বাঙ্লায় বারোমাসি ভ্রমণ

বাঙ্লায় বারোমাসি ভ্রমণ

(শেষাংশ)

পৌষ এলো গো…….

‘পৌষ’ এলে শুরু হয় শীতকাল। ‘পৌষ’কে অতি আদর সহকারে কাজী নজরুল ইসলাম ‘পউষ’ কবিতায় লিখেছেন -“পউষ এলো গো/পউষ এলো অশ্রু-পাথার হিম-পারাবার পারায়ে/ঐ যে এলো গো ……….. পউষ এলো গো/এক বছরের শ্রান্তি পথের, কালের আয়ু ক্ষয়/পাকা ধানের বিদায়-ঋতু, নতুন আসার ভয়…….”। পৌষ নিয়ে তিনি আরো লিখেছেন-“পউষের বেলা শেষ/পরি জাফ্রানি বেশ/মরা মাচানের দেশ/ক’রে তোল মশগুল/ঝিঙে ফুল’। প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ-এর ‘অন্ধকার’ কবিতায় রয়েছে-‘ধানসিড়ি নদীর কিনারে আমি শুয়েছিলাম-পউষের রাতে’ ; ‘মৃত্যুর আগে’ কবিতায় আছে- ‘বুঝেছি শীতের রাত অপরূপ, মাঠে-মাঠে ডানা ভাসাবার/গভীর আহ্লাদে ভরা, অশ্বত্থের ডালে-ডালে ডাকিয়াছে বক….’। পৌষ শীতের মাস তাই এ সময় বেড়ানোর বেশ সুন্দর সময়। পৌষ মাসে অনুষ্ঠিত হয় খ্রিষ্টানদের বড় দিনের উৎসব-খ্রিস্টমাস ডে। এ দিনেই যীশুখ্রিষ্টের জন্মদিন। পৌষ মেলা’র উৎসব চলে গ্রামে গ্রামে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পৌষের রূপে মুগ্ধ হয়ে লিখেছেন-“পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে, আ য় রে চলে, আ য় আ য় আ য়/ডালা যে তার ভরেছে আজ পাকা ফসলে”। পৌষ মানেই শীত, তাইতো কবিগুরু আরও লিখেছেন-‘শীতের হাওয়ার লাগব নাচন আমলকির ডালে ডালে এই পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে দিল তালে তালে’ ; ‘শিউলি-ফোটা ফুরোল যেই ফুরোল শীতের বনে এলে যে/আমার শীতের বনে এলে যে সেই শূন্যক্ষণে’ ; ‘এল যে শীতের বেলা বরষ-পরে/এবার ফসল কাটো, লও গো ঘরে’। বাঙালি মেয়ে গীতা দত্ত গেয়েছেন-‘আমি শীতের রিক্ত শাখার ব্যর্থ হাহাকার/ডাক দিয়েছি তোমায় নব শ্যামল সম্ভারে’ ; বাংলার প্রথম হৃদস্পন্দন নায়িকা কানন দেবী “তুমি আর আমি” ছবিতে গেয়েছেন-‘শীতের শূণ্য শাখী কিশলয়ে ঢাকলো/পলাশের অরুণিমা গোলাপের মধুরিমা/কিংশুক রঙ্গন অনুরাগে রাঙালো’। পৌষের ধর্মকৃত্য ও উৎসব হলো-ষটপ মীব্রত; বিশ্বকর্ম পূজা (তন্ত্রবায় সম্প্রদায়ের) ; পূর্ণিমার নিশিপালন ; শ্রী শ্রী সত্য নারায়ণ ব্রত ; পূর্ণিমার ব্রতোপবসি ; শ্রী শ্রী কৃষ্ণের পুষ্পাভিষেক যাত্রা ; মাংসাষ্টকাশ্রাদ্ধ ; দধি-সংক্রান্তি ব্রত ; পৌষ পার্বন ; মকরাদি ¯স্নান ; গঙ্গা সাগর মেলা ; কপিল মুনির পূজা। পৌষেই স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিবস।

মাঘের শীতে বাঘ পালায়

‘মাঘ’ তো হাড়কাঁপানো শীতের মাস। ‘মাঘ’ নিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন-‘পুরানো শীত পাতা-ঝরা, তারে এমন নুতন করা/মাঘ মরিল ফাগুন হয়ে খেয়ে ফুলের মার গো’ ; ‘শীতের বনে কোন সে কঠিন আসবে ব’লে/শিউলিগুলি ভয়ে মলিন বনে কোলে’ । কবি অমিয় চক্রবর্তী ‘মাঘ’কে নিয়ে লিখেছেন ‘মাঘ সংক্রান্তির রাতে’ নামে কবিতা। এই কবিতায় লিখেছেন-“হে পাবক, অনন্ত নক্ষত্রবীথি তুমি, অন্ধকারে/ তোমার পবিত্র অগ্নিজ্বলে/অমাময়ী নিশি যদি সৃজনের শেষ কথা হয়/আর তার প্রতিবিম্ব হয় যদি মানব-হৃদয়’…….।  মাঘ মাসে ধর্মকৃত্য ও উৎসব হলো-বিনায়ক ব্রত ; শ্রী শ্রী গনেশ পূজা ; শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা ; বসন্ত পঞ্চমী কৃত্য ; শীতলষষ্ঠী ; মাকরী সপ্তমী ; নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী ব্রত, মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিবস। মাঘে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের মহাপ্রয়াণ দিবস। মাঘ মাসে নানা ফসলের প্রাচুর্য এবং নানানরকম খাওয়া দাওয়ার ঘুম পড়ে যায় গ্রাম বাংলায়। শীতের পিঠা তৈরি হয় এ সময় ঘরে ঘরে। মাঘেই হয় মাঘোৎসব। মোরগ লড়াই, ষাঁড়ের লড়াই, মাছ-পাখি শিকার, বিয়ে শাদির জাকজমক অনুষ্ঠান, আত্মীয় বাড়ি বেড়ানো এই মাঘে বেশি চলে। সত্যিকারের অবসর উদযাপনের মাস এই মাঘ। পুঁথি পাঠ, গম্ভীরা গান, যাত্রা, থিয়েটার, কবিগান ইত্যাদির আয়োজন চলে গ্রামে গঞ্জে ও মফস্বলে। পানি অনেক কমে যায় বলে নদী-বিল-খাল-পুকুরে নানা প্রকার মাছ ধরার কাজে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করেন। পুতুল নাচ, সার্কাস, যাত্রা, থিয়েটার উৎসবে মেতে থাকে শহর-গ্রাম। এ যেনো তখন বাঙালির উৎসবের মাস হয়ে ওঠে। বিশেষ করে উত্তর বাংলার গ্রামে গ্রামে খুব ভোরে শয্যা ত্যাগ করে অনেকেই নাড়া-খড়, পাটকাটি জ্বেলে আগুনে হাত-পা সেঁকে- এ যেনো শীতের বাংলার এক চিরচেনা দৃশ্য। এ সময় রোদ পোহানোর হিড়িক পড়ে যায়। সন্ধ্যার পরে সবাই শীতে জড়োসড়ো হয়ে পড়ে। রাত ৮ টার মধ্যে খাওয়া দাওয়া সেরে সবাই কম্বল নয়তো লেপ মুড়া দেয়। এই মাঘের শীতেই বনের বাঘ প্রচন্ড ঠান্ডায় কাতর হয়ে ঘন গাছপালার মধ্যে আশ্রয় নেয়।  

ও মা ফাগুনে তোর আমের বনে….

আমাদের এই বাংলায় শীত, ঝড়বৃষ্টি, অকাল গ্রীষ্ম, নিম্নচাপের সব ভ্রুকুটি মিথ্যে করে শেষে দেখা দেয় বসন্ত। ১ ফাল্গুন এলেই শুরু হয় বসন্তকাল। চৈত্র পর্যন্ত থাকে এই ঋতু। ফাল্গুন নিয়ে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানে রয়েছে-‘ফাল্গুন হাওয়ায় রঙে রঙে পাগল ঝোরা লুকিয়ে ঝরে/গোলাপ জবা পারুল পলাশ পারিজাতের বুকের পরে’ ; ‘ফাল্গুনের পূর্ণিমা এল কার লিপি হাতে’ ; ‘ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে/ ডালে ডালে ফুলে  ফুলে পাতায় পাতায় রে’ ; ‘ও মা ফাগুণে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে’-ইত্যাদি। প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ ফাল্গুন নিয়ে লিখেছেন-‘তাহলে আজ এই ফাল্গুনে রাতে/ঝাউয়ের শাখার পেছনে চাঁদ উঠতে দেখে/আমরা নিম্নভূমির জলের গন্ধ ছেড়ে/আকাশের রূপালি শস্যের ভিতর গা ভাসিয়ে দিতাম’। ‘তুমি আর আমি’ ছবিতে (১৬) বাংলার হৃদস্পন্দন নায়িকা-গায়িকা কানন দেবী গেয়েছেন-‘ফাগুনের উতরোল কী হাওয়া লাগলো/বাতায়নে নিরজনে মুকুলটি জাগলো’ এবং ‘ফাগুন দেখা আগুন ফুলে ছায় গুণ গুণিয়ে ভ্রমরগুলি গায়’। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় গেয়েছেন-‘ফাগুন খুলিয়া দিল প্রাণের দুয়ার/দুটি হিয়া চুপি চুপি এলো কাছাকাছি’ ; শ্যামল মিত্র গেয়েছেন-‘ফাগুন যেথা হয় না কভু শেষ/তারারই ফুল পাপড়ি ঝরায় যেথায় পথের ধারে’ আর ত্রিপুরার রাজকুমার শচীন দেব বর্মন গেয়েছেন-‘প্রিয় রজনীগন্ধা বনে, বলেছিলে তুমি ফাগুন এলে/দেখা হবে তব সনে/ফাগুণ এলো লয়ে সাথে তার ফুলের স্বপন তরুলতিকার’ ; ‘ফাগুন আমার হইবে বিফল জানি/দূর কোন পরবাসে তুমি চলে যাইবারে’। এই ফাল্গুণেই ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শ্রী শ্রী কৃষ্ণের দোলযাত্রা ; শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি ; শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত আর হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব উৎসব। বাংলার বসন্ত ঋতু যেন সেই ছেলেবেলার মায়ের আদর। বসন্ত যেন ভালোবাসার উষ্ণতাময়। বসন্তকাল এলেই আমার সেই ভালোবাসার মায়ায় বাংলার গ্রামে গ্রামে, জেলায় জেলায়, উপজেলায় উপজেলায়, ইউনিয়নে ইউনিয়নে, বনের আড়ে, নদীর ধারে ঘুরে বেড়াতে ইচ্ছে করে। এই শান্ত ঋতুর দিন গুলিতেই এই বাংলাদেশ দেখে বেড়ানো, তার গাছপালা, ফুল-লতা-পাতা ছুঁয়ে বেড়ানো, অদিগন্ত তরমুজ, ফুট খিরাই ক্ষেতে চাষিদের সংগে কথালাপের সাথে সদ্য তোলা ফুট-খিরাই খাওয়ার সুখ, সারি সারি খেজুর গাছের খেজুর খাওয়া-এমন অযুত নিযুত স্মৃতি নিয়ে গাঁথা আমার কিশোর কালের বসন্তের গোটা মরসুম। দুপুর বেলা ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক শুনে ওদেরকে খুঁজে বেড়ানো সেতো কৈশোর স্মৃতির কথা। বসন্তে পথে পথে ফের পথের ধুলোয়-খিদেটা মেটাই ক্ষেতের তরমুজে। এই গাঁয়ে রাত, ওই গাঁয়ে দিন-কখনো আহার নিদ্রাবিহীন। কেউ বলে, নেই তোর কি মা-খালা ? অল্প বয়সে হবি সন্ন্যাসী ? কেউ বলে, খোকা, ফিরে যারে বোকা। কেউ বলে, শোন আমি তোর দিয়া। এ জেলার নাম কুষ্টে বা কুষ্টিয়া। কেউ বলে, নাও পুজোর প্রসাদ। এ জেলার নাম পাবনা। কেউ বলে, তোর কেমন মন যে। থাক না দুদিন এ বগুড়ায়। কেউ বলে, তুমি এই হানে বহ। এ জেলার নাম আজ নাটোর। কেউ বলে, খাও শুধু চিরা-মুড়ি-গুড়। এ জেলার নাম দিনাজপুর। ফের ঘর বাঁধি বনের গভীরে। দু’দিন শুয়েছি পূনর্ভবার তীরে। সারারাত নদী, সারারাত তারা-উপরওয়ালা  যেন দিয়েছে পাহারা। এমনই আমার উষ্ণতা ছড়ানো বসন্তকাল। এমনই আমার হৃদয় জুড়ানো বাংলাদেশ, এমনই আমার ভালোবাসা মাখা চিরভ্রমণ। এমন ঋতুতে কেবলই মনে হয় ঘরে ঘরে গিয়ে এই ভালোবাসা-চিঠি বিলি করি। সবাইকে ডেকে ডেকে বলি, ভালোবাসো, বলো, ভালোবাসি।

চৈত্র দিনের ঝরা পাতার পথে

বসন্তকালের ‘চৈত্র’ মানেই পাতা ঝরার মাস। আর এই চৈত্র নিয়ে পংকজ কুমার মল্লিকের গাওয়া- “চৈত্র দিনের ঝরা পাতার পথে/দিনগুলি মোর কোথায় গেল বেলা শেষের শেষ আলোকের রথে’ গানখানি বাঙালি সংগীত প্রেমিকরা কোনদিনই ভুলতে পারবে না। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া-‘ও ঝরা পাতা এমনি তুমি যেও না যেও না ঝরে/বোলনা বিদায় এমন করে’-এ গানও ছিলো বহুদিন ধরে মানুষের মুখে মুখে। ফাল্গুন ও চৈত্রে ‘কুহু কুহু’ স্বরে ডাকে কোকিল। তখনতো নবপরিণীতা বধু’র মন হয় উতলা। মন আনচান করবেই বা না কেন, স্বামী বাসররাতের পরের দিনই চলে গেছে দূরে বহুদূরে সৌদি আরব নয়তো মধ্য প্রাচ্যের অন্য কোন দেশে। তখনতো নব বধুটি গুণগুণ করে গায়-“বনের কোকিল আর ডাকিস না তোর কুহু কুহু ডাক শুনিয়া পরান আমার রয় না ঘরে” নয়তো “ও কোকিল ডাইকো না ডাইকো না ঐ কদম্ব ডালে শীত বসন্ত সুখের কালে”। যৌবনকে বসন্তের সংগে তুলনা করে ‘গড়মিল’ ছবির (১৯৪২) জন্য গীতিকার প্রনব রায় লিখলেনঃ“আমারও ভুবন হতে বসন্ত চলে যায়………হারানো দিনের লাগি প্রেম তবু রহে জাগি”। আর এই গানে কন্ঠ দিয়ে নায়ক-গায়ক রবীন মজুমদার অমর হয়ে রইলেন। এই রবীন মজুমদার-ই ‘শাপমুক্তি’ ছবিতে (১৯৪০) সুপ্রভা সরকার ও শৈল দেবীকে নিয়ে গেয়েছিলেন-‘কোকিলের গানে সুখের বেদনা সহিতে পারে না বালা/কিবা যেন চায় কহিতে না চায় চন্দনে বাড়ে জ্বালা’। চৈত্রে গাছে গাছে দেখা যায় ‘কোকিল’। ওদের ডাকে পিছন পানে ফিরে তাকাতে কার না মন চায়। ঝিঁ ঝিঁ পোকার একটানা ডাকে মুগ্ধ হতে হয়। শৈশবে ঝিঁ ঝিঁ পোকা ধরার সেই মধুক্ষণ ফিরিয়ে নিয়ে যায় অতীতে। চৈত্রের শেষ দিনে মেলা বসার কথাও খুব করে মনে পড়ে এই শেষ বয়সে। চরক পূজায় কতই না আনন্দ হতো ক্লাসমেট সজল, প্রদীপ মোহন মাঝি, রঞ্জিত মন্ডল এদের সাথে। হিন্দুবাড়িতে চলতো কীর্তন গানের পালা। রাত করে কীর্তন শুনে আর মিষ্টি খেয়ে ঘরে ফেরার সেই দিনতো আর ফিরবে না। ভারতে চলে যাওয়া বন্ধুরা’ও আর কোনোদিন আসবে না-এ যাতনা কাহারে জানাই। বাসন্তী পুজার কথাই বা ভুলি কেমনে। সেই দিনগুলোতে (১৯৬০-১৯৬৯) প্রতিটি বাঙালির প্রাণে আনন্দের বন্যা ছড়িয়ে দিতো এই বাসন্তী পুজা। কোথায় হারিয়ে গেলো সেই চৈত্রের দিনগুলি। তখন তো মনে পড়বেই প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশকে। তিনিইতো কবিতায় লিখেছেন-“চারিপাশে বনের বিস্ময়, চৈত্রের বাতাস, জ্যোৎস্নার শরীরের স্বাদ যেন’। চৈত্র মাসের উল্লেখযোগ্য ধর্মকৃত্য ও উৎসব হলো- শ্রী শ্রী দেবীর বসন্ত নবরাত্রিক ব্রতারম্ভ ; মহাবীর জয়ন্তী ; শ্রী শ্রী বাসন্তি পূজা ; শ্রী শ্রী অন্নপূর্ণা পূজা ; অষ্টমী ¯œান (এ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলার লাঙ্গলবন্দ গ্রামে বিরাট মেলা ও ¯স্নানোৎসব অনুষ্ঠিত হয়) ; শ্রী শ্রী রামনবমী ; মদন ত্রয়োদশী ; শ্রী শ্রী বলরাম রাসযাত্রা ; নীলপূজা ও নীলের উপবাস ; শ্রী শ্রী চরক পূজা ; মহাবিষ্ণুব সংক্রান্তি। চৈত্রেই বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।

লিয়াকত হোসেন খোকন
লিয়াকত হোসেন খোকন

Author: লিয়াকত হোসেন খোকন

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts