বেদনার কুয়াশায় জারুল অাগুন

বেদনার কুয়াশায় জারুল অাগুন

অাজ অাবার একদফ‌া হ‌য়ে গে‌লো রুবা‌বের সা‌থে।ইদা‌নিং প্রজ্ঞা‌কে সে একেবা‌রেই সহ্য কর‌তে পার‌ছে না।

প্রজ্ঞার ব্যাপারটা তো অার এখন লু‌কোচু‌রির পর্যা‌য়ে নেই ,রুবা‌বের তীক্ষ্ণ হৃদ‌য়ের নীলাভ তা‌পে প্র‌তি‌নিয়ত পুড়‌ছে।

প্রজ্ঞা ভাঙ‌তে ভাঙ‌তে নিঃ‌শ্বেষ অাজ,যন্ত্রণার অ‌ভিশপ্ত কুড়ালে ক্ষত‌বিক্ষত। সে নারী। তার ভুল ক্ষমা‌যোগ্য নয়।পুরুষ,সমাজ অাঙ্গুল তোলার অদমনীয় ফূ‌র্তি‌তে মে‌তে উঠ‌বে জে‌নেও সে কি ক‌রে অমন কাজ কর‌তে গে‌লো!

অাজ সে অসহায় উপল‌ব্ধি ক‌রে শিক্ষার।‌শিক্ষাটা থাক‌লে মাথা উঁচু কর‌তে পার‌তো, রুবা‌বের অপমান, উ‌পেক্ষা বঞ্চনা সহ্য কর‌তে হ‌তো না এরকম নির্দয়ভা‌বে।

কাঁ‌দে প্রজ্ঞা।অ‌নেক‌দিন পর পাথ‌রের মূ‌র্তি‌র চৈত‌ন্যের স্ত‌ম্ভিত দেয়া‌লে অাঘাত হান‌লো যেন।

কত দিন তা‌কে বাবার বাসায় রে‌খে এসে‌ছি‌লো অপাঙতেয় ক‌রে। ভীষণ অবজ্ঞায়, ঘৃণায় তার প্র‌তি প্র‌তি‌শোধ নি‌তে চে‌য়ে‌ছি‌লো রুবাব।

দুই বছ‌রের ছে‌লে জয় অার বছরখা‌নেক হওয়া সুপ্তা‌কে ছে‌ড়ে থাক‌তে পা‌রে‌নি রুবাব, তাই প্রজ্ঞা‌কে ফি‌রি‌য়ে এনে‌ছে। কিন্তু এটা‌কে থাকা ব‌লে না, একরকম ঝরাপাতার মত নি‌র্জিব প‌ড়ে থাকা।

রুবাব তা‌কে বন্দীশালায় ঢু‌কি‌য়ে‌ছে যেন। কোথাও যে‌তে দেয় না,কা‌রো সা‌থে মিশ‌তে দেয় না,‌নি‌জেও ঠিকম‌তো কথা ব‌লে না।

তা‌দের ব্যাপারটা সমাধা‌নের পর রুবাব অালাদা ঘুমায়।প্রজ্ঞা অপ‌রি‌চিতার মত রুবা‌বের সংসা‌রে নি‌জে‌কে বহন ক‌রে চ‌লে‌ছে।

মাথাটা এলো‌মে‌লো হ‌য়ে যায় মা‌ঝেমা‌ঝে।যন্ত্রণায় ছটফট কর‌তে থা‌কে।

প্রাণবন্ত,উচ্ছ্বল প্রজ্ঞা ফাটা বেলু‌নের ম‌তো কেমন চুপ‌সে গে‌ছে। নিস্তব্ধ ,‌নিথর তার প্র‌তি‌টি পদ‌ক্ষেপ।

সায়ন। তার সু‌খের বিজনঘ‌রে বি‌স্ফো‌রিত দুঃস্বপ্ন।মর্মমধুর নিরুপম জলধারায় বিষাক্ত নীল ঢেউ হ‌য়ে তার জীব‌নে প্র‌বেশ ক‌রে সায়ন।

রুবা‌বের ব্যবসা‌য়িক পার্টনার সায়ন।পা‌রিবা‌রিক বন্ধু হ‌য়ে গি‌য়ে‌ছি‌লো একটা পর্যা‌য়ে।

দারুণ সুদর্শন ছি‌লো সায়ন। মুগ্ধ দৃ‌ষ্টি অার মনকাড়া মি‌ষ্টি মধুর কথায় প্রজ্ঞা‌কে মোহা‌বিষ্ট ক‌রে রাখ‌তো।

রুবাব এত ব্যস্ত থাক‌তো প্রজ্ঞা‌কে সময় ,সঙ্গ কিছুই দি‌তে পার‌তো না।‌ছে‌লে‌কে নি‌য়ে রুবা‌বের বিশাল বাড়‌ি‌তে একা ,‌নিঃসঙ্গ সময় কাট‌তো তার। নি‌জের একটা জগত,অ‌স্তিত্ব থাক‌তে পা‌রে সেটা পুরুষ রুবাব ভু‌লেই যে‌তো না‌কি ইচ্ছে ক‌রেই এড়ি‌য়ে যে‌তো প্রজ্ঞার সাব‌লীল জীবন যাপ‌নের কথা।

রুবাবের সা‌থে প্রে‌মের বি‌য়ে তার।‌কৈ‌শো‌রের ভা‌লোলাগা ,ভা‌লোবাসায় তারা বেঁ‌ধে‌ছি‌লো জড়াজড়ি সু‌খের বাসর। অালুথালু হৃদ‌য়ে ভাসা‌তে লাগ‌লো তুমুল বৈভবী শিহরণ।‌ছে‌লেমানুষী সোহা‌গে ভ‌রি‌য়ে দি‌তো দুজন দুজন‌কে। খেয়ালী,ভাব‌ুক রুবাব প্রজ্ঞা‌কে সবার সাম‌নে জ‌ড়ি‌য়ে ধ‌রে অাদর কর‌তো।প্রজ্ঞার নাক কামড়া‌নো তার প্রিয় অাদর ছি‌লো।

সেই রুবাব, সেই পাগল ছে‌লেটার গভীর প্রেম দুবছর যে‌তে না যে‌তেই পান‌সে হ‌য়ে যে‌তে লাগ‌লো। ব্যবসায় জ‌ড়ি‌য়ে টাকার পিছ‌নে দৌড়া‌তে দৌড়া‌তে প্রজ্ঞা নেশা ছু‌টে গে‌লো।‌কেমন যন্ত্র হ‌য়ে গে‌লো হঠাৎ। প্রজ্ঞাকে নিঃসঙ্গতায় ডু‌বি‌য়ে রুবাব বদ‌লে গে‌লো। বিষণ্ন প্রজ্ঞা রুবা‌বের প‌রিবর্তন মান‌তে পার‌ছি‌লো না।

ঠিক সেই সময়টা‌তে সায়‌ন এসে সাম‌নে দাঁড়া‌লো মায়াবী মুগ্ধতার হাত বা‌ড়ি‌য়ে।

অবুঝ,সরল,‌বিষা‌দের অবগাহ‌নে ড‌ু‌বে থাকা নিরানন্দ জীব‌নে সায়ন যেন যাদুর বাঁ‌শির সুর নি‌য়ে এলো ।‌লেডি কিলার সায়ন প্রজ্ঞা‌কে মো‌হিত ক‌রে ফেল‌লো ,রুবা‌বের ব্যবসাতেও স্বার্থ উদ্ধার করে উপ‌রে উঠ‌তে থাক‌লো। প্রজ্ঞা অ‌নেক প‌রে জে‌নে‌ছি‌লো তার না‌কি দ্বিতীয় স্ত্রী।

একটা বছর প্রজ্ঞা রুবা‌বের চো‌খের অাড়া‌লে সায়‌নের প্রে‌মে বি‌ভোর হ‌য়ে রই‌লো। মনটা তার ব্যাকুল মৌন বিহ‌ঙ্গের মত উড়‌ছি‌লো । নতুন ছন্দ মগ্নতায় বি‌ভোর হ‌য়ে থাক‌তো প্রজ্ঞার দৈন‌ন্দিন সুর। সায়ন‌কে ভীষণ ভা‌লো‌বে‌সে ফেল‌লো নি‌জের অজা‌ন্তেই। সায়ন তাকে অাঁক‌ড়ে ধ‌রে সাফ‌ল্যের চূড়ায় উঠ‌ে গে‌লো। বোকা মে‌য়েটা কিছুই বুঝ‌লো না।‌দিন কে‌টে গে‌লো,মাস ও শেষ হ‌য়ে বছ‌রে পা দি‌লো।

রুবা‌বের পিড়া‌পি‌ড়ি‌তে প্রজ্ঞা অাবার কন‌সিভ কর‌লো। রুবা‌বের ব্যস্ততা যেন অা‌রো বে‌ড়ে গে‌লো।

প্রজ্ঞার প্র‌তি কো‌নো যত্ন,‌ খেয়াল সে কর‌তো না।

এরপর ঘ‌টে গে‌লো ভয়ানক সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যার জন্য কেউ প্রস্তুত ছি‌লো না।

সায়ন এসে হা‌জির রুবা‌বের অনুপ‌স্হি‌তি‌তে। কেউ ছি‌লো না তার সা‌থে, একা। সায়‌নের সা‌থে প্রজ্ঞার কখ‌নো একাকী,‌ নি‌রি‌বি‌লি দেখা হয়‌নি, তারা একসা‌থে হয়‌নি অা‌গে।

সে‌দিন কি যে হ‌য়ে গে‌লো। উস্কে খু‌স্কো চু‌লে,‌ বিধ্বস্ত সায়ন প্রজ্ঞার সাম‌নে এসে দাঁড়া‌লো।

প্রজ্ঞা‌কে বি‌য়ে কর‌তে চায় সে।বাই‌রে চ‌লে যা‌বে ও‌কে নি‌য়ে।সায়‌নের কথা শু‌নে প্রজ্ঞার মাথায় অাকাশ ভে‌ঙে পড়‌লো। এসব‌তো কখ‌নো ভা‌বে‌নি। ম‌নেও অা‌সে‌নি। কা‌ছের একজন বন্ধু হি‌সে‌বে সায়ন‌কে ভা‌লো‌বে‌সে‌ছে সে।

সায়ন অাক‌স্মিকভা‌বে তা‌কে হতভম্ব ক‌রে জ‌ড়ি‌য়ে ধর‌লো, প্রজ্ঞার ভাবার ক্ষমতা লোপ পে‌লো।সায়‌নের অ‌বিরাম চুমু‌র স্রো‌তে সে হা‌রি‌য়ে গে‌লো কিছু সম‌য়ের জন্য। ঠিক তখ‌নি রুবাব এসে দাঁড়া‌লো রু‌মের পর্দা ধ‌রে।

স‌ুপ্তা ট‌লোম‌লো পা‌য়ে এ‌সে প্রজ্ঞার শাড়ী টান‌ছে। ভেজা চো‌খে ফু‌লের মত তার এই মে‌য়ে‌টির দি‌কে তাকা‌লো। দু‌টো দাঁত বের ক‌রে কি নিস্পাপ হা‌সি দি‌লো সুপ্তা। গোলাপী র‌ঙের ফু‌লো ফু‌লো মে‌য়ে‌টি কি সুন্দর যে হ‌য়েছে। প্রজ্ঞা কন্যা‌কে বু‌কে চে‌পে অাদর কর‌লো।এই তুলতু‌লে পুতুল‌টি‌কে রুবাব এড়ি‌য়ে চ‌লে।

স‌ন্দেহ মারাত্মক জি‌নিস।স‌ন্দে‌হের বীজ রুবা‌বের সারা ম‌নে হৃদ‌য়ে ছ‌ড়ি‌য়ে অা‌ছে। কতবার ব‌লে‌ছে, বু‌ঝি‌য়ে‌ছে সায়‌নের সা‌থে গভীর কো‌নো সম্পর্ক তার হয়‌নি,‌সে‌দিন রুবাব যতটুকু দে‌খে‌ছে ততটুকুই ।

প্রজ্ঞা‌কে ডি‌ভো‌র্সের জিদ যখন চরম তখ‌নি বি‌দে‌শে অবস্হানরত রুবা‌বের বাবা মা দে‌শে এলেন। সব শুন‌লেন ,শুধু বল‌লেন, জীবন ,সংসার তোমার।‌সিদ্ধান্তও তোমা‌কে নি‌তে হ‌বে।

রুবাব তখন প্রায় উন্মাদ। ব্যবসা বা‌ণিজ্য ছে‌ড়ে দি‌লো। সায়ন‌কে বের ক‌রে দি‌লো পার্টনারশিপ থে‌কে,প‌রিবার‌ থে‌কে ।প্রজ্ঞা‌কে ক‌য়েকদফা রুবাবের মু‌খোমু‌খি বস‌তে হ‌লো।জেরার পর জেরা তার শেষ হ‌চ্ছি‌লো না, তবুও তীব্র অাগু‌নে পু‌ড়ে মর‌তে লাগ‌লো। দিন কেমন ঘো‌রের ভিতর যা‌চ্ছি‌লো প্রজ্ঞার,‌ সে নি‌জেই জা‌নে না।

বাবা মা‌য়ের অনু‌রো‌ধে প্রজ্ঞা‌কে ছে‌ড়ে দি‌লোনা। সবাই‌কে নি‌য়ে অা‌মে‌রিকা চ‌লে গে‌লো রুবাব।

নিদারুণ যন্ত্রণায় সারাদিন রাত কা‌জে ডু‌বে থাক‌তো। এত ঝ‌ড়ের ম‌ধ্যেই কোল জু‌ড়ে সুপ্তা এলো।প্রজ্ঞার রক্তাক্ত জখ‌মে শা‌ন্তির মলম

হ‌য়ে ফুটফু‌টে মে‌য়েটা পরশ বুলা‌লো।

বছর খা‌নেক থে‌কে অাবার তারা দে‌শের মা‌টি‌তে ফি‌রে এলো।রুবাব নি‌জের কাজ নি‌য়ে ব্যস্ত হ‌য়ে পড়‌লো। প্রজ্ঞা নি‌জে‌কে গু‌টি‌য়ে ফে‌লে‌ছে অন্তহীন নিষা‌দে। নিথর, অা‌বেগহীন মন নি‌য়ে সে দূর থে‌কে শুধু রুবাব‌কে অনুভব ক‌রে।

কথায় কথায় সে প্রজ্ঞা‌কে জানায়, অাবার নতুন ক‌রে সংসার কর‌বে,‌ বি‌য়ে কর‌বে।প্রজ্ঞা অাজ অার চমকায় না,কাঁ‌দে না।রুবাব বি‌য়ে করলে সে কি প্র‌তিবাদ কর‌তে পার‌বে? এ কাজ কর‌তে পুরু‌ষের অাবার জানান দেয়া লা‌গে না‌কি?

দেড় দু বছর হ‌তে চল‌লো,প্রজ্ঞা‌কে কা‌ছে টা‌নে‌নি রুবাব ,অাপন হৃদ‌য়ে ঠাঁই দেয়‌নি।তার অন্তর ভে‌ঙে টুক‌রো টুক‌রো হ‌য়ে যায়। নির্বাস‌নের এই প্রত্যাখ্যান প্রজ্ঞা‌কে অবসাদগ্রস্ত,‌বিমূঢ় ক‌রে তুল‌ছে। ম‌রে যে‌তে ইচ্ছে হয়, বাচ্চাগু‌লো অন্তরায় হ‌য়ে দাঁড়ায়।বাই‌রের কেউ বুঝ‌তে পা‌রে না তা‌দের এই জমাট কান্নার বেদনা,‌ ভিত‌রে ভিত‌রে তারা গভীর রা‌তের নিঃশব্দ শূন্যতা যেন।

ছে‌লে‌ মে‌য়ে দু‌টি‌কে ঘুম পা‌ড়ি‌য়ে ,ড্রইংরু‌মে এসে ঢুক‌লো। চা‌রি‌দি‌কে রা‌ত্রির দুঃসহ নিরবতা।

‌ বিপর্যস্ত রুবাব মাথা ন‌ীচু ক‌রে চুল টান‌ছে দুহা‌তে।

অধূমপায়ী রুবাব অাজ পু‌রোদস্তুর চেইন‌স্মোকার।

অাবছা অা‌লো‌তে প্রজ্ঞা ওর ভিত‌রের জ্বলন,ব্যথা বুঝ‌তে পার‌ছি‌লো।অাল‌তো পা‌য়ে রুবা‌বের পা‌শে গি‌য়ে দাঁড়া‌লো, কাঁ‌ধে হাত রাখ‌তেই চম‌কে প্রজ্ঞার দি‌কে তাকা‌লো।‌চোখ দু‌টো লাল ,‌কেমন মায়াময় লাগ‌ছে মুখখানা।

ক‌ঠিন ক‌ন্ঠে বল‌লো,

:‌কি চাও?

প্রজ্ঞা রুবা‌বের পা‌য়ের কা‌ছে বস‌লো, রুবা‌বের হাঁটু‌তে মুখ গু‌জে কেঁ‌দে ফেল‌লো,

:এমন কর‌লে কেউই শা‌ন্তি পা‌বো না।তু‌মি কষ্ট পা‌চ্ছো অ‌নেক। হয় বি‌য়ে ক‌রো,নয়…….

কান্নার দম‌কে কথা অাট‌কে গে‌লো প্রজ্ঞার।রুবাব তা‌কে উঠি‌য়ে পা‌শে বসা‌লো।অ‌নেকক্ষণ নীরব থে‌কে মুখ তু‌লে ব‌লে উঠ‌লো,

:কা‌রো কিছুই করার নেই।নতুন ক‌রে কিছু শুরু কর‌তে পার‌বো না। ত‌বে তু‌মি স্বাধীন, যা ইচ্ছে কর‌তে পা‌রো,বাঁধা দে‌বো না অার।

প্রজ্ঞা চুপ ক‌রে ছি‌লো, শান্ত নরম গলায় বল‌লো,

:স্বাধীনতা চাই না,অা‌মি তোমা‌কে চাই।

রুবা‌বের সব এলো‌মে‌লো হ‌য়ে যা‌চ্ছি‌লো।প্রজ্ঞার কো‌লে মাথা রে‌খে পাগ‌লের ম‌তো অাচরণ করতে লাগ‌লো।রুবাবের কপাল থে‌কে চুল স‌রি‌য়ে ঠোঁট ছোঁয়া‌লো সে।

রা‌তের অবয়ব যেমন দি‌নের অা‌লোয় হা‌রি‌য়ে যায় ,‌তেম‌নি রুবা‌বের এই প্রেমঘন মোলা‌য়েম সৌরভ পর‌দিন মি‌লি‌য়ে গে‌লো। প্রজ্ঞার ভাঁজ‌খোলা স্বপ্ন র‌য়ে গে‌লো বুভুক্ষ। কিছু‌তেই সাবলীল হ‌তে পার‌ছে না রুবাব, অাপন ক‌রে প্রজ্ঞা‌কে গ্রহণ কর‌তে পার‌ছে না।

কি কর‌বে প্রজ্ঞা এখন? কি কর‌বে? সিদ্ধান্ত কি সে নি‌বে? জা‌নে না সে,‌ যেমন রুবাব জা‌নে না।

 

সু‌মি সৈয়দা

Author: সু‌মি সৈয়দা

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts