বৈশাখী সাজ

বশৈাখ ডাকছ,ে আবহাওয়ার মতগিতি বােঝা দায়। এরই মধ্যে চলছে উৎসবরে পরকিল্পনা আর প্রস্তুত।ি পরকিল্পনার একটি বড় অংশজুড়ে থাকছে বশৈাখরে সাজগােজও। নানান নকশার পোশাকে সব বয়সীদরে জন্যই বচৈত্র্যিময় আয়োজন থাকা চাই, এটা সব বাঙালইি মনে প্রাণে প্রত্যাশা করে থাক।ে

বাঙালরি প্রাণরে উৎসব বশৈাখ দ্বারপ্রান্ত।ে বাঙালরি হাজার বছররে লালতি ঐতহ্যিবাহী বশৈাখরে আগমনকে ঘরিে সারা দশেইে চলছে উৎসবরে আমজে। বশৈাখী সাজগোজ নয়িওে চলছে শষেমূর্হূতরে ভাবনা। বাংলা বছরকে বরণ করার জন্য উৎসব, তাই সাজসজ্জায়ও থাকতে হবে বাঙালয়িানা। আর তা যনে আপনার সাথে মানানসই হয় সে দকিে অবশ্যই খয়োল রাখতে হবে এবং খয়োল রাখতে হবে নজিরে আরামরে বষিয়টওি। তাই এই গরমে হালকা সুতি কাপড় বছেে নয়োই উত্তম হব।ে বশৈাখকে সাজয়িে তুলুন আপন সাজ।ে আগরে রাতইে সব সাজগোজরে সামগ্রী হাতরে কাছে গুছয়িে রাখুন। তাহলে সকালে তরৈি হওয়ার সময় ঝামলোয় পড়তে হবে না । খুব সহজইে চটজলদি নজিকেে সাজয়িে নতিে পারবনে। যহেতেু বাইরে তীব্র গরম তাই নজিরে শরীররে প্রতওি খয়োল রখেইে পরজিনসহ বড়োত,ে প্রাণরে উৎসব পহলো বশৈাখরে সকল আয়োজনরে আনন্দ উপভোগ করতে হব।ে

অবশ্যই সবকছিু ববিচেনা করইে এ দনিরে সাজটা হওয়া চাই । একবোরইে হালকা পাতলা এবং ত্বকরে সঙ্গে মলিয়িে সাজুন। হালকা কন্তি চোখে লাগার মতো, মোটামুটি যনে সব রঙরে পোশাকরে সাথইে মানয়িে যায় আপনাক।ে বাঙালয়িানা সাজে সাজাবনে। ময়েদেরে চুলে হতে পারে খোপা, তার উপরে ফুলরে সমাহার ।
সাধারণত বশৈাখরে সকাল বলোয় প্রখর রোদ থাক।ে সারাদনি সবার সঙ্গে আনন্দে মতেে থাকা আর ঘোরাঘুরি করতে হয় । তাই যমেনই সাজ হোক না কনে তা যনে হয় আরামদায়ক। যাদরে চুল বড় এবং বঁেধে রাখতে পছন্দ করনে, তারা খোপা করে নতিে পারনে। শাড়ি বা সালওয়ার কামজি যাই পরুন না কনে, চুলে খোঁপা বা বণেী দুটোই ভালো মানায়। খােপায় পরার জন্য তাজা যকোেনাে ফুলই সুন্দর লাগব।ে তবে গাদার মালা বশেি ভালো লাগ।ে শাড়রি সঙ্গে মলিয়িে একই রঙরে বা বপিরীত রঙরে যকেোনো ফুলই খােপায় সাজয়িে নতিে পারনে । যকেোনো ফুল ব্যবহার করতে পারনে পোশাকরে রঙরে সঙ্গে মলিয়ি।ে তবে সাদা রঙরে ফুল যকেোনো পোশাকরে সাথে মানায় তাই ফুল দয়িওে নজিকেে সাজাতে পারনে।

উৎসবরে দনি চুলে করে নতিে পারনে হাত খােপা, বনেি খােপা, উঁচু খােপা। শাড়রি সঙ্গে গহনা না হলে কি চল?ে সক্ষেত্রেে মাটরি গহনা বছেে নয়ো ভালো। মাটরি মালা হতে হবে লম্বা। আবার কাঠ, রূপা, মুক্তা বা তামার মালা পরতে পারনে। ভারি গহনা অপছন্দ হলে ফুলরে মালা বছেে ননি। বাঙালি নারীর হাত র্ভতি চুড়ি তো থাকতইে হব!ে গয়না না পরলওে দুহাত র্ভতি চুড়ি সাজ র্পূণ করে দয়ে। শাড়রি পাড়রে সঙ্গে মলিয়িে রশেমি চুড়ি পরতে পারনে।

মাটরি বা কাঠরে চুড়ওি কন্তিু বশে মানয়িে যায়। পোশাকরে রঙরে প্রাধান্য যটোই থাকুক না কনে, হাতে থাকা চাই রশেমি চুড়।ি টপিটা কনে বাকি থাকব!ে যহেতেু বশৈাখ তাই যত ফ্যাশনই থাকুক না কনে, বশৈাখে বাঙালরিা নজিদেরে সৌর্ন্দয প্রকাশ করে ঘরোয়া সাজ।ে গরমরে জন্য টুকটাক প্রয়োজনীয় জনিসি সাথে রাখতে ভুলবনে না। বছরে এই পহলো বশৈাখ একবারই আস।ে এজন্য র্পূণ প্রস্তুতি নয়িে সাজগোজ করা দরকার। আর নজিকেে আনন্দময় করে ফুটয়িে তুলতে হবে সবার মাঝ।ে আর একটি কথা না বললইে নয়, এখন আর কউে বশৈাখে শুধুই লাল সাদা পড়ে না। যার যার পছন্দ মতো যে কোন রঙ এর কাপড় পড়তে পারনে। যহেতেু ময়েরো বশেি সাজ,ে তাই পুরো লখো জুড়ইে রয়ছেে ময়েদেরে সাজগোজ।
ছলেদেরে কাপড় সুতি পাঞ্জাবী হালকা কালার ও ফতুয়া হতে পার,ে যার যটো ভালো লাগ।ে পরে পরজিনসহ, ছোট্ট সোনামনদিরেকে সঙ্গে নয়িে বশৈাখী আনন্দ উৎসবে শরকি হতে পারনে।
সকলকে জানাই বাঙলা নতুন বছররে আন্তরকি শুছচ্ছো আর শুভ কামনা, ধন্যবাদ

Author: সালমা মুন্নী

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts