নিউ ইয়র্কে একজন অনুপ কুমার দাস

নিউ ইয়র্কে একজন অনুপ কুমার দাস

ভাবতে খুব ভালো লাগে যে, এই শহরে অনুপ কুমার দাসের মতো একজন নৃত্যশিল্পী আছেন। শুধু নিউইয়র্কে কেন, পুরো বাংলাদেশে তাঁর মানের শিল্পী বিরল। যার নির্দেশনায় কুইন্স থিয়েটারের মতো প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্যমায়ার খেলা

তাঁর এখানে আসার পথ কুসুমাত্তীর্ণ ছিল না। অনুপ কুমার দাস হলেন জীবনমঞ্চের সেই এ্যাথলেট, যিনি দক্ষ হার্ডলারের মতো শুধু জীবনের একের পর এক হার্ডলস পার হননি, রিলেরেসে খেলোয়াড়ের মতো গুরুর কাছ থেকে ধারণ করা বিদ্যা ছড়িয়ে দিয়ে চলেছেন প্রজন্মান্তরে

জীবনের ট্র্যাক এ্যান্ড ফিল্ডে এক অসামান্য এ্যাথলেট অনুপ কুমার দাস ।এই শহরে প্রায় সব বাঙালি তাকে চেনে। শুধু চেনেই না, প্রচন্ড শ্রদ্ধা করে। সমীহ করে। একজন মানুষ শিল্পের প্রতি কতখানি দায়বদ্ধ হলে এভাবে ভিনদেশে, ভিন্ন সংস্কৃতির মাঝে উপহার দিতে পারেমায়ার খেলা মতো একটি নৃত্যনাট্য, তাও আবার কুইন্স থিয়েটারের মতো এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে, একজন অনুপ কুমার দাসই সেটা করে দেখালেন

এই শহরে লাখো বাঙালির মধ্যে ব্যাতিক্রমী একজন মানুষ তিনি। নাচই তাঁর ধ্যানজ্ঞান। আর এই নাচই তাকে দিয়েছে খ্যাতি, ভালোবাসা আর স্বীকৃতি। অথচ এখানে আসার পথ কুসমাত্তীর্ণ ছিল না। পুরুষরা কেন নাচবে? আমাদের ঘুণে ধরা মানসগঠনে বিষয়টা যেন সহজে খাপ খায় না। আমরা ধরেই নেই, নাচ মেয়েদের কাজ। পুরুষদের নাচতে দেখলে আর সেই নাচ যদি ধ্রুপদী নৃত্য হয়, তবে প্রকাশ্যে না হলেও, আড়ালে হাসাহাসি করি। একজন পুরুষ নৃত্যশিল্পীর আত্নসম্মানবোধের জায়গাটি নিয়ে আমরা কখনও ভাবিনা!

এমন বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেই বেড়ে উঠেছিলেন একজন অনুপ কুমার দাস। তিনি হৃদয়ের কথা বুঝতে পেরেছিলেন। বুঝেছিলেন এই নাচের মধ্যেই তিনি স্বতঃস্ফূর্ত, এখানেই রয়েছে তাঁর ভালোবাসা। চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে জন্ম হলেও বেড়ে উঠেছেন ঢাকার পুরনো বিমান বন্দর এলাকায়। ওখানে মহল্লার বখাটে ছেলেরা অনুপ কুমারকে পথে দেখলে ক্ষেপাতো। নাচেন বলে কত বক্র কথা শুনতে হয়েছে মানুষের। কেউ বলতো, ‘এই তুমি মেয়েদের মতো নাচ কেন?’ কেউ বলতো, ‘তোর তো অনেক মেয়েদের সঙ্গে খাতির। দেনা আমাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে!’

অনুপ কুমার বেশীরভাগ সময় ওদের কথা কানে নিতেন না। মাঝে মাঝে বলতেন, ‘তোমরা কি মনে কর, যারা নাচে, তারা খারাপ? মোটেও না। বরং এটা যারা ভাবে তারাই আসলে খারাপ।প্রতিবাদ সত্ত্বেও ওদের ক্ষ্যাপানো বন্ধ হত না। তবে মানুষের এক সময় সুসময় আসে। যখন বিটিভিতে সম্প্রচারিত হল অনুপ কুমার দাসের নাচ, তখন তারা রীতিমত স্তব্ধ। সাদাকালো সেই যুগে বিটিভিই ছিল ঘরে ঘরে সবার বিনোদনের একমাত্র জায়গা। ১৯৭৬ সালে অনুপ কুমার যখন ক্লাস এইটের ছাত্র, তখন স্কুল বিচিত্রা নামে এক অনুষ্ঠানে প্রথম অংশ নেবার সুযোগ পেলেন। সেই শুরু, তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। শৈশবকৈশোরের ভালোবাসাই হয়ে গেল পরবর্তী জীবনের নেশা পেশা

১৯৯৪ সালের এপ্রিল কিংবা মে মাসে নিউইয়র্কে পা রেখেছিলেন অনুপ কুমার দাস। সবাই বলেছিল সময়টা স্প্রিং হলেও হালকা ঠান্ডা থাকবে। তাই একটা কোট গায়ে দিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু বাইরে এসে মনে হচ্ছিল মাঘের শীত। এভাবেই এই শহরে পা রেখেছিল একজন অসামান্য নৃত্যশিল্পী। এখানে স্থায়ী হবেন, এই ভাবনাটা শুরুতে ছিল না। এসেছিলেন পারফরমার হিসেবে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত বিপার ড্যান্স ড্রামায় আটিস্ট হিসেবে অংশ নিতে আসেন। পরিবারের ভাইবোনরা আগে থেকে নিউইয়র্কে ছিল। তারা সবাই অনুরোধ করল এখানে থেকে যেতে। এভাবে একদিন ব্রঙ্কসের পার্কচেষ্টারে গড়লেন স্থায়ী ঠিকানা

নিউ ইয়র্কে একজন অনুপ কুমার দাস
নিউ ইয়র্কে একজন অনুপ কুমার দাস

তারপর এক সময় সম্পর্ক হল বাফার সঙ্গে? সেই ইতিহাসটা অনুপ কুমারের মুখেই শুনি, ‘বাফার বর্তমান সভাপতি ফরিদা ইয়াসমীন আপার সঙ্গে আমার পরিচয় হয় উদীচিতে। আমি তখন উদীচিতে নাচ শেখাই। উনি আমাকে প্রস্তাব দেন দুজনে একটা সংগঠন সৃষ্টি করার। এভাবে দুই বছর ধরে আলোচনা চলতে থাকে। অবশেষে ব্রঙ্কসে একটা জায়গা খুঁজে পাই। এভাবে যাত্রা শুরু হয় বাফার। ফরিদা আপা একটি নারী সংগঠনের নেতৃত্বে আছেন এখানে। ওই সংগঠনের সদস্যদের সন্তানদের নাচ শেখানো দিয়ে যাত্রা শুরু হয় বাফার। খুব বেশী দিন নয়, মাত্র সাত বছর আগের ঘটনা এটা। এখন বাফায় শুধু নাচ নয়, গান বিনা খরচে শিশুদের বাংলা ভাষা শেখানো হয়।

মাত্র সাত বছরের যাত্রায় সেই বাফা এখন কুইন্স থিয়েটারেমায়ার খেলা মতো নৃত্যনাট্য পরিবেশনের কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার আগে রবীন্দ্রনাথের আরেকটি নৃত্যনাট্যচন্ডালিকা পেয়েছে ভুয়সী প্রশংসা। ভিনদেশের মাটিতে এভাবে একের পর এক অসাধারণ নৃত্যনাট্য উপহার দেয়া সহজ ব্যাপার নয়। কথায় আছে ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। তাই ভিন্ন দেশে, ভিন্ন সংস্কৃতিতে এসেও অনুপ কুমার দাস তার নিজের পরিচয়ে উদ্ভাসিত থাকলেন।

বয়স যখন তিন কি চার বছর, টিভিতে লায়লা হাসানের নাচের অনুষ্ঠান দেখে নিজেও নাচতেন। বড় হয়ে সেই লায়লা হাসানের সঙ্গেই কাজ করেছেন। তবে দিল্লীতে পাওয়া স্কলারশিপটাই অনুপ কুমারের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তার পায়ের তলার মাটি শক্ত করে। নটরডেম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। বাংলায় অনার্স শেষ করার পরে ওই স্কলারশিপটি পান। তারপর মাস্টার্স শেষ না করেই চলে যান দিল্লীতে

প্রথম এক বছর ছিলেন শান্তিনিকেতনে। ওখানে কথাকলি মনিপুরী শিখলেও অনুপ কুমারের মন ভরছিল না। কারণ তাঁর শেখার আগ্রহ ভরত নাট্যম কত্থক নৃত্য। যে দুটি শাখা বিশ্বভারতীতে ছিল না। তাই আবার চলে আসেন দিল্লীতে। সেখানে শ্রীরাম ভারতীয় কলা কেন্দ্রে লীলা স্যামসনের কাছে ভরত নাট্যম মুন্নালাল শুক্লার কাছে কত্থক শেখেন অনুপ কুমার। কত্থক নাচের জন্য আরেক গুরু রেবা বিদ্যার্থীর কাছেও কৃতজ্ঞ তিনি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করে একটা নিরাপদ পেশা বেছে নিতে পারতেন অনুপ কুমার। কিন্তু তিনি ঝুঁকি নিলেন। কারণ তিনি জানতেন, নাচই তাঁর নিয়তি। ১৯৯১ সালে দিল্লী থেকে চার বছরের ডিপ্লোমা করে আসার পরে সব জায়গায় তাঁর চাহিদা বেড়ে গেল। একই সাথে বাফার ওয়াইজঘাট ধানমন্ডি শাখায় নৃত্য শিক্ষক হিসেবে চাকরী পেলেন। কোরিওগ্রাফি করতে লাগলেন প্রচুর। এই ব্যাপারে তাঁর সৃষ্টিশীলতা ছিল বরাবর। শুধু নাচ নয়, নাচের শিল্পীরা কি ধরনের পোষাক পরবে, কি গয়না পরবে সেটা নিয়েও তিনি রাতের পর রাত হোমওয়ার্ক করেন

প্রশ্ন করলাম, পারফরমার প্রশিক্ষক দুই ভূমিকাতে আপনার সেরা কাজ কোনটি?

অনুপ কুমার উত্তর দিতে বেশী সময় নিলেন না।আমি দিল্লীতে থাকার সময় বিরজু মহারাজের নির্দেশিত নৃত্যনাট্যরঘুনাথ কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে নৃত্যনাট্যটি রচিত হয়েছিল। আমাকে তিনি নির্বাচন করবেন ভাবতে পারিনি। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে সেখানেঅঙ্গদেবএর চরিত্রটি করার সুযোগ পাই। ওই প্রযোজনায় আরও ছিলেন শ্বাশতী সেন বিরজু মহারাজের সন্তান জয় কৃষ্ণান।

আর প্রশিক্ষক হিসেবে আমার সেরা কাজ অবশ্যই মায়ার খেলা। কারণ এত বড় প্ল্যাটফর্মে এত বেশী সংখ্যক শিল্পীদের নিয়ে নৃত্যনাট্য নির্দেশনা দেইনি আমি।অনুপ কুমারের কথার প্রেক্ষিতে না বলে পারলাম না, ‘আপনার মনে হয়নি অনেক জায়গায় আপনাকে ছাড় দিতে হয়েছে এখানে। শিশুশিল্পীদের দিয়ে মায়া কুমারীর দল কি সাজানো যায়? তারপর পুরুষ পারফরমাররা ছিল আড়ষ্ঠ।’ অনুপ কুমার দাস স্বীকার করলেন, ‘আমি বাফাতে যেখানে নাচ শেখাই, সেখানে শিখতে আসার আগ্রহই আসল। এই শহরে বাবামা তাদের সন্তানদের অনেক কিছু বিসর্জন দিয়ে নাচ চর্চা করতে হয়। তাই আমার চেষ্টা থাকে সবাইকে সুযোগ দেবার।

তিনি এরপর যুক্ত করেন, ‘আসলে মায়ার কুমারীর দলে বাংলাদেশ হলে আমি তরুণী মেয়েদের নিতাম। কিন্তু এখানে বাধ্য হয়ে শিশুদের নিতে হয়েছে। কারণ আমার দলে এর বেশী শিল্পী নেই। আমার রিসোর্স সীমিত। বসন্ত নৃ্ত্যে ইচ্ছা ছিল পুরো মঞ্চ জুড়ে নাচ আয়োজন করার। কিন্তু সেই সংখ্যক শিল্পী নেই। তারপর পুরুষ শিল্পীরা কেউ নাচের ছিল না। ওদের জন্য নাটকটি আমাকে এডিট করতে হয়েছে। পুরুষদের জন্য কোন নাচের অংশ রাখিনি। ওরা যাতে কেবল এক্সপ্রেশন আর কোরিওগ্রাফি দিয়ে কাজ চালাতে পার। এভাবে অনেক কিছু আপোস করতে হয়েছে।

সবাই মঞ্চেমায়ার খেলাদেখেছে। কিন্তু কেউ কি খোঁজ নিয়েছে, কতজনের কত ত্যাগ তীতিক্ষার ফসল এই নৃত্যনাট্য? কেউ কি জেনেছে আয়োজনটি সফল করতে বাফার সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন সাধারণ সম্পাদক ফারজানা ইয়াসমিনের দিন রাতের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের কথা! অনুপ কুমার দাসকে ছোট জায়গায় শিল্পীদের নিয়ে রিহার্সেল করে, বড় জায়গায় নাচের কল্পনা করতে হয়েছে। উনি কল্পনা প্রবণ মানুষ বলেই হয়ত পেরেছেন। একটা অর্জনের পরে আবার তিনি ভাবতে শুরু করেছেন আগামী বছরের জন্য আরেকটি নৃত্যনাট্য নিয়ে

এই যে নৃত্যশিক্ষক, এই পরিচয়কে টিকিয়ে রাখতে জীবনের অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়েছে অনুপ কুমারকে। মেইনস্ট্রিমে অংশ নেয়া একটি ড্যান্স কোম্পানীর সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ব্রডওয়েতে শো করেছেন। কিন্তু কাজটা অনিয়মিত, আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে পরে তিনি ব্যানানা রিপাবলিকে কাজ শুরু করেন। সেখানে চোখকান বুজে কাটিয়ে দেন দশটি বছর। উদ্দেশ্য ছিল কিছু টাকা জমিয়ে আর্থিকভাবে নিজেকে নিরাপদ একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া। তারপর যখন কিছু টাকা জমল, তখন আবার নাচে ফিরলেন। পাবলিক স্কুলে অনুপ কুমারের ভাষায় কিছুটাফ্লেক্সিবলচাকরী নিলেন। তারপর পুরো দস্তর শুরু করলেন নাচের প্রশিক্ষকের কাজ

মারজিয়া স্মৃতি আর অন্তরা সাহাই শুধু নয়, অনুপ কুমার দাস উপহার দিয়েছেন অনেক নামকরা নৃত্যশিল্পীকে। বাংলাদেশের রিচি, চাঁদনী, রিয়া সবাই তাঁর হাতে গড়া। রিয়ার প্রথম কমার্শিয়ালের কোরিওগ্রাফি করেছেন তিনি। বাফার নৃত্যশিক্ষক থাকাকালে তাঁর কাছে কত্থক নাচ শিখেছেন মৌ, রতন, স্বপন, বেবী, তান্নার মতো দেশসেরা নৃত্যশিল্পীরা। মারজিয়া স্মৃতি অন্তরা সাহাকে নিয়ে অনুপ কুমারের মূল্যায়ন, ‘ওরা দুজনেই খুব এনার্জিটিক। আগে ওদের মধ্যে নাচের প্রতি এতটা টান ছিল না। আমি সেটা সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছি। লেখাপড়াতেও ওরা মেধাবী। আর যে কোন মেধাবী মানুষকে দ্রুত কোন কিছু শেখানো সম্ভব। আমি যখন ওদের পোষাক নির্বাচন করি, সব সময়ই ভাবি ওদেরকে যেন ভালগার না লাগে, যেন সবাই ওদের দেখে শ্রদ্ধা করে।

শিবলী মোহাম্মদ, সোহেল রহমান, আনিসুল ইসলাম হিরু, কবিরুল ইসলাম রতনসবাই অনুপ কুমার দাসের সমসাময়িক নৃত্যশিল্পী বন্ধু মানুষ। তাদের ছেড়ে নিউইয়র্কে চলে এলেও নাচকে কিন্তু ছাড়েননি তিনি। অথচ পরিবারের কেউ নাচের মানুষ ছিলেন না। বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ মুখোশের নায়িকা পূর্ণিমা সেন গুপ্তা তাঁর দূর সম্পর্কের এক পিসি। এর বাইরে কেউ নেই। তিন ভাই এক বোনের সংসারে আর কেউ নাচ শেখেনি

চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে অমূল্য দাস আর সুপ্রিয়া দাসের কোল আলো করে আসা শিশু সন্তানটি আজ এই শহরের একজন ব্যাতিক্রমী মানুষ। বাবা সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন। তবে মায়ের আগ্রহ ছিল বেশী। সন্তানদের মধ্যে একটু খ্যাপাটে এই সন্তানটির প্রতি কেন যেন বেশী ভালোবাসা তাঁর। নাচকে ভালোবেসে ছেলে এখনও বিয়েই করেনি। তাইতো সব ছেলেমেয়েদের ছেড়ে অনুপ কুমারের পার্কচেষ্টারের বাসাতেই আছেন বাবামা। রাত জেগে বসে থাকেন, কখন ছেলে আসবে? কখন খাবে?

শুধু নাচ শেখানো নয়, নিজের একটি নাচের প্রোগাম করার ইচ্ছা আছে অনুপ কুমার দাসের। সঙ্গে থাকবে প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা। অপেক্ষা এখন সেই দিনের জন্য

মনিজা রহমান
মনিজা রহমান

 

 

 

Author: মনিজা রহমান

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts

মতামত দিন Leave a comment