বরূপ নির্ণয় পদ্ধতি

খনার বচনে বিবাহযোগ্যা নারী নির্বাচন পদ্ধতি

আজ থেকে ১৫০০ বছর পূর্বে জন্ম নেওয়া ইতিহাসের এককিংবদন্তি খনা বা ক্ষণা োন এক শুভক্ষণে তার জন্মবলে নাম দেওয়া হয় ক্ষণা আরক্ষণাথেকেইখনানামের উৎপত্তি বলে মনে করা হয় খনা ছিলেন সিংহলরাজার কন্যা কথিত আছে, খনার আসল নাম লীলাবতীতিনি ছিলেন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী তাঁর রচিতভবিষ্যতবাণীগুলোই মূলতখনার বচননামে আমরাজানি
খনার বচনে গর্ভবতীর পেটের সন্তানের জেন্ডার নিরুপণ বা খনার বচনে গর্ভস্থ সন্তানের স্বরূপ নির্ণয় পদ্ধতি

বানের পেটে দিয়ে বান

পেটের ছেলে গুণে আন।

নামে মাসে করি এক

আটে হবে সন্তান দেখ।

এক তিন থাকে বান

তবে নারীর পুত্র জান।

দুই চারি থাকে ছয়

অবশ্য তার কন্যা হয়।

থাকিলে শূন্য বা সাত

অবশ্য হয় গর্ভপাত।

এখানে খনার কবিতাটিতে বানের পেটে দিয়ে বান এর অর্থ করা যায়।  পাঁচের পিঠে পাঁচ অর্থাৎ পঞ্চান্ন সংখ্যাটি। এই সংখ্যার সাথে যে গর্ভধারিনীর সন্তান গণনা করতে হবে তার নামের অক্ষর সংখ্যা এবং গর্ভ যতো মাসের সেই মাসের সংখ্যা নির্ভুলভাবে একত্রে যোগ করতে হবে। এই মোট সংখ্যাকে আট দিয়ে ভাগ করতে হবে। ভাগ্যের শেষে যদি পাঁচ অবশিষ্ট থাকে তাহলে পুত্র হবে এবং দুই, চার বা ছয় অবশিষ্ট থাকলে কন্যা হবে। ভাগশেষ যদি শূন্য বা সাত অবশিষ্ট থাকে তাহলে গর্ভিনীর গর্ভপাত হবে।

দ্বিতীয় মত

গ্রাম গর্ভিনী ফলে যুতা

তিন দিয়ে হর পুতা।

এক সুত দুইয়ে সুতা

শূন্য থাকিলে গর্ভ মিথ্যা।

একথা যদি মিথ্যা হয়

সে ছেলে তার বাপের নয়।

তৃতীয় মত

সাত মাসের গর্ভ নারীর

নামে যত অক্ষর

যত জনে শুনে তাহে

অঙ্ক দিয়া এক কর।

সাতে হরি চন্দ্র নেত্র

বান যদি রয়

সমে পুত্র, পরে কন্যা

জানিবে নিশ্চয়।

 

Author: রক্তবীজ ডেস্ক

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts

মতামত দিন Leave a comment