বৈশাখ আমাদের খরতাপে ঝড়

বৈশাখ আমাদের খরতাপে ঝড় ড. শাহনাজ পারভীন

‘বৈশাখ’ হলো বঙ্গাব্দ বা বাংলা সনের প্রথম মাস । এটি নেপালি পি কা ক্রিম সম্বৎ ও পাঞ্জাবি নানকশাহি পঞ্জিকার প্রথম মাস। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির এপ্রিল মাসের শেষার্ধ ও মে মাসের প্রথমার্ধ নিয়ে বৈশাখ মাস। বৈদিক পঞ্জিকায় এই মাসকে মাধব মাস এবং বৈষ্ণব পঞ্জিকায় একে মধুসূদন মাস বলে।

অধিকাংশ বাংলা মাসের নামকরণ হয়েছে নক্ষত্রের নামে। বৈশাখ শব্দটি এসেছে বিশাখা নামক নক্ষত্রের নামে। এই মাসে বিশাখা নক্ষত্রটিকে সূর্যের কাছে দেখা যায়। বৈশাখ মাসের প্রথম দিনটি বাংলা নববর্ষ। এই দিনটি বাংলাদেশে ‘পহেলা বৈশাখ’ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে ‘পয়লা বৈশাখ’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ও ভারতের একাধিক রাজ্যে এই দিনটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে পালিত হয়। ব্যবসায়ীরা এই দিনে নতুন হালখাতা শুরু করেন। নতুন হালখাতা শুরু উপলক্ষে খরিদ্দারদের মিষ্টিমুখসহ বাংলা ক্যালেণ্ডার বিতরণ করেন। কলকাতার কালীঘাট মন্দির ও দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে এই দিনটিতে প্রচুর পুণ্যার্থী পূজা দেন এবং ব্যবসায়ীরা লক্ষী ও গণেশ পূজা করেন।

আবহাওয়া ও প্রথাগত দিক থেকে বৈশাখ মাসকে গ্রীষ্ম ঋতুর শুরুর মাস ধরা হয়। বৈশাখ আসতে না আসতেই বিরূপ প্রকৃতি এসে হানা দেয় বাংলার আঙিনায়। রোদের তীব্র তেজে ঝলসে ওঠে মাঠ, ঘাট, প্রান্তর, ছাদ, আঙিনা ও  ফুলের বাগান। নদীনালা শুকিয়ে পানির তীব্র সংকট শুরু হয়। মাটি ফেটে চৌচির। রুদ্রের বাঁশি বাজিয়ে বিশুষ্ক মাটিকে ভিজিয়ে আকাঙিক্ষত বৃষ্টি, প্রলয়ংকারী ঝড়কে সাথে নিয়ে আসে কাল বৈশাখী ঝড়। গাছ উপড়ায়, ঘরের চালা ওড়ে, বিধ্বস্ত লোকালয়ে ধ্বংসের বিজয় কেতন ওড়ে। শুষ্ক প্রকৃতি শীতল হয়। রুক্ষ শুষ্ক প্রকৃতিতে নতুন আমেজে ঝিরঝির হাওয়া বয়। উড়ন্ত ধুলোবালি সাফ হয়, ¯স্নিগ্ধ হয়। মানুষের মননে এক রকম নিবিড়তা বাসা বাঁধে। বৃষ্টিতে মদিরতা আনে গহনে। ঝড় পুরনো উড়িয়ে নিয়ে নতুনের আলোকে হেসে ওঠে চারদিক। নতুন কিশলয়ে ভরে যায় প্রকৃতি। হালকা সবুজ, গাঢ় সবুজ, সবুজে সবুজে হেসে ওঠে এ বাংলার প্রাকৃতিক পরিবেশ। কবি গেয়ে ওঠে নতুনের গান,

‘বৈশাখ আমাদের খরতাপে ঝড়

বৈশাখে মদিরতা কাঁপি থরথর।

আহা! বৈশাখ- বৈশাখ- বৈশাখ-’

প্রতিটি বাংলা নববর্ষ প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে সূচিত হয় আমাদের জাতীয় জীবনের পালাবদল। কবির কন্ঠে বাজে আত্মপ্রত্যয়ের সুর ।“তোরা সব জয়ধ্বনি কর, ঐ নতুনের কেতন ওড়ে- কাল বৈশাখীর ঝড়”।

রুদ্রের কাছে কাঠিণ্যের দীক্ষা নিয়েই শুরু হয় বর্ষবরণ। সত্য যে কঠিন, তাই কঠিনেরে ভালোবাসিলাম। এই কঠিনকে ঘিরেই চলে আমাদের জীবন সাধনা। নিষ্ঠুর প্রকৃতির বৈরিতাকে উপেক্ষা করে ফুল ফল ফসলের ডালি সাজিয়ে সুন্দর পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার।

এই বৈশাখের প্রতীক ‘বাংলা সন’ কিন্তু জন্মলগ্ন থেকেই তারুণ্যের প্রতীক। কারণ বাংলা সনের শৈশব হাঁটি-হাঁটি পা-পা করে উত্তীর্ণ হয় নি। জন্মের সময়েই তার বয়স হয় ৯৬৩ বছর। বাংলা সনের প্রবর্তক মোগল সম্রাট ‘আকবর দি গ্রেট’ বাংলাদেশী বা বাংলা ভাষাভাষী  ছিলেন না। তিনি দিল্লীর রাজসিংহাসনে অধিষ্ঠিত থেকেই এ দেশে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। তাঁরই নির্দেশে রাজ জ্যোতিষী আমীর ফতেহ উল্লাহ শিরাজী ৯৯৮ হিজরী মোতাবেক ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে ‘বাংলা সন’ এর উদ্ভাবন করেন। সম্রাট আকবরের নবরত্ন শাখার সদস্য না হলেও মর্যাদার দিক থেকে তিনি “দৈবে দশম রত্ন” সাদৃশ্য হয়ে উঠেছিলেন। বিশেষ করে ফৈজী, আবুল ফজল ও বীরবলের পরের স্থান ছিল তাঁর। আবুল ফজল তার বিখ্যাত আকবর নামা গ্রন্থে তাঁর অসাধারণ বিদ্যাবত্তা, সাহস ও কর্মকুশলতার প্রশংসা করেছেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি লিখেছেন: ‘যদি দেশের সমস্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশনাদি বিলুপ্তও হয়, আমীর তা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম’। প্রতাপশালী বাদশাহ আকবর ৯৬৩ হিজরীতে অর্থাৎ (১৫৫৬ খ্রীষ্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারিতে) দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ করেন। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে চিরস্মরণীয় ঘটনার জন্মদান নিমিত্তে  ৯৬৩ হি. অবলম্বন করেই বাংলা সন চালু করা হয়। এই দিনটি আরও একটি কারণে বিখ্যাত। ঐদিন সম্রাট আকবর দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করেন। সেই আনন্দে তিনি সামনের চৈত্র মাস পর্যন্ত কৃষকদের সমস্ত বকেয়া মাফ করে দেন। এরপর বৈশাখ মাসের প্রথম দিন থেকে বছরভিত্তিক করের হিসাব চালু করেন। সেই দিন থেকে বৈশাখ মাসের প্রথম দিন বাংলা নববর্ষ হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। তখন পহেলা বৈশাখের দিনে ভূমি মালিকগণ কৃষকদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করতেন। ব্যবসায়ীরা হালখাতা করে পুরনো বছরের দেনা পাওনার হিসাব চুকিয়ে নতুন বছরের নতুন হিসাব চালু করতেন। তখনও মেলা ও বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ঐদিনটি শেষ হতো।

মুসলমানদের আগমনের পূর্বে ভারতে নববর্ষ উদযাপনের কোন তথ্য ভিত্তিক ইতিহাস পাওয়া যায় না। এক হাজার বছর পূর্বে রচিত চর্যাপদ এ বৌদ্ধ কবিদের বিভিন্ন দোঁহাতে যাপিত জীবনের নানা অনুষঙ্গ পূজা- অর্চনা, বাদ্য-বাজনা, নাচ-গান, বিবাহ-বিচ্ছেদ, খেলা-ধুলা, মাছধরা, শিকার প্রভৃতির উল্লেখ থাকলেও নববর্ষের আমোদ-প্রমোদের কোন বর্ণনা সেখানে দেখা যায় না। প্রায় সাড়ে বারোশত বছর (১ থেকে ১২৫০ ব.) পর্যন্ত ইতিহাস বা  কোন রেকর্ডপত্রেও এর প্রমাণ পাওয়া যায় না। এ থেকেই প্রতীয়মান হয় মুসলমানদের আগমনের পূর্বে ভারতবর্ষে নববর্ষ উদযাপনের কোন প্রথা ছিল না। সম্রাট আকবর কর্তৃক নতুন সন প্রবর্তনের পর থেকেই নওরোজের অনুসরণে ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বাংলাদেশে স্বতন্ত্র উদযাপন শুরু হয়।

তখন অগ্রহায়ণ মাস দিয়েই বছর গণনা শুরু হয়েছিলো। অগ্রহায়ণ মানে হলো বছরের প্রথম মাস। মধ্যযুগে ভারতচন্দ্র লিখেছেন: “অগ্রহায়ণ এদেশে বড় সুখের সময়”। অগ্রহায়ণ এখন বছরের প্রথম মাস নেই। যেহেতু অগ্রহায়ণ মাস হেমন্ত ঋতুর দ্বিতীয় মাস। এক এক জোড়া মাস নিয়ে এক এক ঋতু। সেই হিসেবে অগ্রহায়ণ বছরের প্রথম মাস হলে জোড়া ভেঙ্গে যায় কিংবা হেমন্তের অর্ধেক অংশ বোঝায়। এছাড়াও হৈমন্তিক ফসল তুলতে কৃষকের সারামাস লেগে যায়, খাজনা দেবার অবসর হয়ে ওঠেনা। তাই খাজনা আদায়কারীদের সুবিধার্থে গ্রীষ্ম ঋতুর প্রথম মাস বৈশাখকেই বছরের প্রথম মাস হিসাবে গণনা করা হয়।

 

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ পহেলা বৈশাখকে ‘জাতীয় উৎসব’ হিসেবে উদযাপন করার কথা ভেবেছিলেন। একটি ছোট্ট প্রবন্ধে তিনি লিখেছিলেন, ‘পৃথিবীর সকল জাতিরই জাতীয় উৎসব আছে। আমাদের নাই’। খুশির বিষয় পহেলা  বৈশাখ আজ আমাদের জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। তবে মেলার উৎপত্তি সম্পর্কে পণ্ডিতরা মনে করেন- শাস্ত্রীয় ও লৌকিক ধর্মীয় কৃত্যানুষ্ঠান ও উৎসবের সূত্র ধরে মেলার উৎপত্তি হয়েছে। সরকারী ছুটির দিন হিসেবে নারী পুরুষ যুবক বৃদ্ধ শিশু সবাই যার যার মত করে উদযাপন করে এ দিনটিকে। এদিনটি মেগা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রূপায়িত হয়ে দিনে দিনে সামাজিক দিকটিকে ছাড়িয়ে সাংস্কৃতিক দিকটিই আমাদের মর্মমূলে নাড়া দেয় গভীরভাবে।

১৯৬৭ সালে প্রথম ‘ছায়ানট’ রমনার বটমূলে নিজস্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর্ষবরণের আয়োজন করে। সে ধারাবাহিকতা আজও বহমান। রাজধানী ঢাকাসহ এ দেশের প্রতিটি জেলার আনাচে কানাচে  বৈশাখকে ঘিরে শুরু হয়েছে এক স্বতঃস্ফূর্ত উন্মাদনা। দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী নামে খ্যাত যশোর নানা আয়োজনে বৈশাখী উৎসবে মেতে ওঠে। যশোর জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট যশোর লেডিজ ক্লাবসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নানামুখী আয়োজনে যশোরে মুখোশ মিছিল, প্রভাতি সংগীত, কবিতা, গান, নাটক, পান্তাভাত আয়োজন বৈশাখের অনন্য বৈশিষ্ট্য। বৈশাখকে কেন্দ্র করে  নিত্য নতুন প্রতিষ্ঠানের হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন চোখে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে জমে ওঠে বৈশাখী মেলা। সেখানে সকল শ্রেণীর উপস্থিতিতে এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধনের প্রাচুর্য বাড়তি পাওনা।

কিন্তু আমাদের শৈশব সময়ে অনুষ্ঠিত চৈত্রসংক্রান্তি কিংবা বৈশাখী মেলায় উপস্থিত হওয়া সহজ ছিল না। বড়দের চোখ ফাঁকি দিয়ে ছোটরা সেখানে উপস্থিত হলেও মায়েদের-মেয়েদের বেলায় ছিল কঠিন বারণ। তারা বড়জোর বাড়িতে বসে মেলা থেকে আনা পাপড়, মন্ডা মিঠাই, জিলিপি খেতে পারতেন এবং মেলা থেকে কেনা  চুড়ি, ফিতা, ধামা, কুলা, ডালাসহ বিভিন্ন তৈজসপত্র সারাবছর ব্যবহার করতে পারতেন কিন্তু স্বয়ং মেলায় যাওয়া ছিল তাদের কল্পনারও বাইরে। আমরা অবশ্য আব্বার সাথে মেলায় যেতাম নিয়মিত। কিনতাম কাচের চুড়ি, চিনির হাতি, মাটির হাড়ি। মায়ের জন্য আনতাম হরেক রকম জিনিসের সাথে বেত বাঁশের তৈরি ধামা, কুলা। আম্মা কিযে খুশি হতেন! সেইসব দিনের কথা এখন স্মৃতি। আব্বা আম্মা দুজনেই গত হয়েছেন। সেই ঋষিবটতলা, সেই নদীর পাড়, সেই কোমড়পুরের মাঠ পেরিয়ে ঘুড়ি ওড়ানো দেখতে দেখতে পিলপিল পিঁপড়ার সারির মত মাঠের নতুন আইল ধরে বাড়ি ফেরা চোখের সাথে লেপ্টে আছে অহর্নিশি। কিন্তু মেলার আনন্দ নতুন করে আমাদের সন্তানদেরকে অন্যভাবে রাঙিয়ে দিচ্ছে। নতুন কাপড়, শাড়ি, পাঞ্জাবীসহ নিত্য নতুন কেনাকাটা, সারাদিন বন্ধু বান্ধব মিলে বাইরে ঘোরাঘুরি এখন বৈশাখকে ঘিরে এক নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

তাই আজ এত আনন্দ, এত মেলা দেখে আফসোস হয়  সেই মা-বোনদের জন্য, যারা বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে অত্যন্ত আগ্রহ ভরে অলস সময়ে মেলায় আসা-যাওয়ার লোক গুনতেন আর নিজেরা  মেলা না দেখতে, মেলায় যেতে না পারার জন্য কষ্ট পেতেন।

 ১৮১৮ খ্রি. প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র প্রকাশের পর থেকে শিক্ষিত ও সচেতন বাঙালিদের মধ্যে বাংলা নববর্ষ  ও বৈশাখ সম্পর্কে সচেতনতা প্রকাশ পায়। বর্তমান সময়ে বৈশাখকে কেন্দ্র করে দৈনিক পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা প্রকাশসহ নানান লিটলম্যাগ ‘বৈশাখ সংখ্যা’ প্রকাশের মাধ্যমে বর্ষকে বরণ করা আমাদের অনিবার্য এক পরিবেশনা। দিনে দিনে মোবাইল, এসএমএস, ই- মেইল, ফেসবুক পর্যন্ত বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক হয়েছে বৈশাখ। ঈদ উল ফিতর, ঈদুল আযহা, শবে বরাত, দূর্গাপূজা, লক্ষী পূজা, স্বরসতী পূজা, বড়দিন, মাঘি পূর্ণিমা বাঙালির জীবনে বয়ে নিয়ে আসে অসীম আনন্দ। কিন্তু এ আনন্দের উপলক্ষ্য সমূহ অনেকটাই বিশেষ জাতি ভিত্তিক। শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসগুলি জাতীয় দিবস হলেও আমাদের আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি শহীদদের স্মৃতির রক্তনদী আমাদের চোখের ঝরনায় ঢেউ তোলে। কিন্তু বাংলা নববর্ষের আনন্দ উৎসব একমাত্র বেদনাহীন অপার আনন্দের সৈকতে আমাদেরকে বিচরণ করায় একই সাথে একই গোত্রে একই জাতি সত্তার প্রতীক হিসেবে। সাম্প্রদায়িকতায় পাহাড় ভেঙ্গে সংকীর্ণতার শিকল ছিঁড়ে বাঙালি এইদিন নির্মাণ করে অসাম্প্রদায়িকতার সম্প্রীতি আর ভালোবাসার এক সুউচ্চ সুদৃঢ় সৌধ। সে সৌধের চূড়ায় জলজল করে জাতীয় উৎসবের সীল। এই একটি দিন সমস্ত বাঙালির উৎসবের দিন, আনন্দের দিন, হেসে ওঠার দিন, মিলবার দিন, মিলনের দিন। জয়তু বৈশাখ। জয়তু বাংলা নববর্ষ।

ড. শাহনাজ পারভীন
ড. শাহনাজ পারভীন

 

Author: ড. শাহনাজ পারভীন

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts

মতামত দিন Leave a comment