চিকনগুনিয়ার লক্ষণ ও চিকিৎসা

চিকনগুনিয়া

ডেঙ্গুর বাহক এডিস Adese aegypti মশা চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাসেরও বাহক। অন্যান্য মশার কামড়েও এ রোগের বিস্তার হতে পারে তবে তা সীমিত আকারে। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়। এ রোগের লক্ষণগুলো হচ্ছে জ্বর , মাথা ব্যথা , দূর্বলতা , বমি বমি ভাব , মাংশপেশীতে ব্যাথা , হাড়ের জোড়গুলিতে ব্যথা, হাড়ের জোড়গুলি ফুলে যাওয়া এবং বমি। হাড়ের জোড়গুলি ফুলে যাওয়া এই লক্ষণ চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর মধ্যে প্রধান পার্থক্য । ডেঙ্গু জ্বরে হাড়ের জোড়গুলি ফুলে যাওয়া থাকে না।

একবার চিকনগুনিয়া জ্বর হয়ে গেলে সারা জীবনে আর চিকনগুনিয়া জ্বর হয় না। চিকনগুনিয়া জ্বরের চিকিৎসায় কোন এন্টিবায়টিক প্রয়োজন হয় না। চিকনগুনিয়া জ্বরের কোন টিকা নাই। জ্বরের চিকিৎসায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ এবং প্রচুর তরল খাবার খেতে হবে। এসপিরিন জাতীয় ওষুধ থেকে বিরত থাকতে হবে। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে চিকনগুনিয়া জ্বর নিশ্চত ভাবে সনাক্ত করা যায় তবে সাধারণত রক্ত পরীক্ষা ছাড়া রোগের লক্ষণ দেখেই চিকনগুনিয়া সনাক্ত করা হয়। চিকনগুনিয়া জ্বরের কারণে মৃত্যুর সম্ভাবনা খুবই কম বা অতি বিরল।

(সংগৃহীত)

Author: রক্তবীজ ডেস্ক

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts

মতামত দিন Leave a comment