বিদেশীদের চোখে বাংলাদেশের গণহত্যা

(পূর্ব প্রকাশিতের পর​)
রবার্ট কেইলারের রিপোর্ট
২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা: একটা খবর লিখে নিয়ে আমি হোটেলের নিচতলার লবিতে গেলাম। খবরটি শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বিবৃতি। তাতে তিনি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, যদি জনগণের বিরদ্ধে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকে তাহলে ফলাফল গুরুতর হতে পারে। খবরটি পাঠানোর জন্য টেলিগ্রাম অফিসে যেতে হবে। ট্যাক্সি করে যাব বলে ভাবছি। এমন সময় লবিতে একটি জটলা দেখলাম, সেখানে রণসাজে সজ্জিত সৈনিক ছিল। মাথায় হেলমেট, হাতে রাইফেল। এক হোটেল কর্মচারী হোটেলের প্রধান দরজায় একটি ব্লাাকবোর্ড টানাচ্ছে। তাতে চকপেন্সিলে লেখা হয়েছে দয়া করে বাইরে যাবেন না। একজন কেউ শেখের বিবৃতির একটি কপি রেখে গেছে। সেটাও ব্ল্যাকবোর্ডে সাঁটা হয়েছে। তাতে তিনি আগামী শনিবার সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। অন্যান্য সংবাদদাতারা বললো তারা হোটেলের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করতে সৈনিকরা তাদেরকে ভেতরে যেতে নির্দেশ দেয়। সেনা গার্ডদের কর্তা ক্যাপটেন বলেছে যদি কেউ বাইরে যায় তাকে গুলি করা হবে।

রাত ১১ টা ১৫ মিনিট: কি ঘটছে, সবাই বোঝার চেষ্টা করছে। একদল বলেছে, পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতিক জুলফিকার আলী ভুট্টোর প্রহরায় গার্ড বাহিনীকে নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি এই হোটেলের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে ঘৃণিত ব্যক্তি তিনি। আরেক দল বলছে, একটি সামরিক অভ্যুত্থান হতে যাচ্ছে। কারণ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জেনারেলদের কথামত কঠোর ব্যবস্থা নেননি। যত সময় যাচ্ছিল তাতে মনে হচ্ছিল সামরিক অভ্যুত্থান হতে যাচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে হোটেলের সামনে দিয়ে দুবার করে সেনাবহর যাতায়াত করেছে।

প্রেসিডেন্ট ঢাকা ছেড়ে চলে গেছে কীনা, এটা জানার জন্যে তার একজন মুখ্য সহকারীর ব্যক্তিগত টেলিফোন নম্বরে ডায়াল করলাম। অপর প্রান্ত থেকে টেলিফোন তোলা হল কিন্তু কোন কথা না বলে আবার রেখে দিল। স্থানীয় একটি সংবাদ সরবরাহ সংস্থায় টেলিফোন করলাম। জানতে চাইলাম কী ঘটছে। জানালো, তারা অফিস থেকে বেরোতে পারছে না।

বাংলাদেশের পতাকা পুড়িয়ে দেওয়া হল।
রাত ১২টা: কয়েকজন বৃটিশ কূটনীতিক এলেন। তারা বললেন, একটি পার্টি থেকে তারা ঘরে ফিরছিলেন। পথে সৈনিকরা তাদের থামায় এবং এই হোটেলে পাঠিয়ে দেয়। তারা দেখেছেন সৈনিকরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবন্ধক তৈরি করেছে। শহরের কেন্দ্রস্থলে বাস করে এমন একজন বাঙালি টেলিফোন করে বললো, হাতে বাঁশের লাঠি, লোহার রড এবং হাতের কাছে যে অস্ত্র পেয়েছে তাই নিয়ে শত শত বেসামরিক লোক রাস্তায় নেমে পড়েছে। ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের পাকিস্তানি সংবাদদাতা আসবার আহমেদের কাছে গেলাম। তিনি এই হোটেলে আটকা পড়েছেন। টেলিগ্রাফ অফিসে যেতে পারেননি। হোটেলের বাইরে সৈনিকরা বাংলাদেশের পতাকা টেনে নামিয়ে পুড়িয়ে দিল।

রাত ১২ টা ৫০ মিনিট: কয়েকবার চেষ্টার পর শেখ মুজিবের বাড়ির টেলিফোন পাওয়া গেল। এটা রাজনৈতিক সদর দফতরও বটে। টেলিফোন যিনি তুললেন নিজের নাম বললেন না। জানালেন শেখ ঘরেই আছেন। আওয়ামী লীগ তার বাড়িতে আসার পথগুলোতে ব্যরিকেড তৈরি করেছে। তিনি বললেন, তারা শুনেছেন সৈন্যরা একটি রোড ব্যরিকেডে দুজন আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে। পাশ্চাত্যের কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও বোঝা গেল কী ঘটছে তারাও জানেন না।

রাত ১টা: যে বাঙালি আগে টেলিফোন করছিল সে আবার টেলিফোন করলো। বললো শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে সে মেশিনগানের গুলির শব্দ পাচ্ছে। সে ঘরের বাইরে যায়নি, কিছুক্ষণ পর টেলিফোন নীরব হয়ে গেল।

স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলি বর্ষণের শব্দের সাথে প্রচন্ড বিস্ফোরণের আওয়াজও ভেসে আসছে। পরে দেখলাম সেনাবাহিনীর জীপে রিকয়েললেস রাইফেল বসানো হয়েছে।

রাত ৩টা: হোটেলের কাছাকাছি দি পিপল এর দিকে সৈনিকদের যেতে দেখা গেল। হাতে টর্চ লাইট। চিৎকার এবং গুলির আওয়াজ কানে এল। পরমূহূর্তে দেখলাম অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। দি পিপল একটি ইংরেজি দৈনিক। পত্রিকাটি সরকারের প্রবল সমালোচক। পরে হোটেলের কাছাকাছি আরো গুলিবর্ষণের শব্দ শোনা গেল। চিৎকার ও উল্লাস প্রকাশের মত শব্দ কানে এল। সেখানে কী ঘটছে বলতে পারবো না। আমি যেখানে আছি, এখান থেকে বলা সম্ভবও নয়। চারদিক থেকে অবিরাম গুলি বর্ষিত হচ্ছে।
ধুম্র কুন্ডলী

প্রত্যুষ: গুলি বর্ষণে বিরাম ঘটেছে। রাস্তা জনহীন হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দিক থেকে এক বিশাল ধুম্রকুন্ডলী পাকিয়ে পাকিয়ে আকাশে উঠেছে। যদি সৈন্যরা ভারি অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালিয়ে থাকে তাহলে হত্যাকান্ড ভয়াবহ রকমের হয়েছে বলে মনে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারশ ছাত্র সেখানকার একটি ভবনে থাকে।

সকাল ৭টা: আমরা কয়েকজনে ১২ তলায় গেলাম। সেখানে ভুট্টো অবস্থান করছেন। করিডরে তার কক্ষের সামনে রাইফেল হাতে দুজন দেহরক্ষী দাঁড়িয়েছিল। ভুট্টোর দলের এক সদস্য করিডরে এলেন। বললেন কি ঘটেছে সে সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা নেই। তিনি জানালেন, ভুট্টো ঘুমিয়ে আছেন এবং সাড়ে সাতটার আগে তাকে ডাকতে মানা করেছেন।
সকাল ৮টা: রেডিওতে করাচির বরাত দিয়ে বলা হল প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পশ্চিম পাকিস্তানে ফিরে গেছেন এবং আজ রাত ৮ টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। সামরিক অভ্যুত্থানের কথা যেটা বলা হচ্ছিল সেটা গল্প বলে প্রতীয়মান হলো। টেলিফোনগুলি তখনো মৃত।

সকাল ৮টা ৩০ মিনিট: খবর ছড়িয়ে পড়ল ভুট্টো হোটেল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। হোটেলের প্রবেশ দ্বারে একটি গাড়ি ও একটি সামরিক ট্রাক এসে হাজির হলো। ট্রাকটির ছাদ ডালপালা দিয়ে ঢাকা। লবিতে একদল সৈন্য প্রবেশ করলো। ধূসর রঙ্গের সুট ও নীল টাই পরে ভুট্টো হাজির হলেন। তিনি বললেন না কিছুই। তিনি গাড়ির দিকে যেতে যেতে বললেন, আমার বলার কিছুই নেই। দুই দেহরক্ষী গাড়িতে তার দুপাশে বসলো। রাইফেলের নল জানালার বাইরে বার করে রাখলো। তারা যেভাবে রাইফেলের ঘোড়ায় তাদের আঙ্গুল নাড়াচড়া করছিল, তাতে সবাই ঘাবড়ে যায়। ভুট্টোর এক সহচর বললো, তার উপদেষ্টারা বিকেল ৫টায় সময় প্রেসিডেন্ট ভবন থেকে বৈঠক করে গতকাল যখন ফিরে আসেন তখন তারা জানতেন রাজনৈতিক সমাধানের পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। ইয়াহিয়া এবং শেখ যে চুক্তিতে ঐকমত্যে এসেছিলেন, সেটাতে ভুট্টোর অসম্মতির কারণে অথবা ইয়াহিয়ার উপর সেনাবাহিনীর চাপে এটা ঘটেছে কী না তা পরিষ্কার নয়। ভুট্টোর লোকেরা সম্ভবত সম্মত হয়েছিলেন কিন্তু এদের নেতা সম্মত না হওয়ার কারণে এটা ঘটেছে।

ভুট্টো চলে যেতে আমরা পার্শ্বপথ দিয়ে বেরিয়ে এলাম। কিন্তু সৈন্যরা ভেতরে ঢুকতে আদেশ করলো। একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বললো, আমরা হোটেলের বাইরে যেতে পারবে না। একজন ক্যাপটেন হোটেলের এক কর্মচারীকে উর্দুতে বললো, আমরা বিদেশী, তাতে কী, তার কিছু যায় আসে না। আমরা হোটেলের ভেতরে না ঢুকলে সে গুলি করবে। আমরা ভেতরে চলে এলাম। হোটেলের সহকারী ম্যানেজার একজন পাকিস্তানি। ক্যাপটেন তাকে বললো, পনের মিনিটের মধ্যে যদি পাকিস্তানি পতাকা না ওঠান হয়, তাহলে সে গুলি করবে। একথা বলে সে চলে গেল। হোটেল কর্মচারীরা একটি পাকিস্তানি পতাকা জোগাড় করে আনলো। তোলার চেষ্টা করতে গিয়ে সৈনিকরা তাদেরকে বাইরে যেতে নিষেধ করলো।

সকাল ৯টা: রেডিওর ঘোষণার বলা হল যে, চব্বিশ ঘন্টার সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হয়েছে। রাস্তায় কাউকে দেখামাত্রই গুলি করা হবে। আরো বলা হল, সকাল দশটায় আরেকটি বিশেষ ঘোষণা দেওয়া হবে। হোটেল কর্তৃপক্ষ একজন রাঁধুনি জোগাড় করলো। যারা কফি আর সকালের নাশতা চাইলো, তাদেরকে সে বানিয়ে দিল।

সকাল ১০টা: হোটেলে পতাকা তোলা হলো। হোটেল ম্যানেজার-তিনি একজন জার্মান, দেঁতো হাসি হেসে বললেন, “হাতের কাছে আমরা সব ধরনের পতাকা রাখি।” বিশেষ রেডিও ঘোষণায় সামরিক আইন আদেশের বিভিন্ন ধারার প্রচার করা হল। সান্ধ্য আইন সম্পর্কে কিছুই বলা হল না।

এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ

বেলা ১২টা: জনহীন রাস্তায় জিপগাড়ি ও ট্যাংকের টহল হোটেলের ওপর তলা থেকে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে তারা এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়ে চলেছে। ট্যাংক এবং জিপগুলো চলে যাওয়ার পর আরো দুটো বিরাট ধুম্রকুন্ডলী আকাশে ঠেলে উঠলো। ধুম্রকুন্ডলীকে মনে হলো শহরের কেন্দ্র থেকে উঠে আসছে। সেখানে রয়েছে আওয়ামী লীগের অফিস। এই দৃশ্য বর্হিবিশ্বে না পাঠানোর অক্ষমতা বড্ড বেদনাদায়ক। শর্ট ওয়েভ রেডিওর খবর শুনে বোঝা গেল সেনাবাহিনীর হামলার সংবাদ বহির্বিশ্বে যায়নি।

দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট: যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল কিছু আগে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছিল সে ফিরে এলো। বললো, ‘আমরা সময় কাটানোর জন্য সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে পারি।’ তিনি আদেশ জারি করলেন, একমাত্র বিদেশীরাই এই সুইমিংপুল ব্যবহার করতে পারবে। পাকিস্তানিদেরও হোটেলের ভেতর থাকতে হবে। শহরে অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী ঘটছে, সে সম্পর্কিত কোন প্রশ্নের জবাব দেবেন না। বললেন, “শরীরটা ছেড়ে দিন। আরাম করুন। সাঁতার কাটুন, উপভোগ করুন।” মাঝে মাঝে কামানের গোলাবর্ষণের শব্দ ছাড়া বিকালটা শান্তভাবেই কেটে গেল। শহরের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে একটি নতুন ধুম্রকুন্ডলী দেখা গেল। সূর্য ডুবছে আর সেই পটভূমিতে তরঙ্গের মতো পাকিয়ে পাকিয়ে সেটা ওপরে উঠছে।
রাত ৮টা ১৫ মিনিট: ইয়াহিয়ার রেডিও ভাষণ শুনে লবিতে নেমে এলাম। ভাষণে তিনি শেখ মুজিবের অসহযোগ আন্দোলনকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক কাজ বলে অভিহিত করলেন। হোটেল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলো। বিমান বন্দরে যাবার জন্য সবাইকে তাড়াতাড়ি যার যার জিনিসপত্র বাঁধাছাদা করে সেনা বাহিনীর ট্রাকে উঠতে বলা হলো। আমি দলছুট হয়ে গিয়েছিলাম। হোটেলের সৈন্যরা একটা টহল জিপ ডাকলো আমাকে বিমান বন্দরে নিয়ে যাবার জন্যে। চালক গুম্ফধারী এক তরুণ লেফটেন্যান্ট। মাথায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সময়কার ধরনের হেলমেট। জিপের পেছনে এসে দাঁড়ালো সৈন্য ভর্তি একটি ট্রাক। আমার সুটকেস ওঠানো হলো সেটায়। আমি লেফটেন্যান্টের পাশের সিটে বসলাম। রেডিও অপারেটরকে সে পেছনের সিটে বসতে বললো।
বাড়িঘর: বন্ধ দরজা জানালা। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম পরিস্থিতি কতদিন এ রকম থাকবে। জবাব দিল, সে শুধু নির্দেশ মেনে যাচ্ছে। পরমুহূর্তে আবার বললো, “এখানে সব কিছুই ঠিকঠাক হয়ে যাবে।” আমার দিকে ফিরে দেঁতো হাসি হাসলো, বললো, “এখানকার লোকদের আমরা সোজা করে ছাড়বো।”
বেলা ১টা: শুল্ক বিভাগের এক কর্মকর্তা তল্লাশি শুরু করতে বললাম, ‘ঢাকাতে তল্লাশি একবার হয়ে গেছে।’ সে বললো, “বিশেষ নির্দেশ” রয়েছে আমার ওপর। সে আমার নোটবুক, ঢাকা থেকে টেলিগ্রামের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য তৈরি সংবাদের কার্বন কপি, খবরের কাগজের কাটিং, সাধারণ কাগজের টুকরো এমন কী আমার স্ত্রীর চিঠি সুটকেস হাতড়ে বের করে এনে বাজেয়াপ্ত করলো। আমার ক্যামেরাব্যাগের ভেতর থেকে ১৪ রোল ফিল্ম বের করলো। সেগুলোতে ছবি তোলা হয়নি। সবকিছুই সে তার ব্যাগের মধ্যে ঢুকালো। এগুলো পাবো কীভাবে, জানতে চাইলে বললো, ডাকে পাঠিয়ে দেয়া হবে। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কখন পাবো।’ জবাবে কাঁধ ঝাঁকালো। রসিদ দিতেও অস্বীকার করলো।
বেলা ১টা ৪৫ মিনিট: বোম্বেগামী বিমানে উঠলাম। আমার নোটবুক নিয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও নিজেকে আমি ভাগ্যবান মনে করছি। কেননা ঢাকা ছেড়ে আসার আগে আমি আরেকটি রিপোর্ট তৈরি করেছিলাম। সেটা আমার ট্রাউজারের পেছনের পকেটে। বিমানের ভেতর এক সাংবাদিক তল্লাশির ঝামেলায় পড়েন। তার কাছ থেকে রিপোর্ট লেখা একটি কপি ছিনিয়ে নেয়া হয়।
(উৎস- বাংলাদেশ ডকুমেন্টস: প্রথম খন্ড, ৩৮২-৩৮৫)।
(চলবে)

আফরোজা পারভীন​

 

 

Author: আফরোজা পারভীন

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts