খনার বচন

Khonar Bochon খনার বচন

আজ থেকে ১৫০০ বছর পূর্বে জন্ম নেওয়া ইতিহাসের এককিংবদন্তি খনা বা ক্ষণা োন এক শুভক্ষণে তার জন্মবলে নাম দেওয়া হয় ক্ষণা আর ‘ক্ষণা‘ থেকেই ‘খনা‘ নামের উৎপত্তি বলে মনে করা হয় খনা ছিলেন সিংহলরাজার কন্যা কথিত আছেখনার আসল নাম লীলাবতীতিনি ছিলেন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী তাঁর রচিতভবিষ্যতবাণীগুলোই মূলত ‘খনার বচন’ নামে আমরাজানি

 

 

 

 

চাষী আর চষা মাটি

এ দু’য়ে হয় দেশ খাঁটি।

জ্যৈষ্ঠ খরা, আষাঢ়ে ভরা

শস্যের ভার সহে না ধরা।

আষাঢ় মাসে বান্ধে আইল

তবে খায় বহু শাইল।

আষাঢ়ে পনের শ্রাবণে পুরো

ধান লাগাও যত পারো।

পটল বুনলে ফাগুনে

ফলন বাড়ে দ্বিগুণে।

ফাগুনে আগুন, চৈতে মাটি

বাঁশ বলে শীঘ্র উঠি।

ভাদ্রের চারি, আশ্বিনের চারি

কলাই করি যত পারি।

লাঙ্গলে না খুঁড়লে মাটি,

মই না দিলে পরিপাটি

ফসল হয় না কান্নাকাটি।

সবলা গরু সুজন পুত

রাখতে পারে খেতের জুত।

গরু-জরু-ক্ষেত-পুতা

চাষীর বেটার মূল সুতা।

শোন শোন চাষি ভাই

সার না দিলে ফসল নাই।

হালে নড়বড়, দুধে পানি

লক্ষ্মী বলে ছাড়লাম আমি।

রোদে ধান, ছায়ায় পান।

আগে বাঁধবে আইলতবে রুবে শাইল।

খনা বলে শুনে যাও

নারিকেল মুলে চিটা দাও।

গাছ-গাছালি ঘন রোবে না

গাছ হবে তাতে ফল হবে না।

হলে ফুল কাট শনা

পাট পাকিলে লাভ দ্বিগুণা।

খনা বলে শোন ভাই

তুলায় তুলা অধিক পাই।

ঘন সরিষা পাতলা রাই

নেংগে নেংগে কার্পাস পাই।

দাতার নারিকেল, বখিলের বাঁশ

কমে না বাড়ে বারো মাস।

 

Author: রক্তবীজ ডেস্ক

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts