রান্নাঘরের দরজা দিয়ে বেরুনোই নিরাপদ

মটকু ভাইয়ের স্ত্রী : ট্রেন তো রাত দশটায়। বিকেল পাঁচটায় আমাদের সবাইকে ষ্টেশনে আনার মানে কী?

মটকু ভাই : ষ্টেশনে আগে না এলে কী কী জিনিস বাড়িতে ফেলে এসেছি, তা তো মনে পড়বে না, তাই।

 

ড্রইংরুমে বসে আছে দুই বন্ধু। ভেতর থেকে কান্নার শব্দ আসছে।

মটকু ভাই: তোমার স্ত্রী কাঁদছে মনে হচ্ছে।

বন্ধু : হ্যাঁ।

মটকু ভাই: কী হয়েছে?

বন্ধু : জানতে চাই নি।

মটকু ভাই : সেকি। কেন?

বন্ধু : যতবার কাঁদছো কেন জানতে চেয়েছি ততবারই আমার পকেট খালি হয়েছে।

 

 

ভাবি : আচ্ছা, মটকু ভাই আপনাদের স্বামী-স্ত্রীর কি জীবনে কোনোদিন মতের মিল হবে না?

মটকু ভাই : একবার হয়েছিল। যে-বার আমাদের বাড়িতে আগুন লাগে, সে বারে দু’জনেই ভেবে দেখলাম, রান্নাঘরের দরজা দিয়ে বেরুনোই নিরাপদ।

 

 

ট্রেন ফেল করে স্টেশনে বসে আছে মটকু ভাই আর তার স্ত্রী।

মটকু ভাই : আসার সময় তুমি যদি সাজগোজে এত দেরি না করতে, তা হলে এ ট্রেনটা মিস করতে হত না।

মটকু ভাইয়ের স্ত্রী : তুমিও যদি এ ট্রেনটা ধরবার জন্য এত তাড়াহুড়া না করে আসতে, তা হলে পরের ট্রেনের জন্য এতক্ষণ বসে থাকতে হত না।

 

 

মটকু ভাইয়ের পাশের বাসার এক ভাবি তার স্বামীর মৃত্যুর কয়দিন পরেই তার দেবরকে বিয়ে করে ফেললেন। তার বান্ধবীদের অনেকেই ব্যাপারটায় মন:ক্ষুন্ন হল। একদিন মহিলার বাড়িতে  এসে তার বান্ধবীরা লক্ষ্য করলেন, শোবার ঘরের দেওয়ালে এখনো তার মৃত স্বামীর বিশাল একটা ছবি টানানো রয়েছে। সবাই খুব খুশি হল ছবি দেখে। এদের মধ্যে মটকু ভাইয়ের বউটি ছিল নতুন। সে মহিলার স্বামীকে চিনত না। ছবি দেখে তাই জানতে চাইল, ছবিটা কার ভাবি?

মহিলা বললেন, আমার ভাশুরের। কয়েকদিন আগে মারা গেছেন।

 

Author: রক্তবীজ ডেস্ক

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts