শবেরবাতের রান্না

roktobij

আজ  শবেবরাত, পবিত্র রজনী

এই দিনে ঘরে ঘরে মা বোনেরা বিভিন্ন রকম হালুয়া মিস্টি  তৈরী করে থাকেন।
যেমন, গাজরের হালুয়া বা লাড্ডু, ছোলার ডালের বরফি,নারকেলের বরফি এমন আরও অনেক কিছু। এ রকম হালুয়ার রেসিপি সবার জন্য রইলো

গাজরের লাড্ডু বা হালুয়া

 

উপকরণ

গাজর ৫০০ গ্রাম
নারকেল বাটা ১ কাপ
ঘি ১ কাপ
গুঁড়া দুধ হাফ কাপ
এলাচ গুঁড়া চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ
দারুচিনি গুঁড়া  চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ
কিসমিস ১০/১২ টা
আমন্ড বাদাম কুচি ১ টে: চামচ
চিনি ৩ কাপ।

প্রণালী

গাজরের খোসা ফেলে মিহি কুচি করে নিতে হবে।
চুলায় কড়াই দিয়ে তাতে ঘি দিতে হবে তার ভিতর নারকেল বাটা দিয়ে ভাজতে হবে।
কিছুক্ষণ ভাজা হলে তাতে কুচানো গাজর দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে
চিনি, এলাচ, দুধ, দারুচিনি দিয়ে নাড়তে হবে।
নাড়তে নাড়তে কড়াই থেকে হালুয়ার গা ছেড়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে বাদাম ও কিসমিস দিয়ে লাড্ডু আকারে গড়ে বা এমনি বাটিতে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে মজাদার গাজরের হালুয়া।


ছোলার ডালের বরফি


  উপকরণ

ছোলার ডাল ১ কেজি
দুধ ১২ কাপ
চিনি দেড় কেজি
দারচিনি ২ সে মি ৫/৬ টুকরা
গোলাপজল ২ টেবিল চামচ
ঘি ২ কাপ

প্রণালী

ছোলার ডাল ধুয়ে দুধে সিদ্ধ দিতে হবে। ডাল সিদ্ধ হয়ে নরম হলে নামিয়ে নিতে হবে। পুরানো ডাল হলে আরও পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। ডাল শিলপাটায় বাটতে হবে।
আধা চিনিতে আন্দাজ মতো পানি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। চিনি গলে গেলেই নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। গরম সিরায় ঘি মিশাতে হবে। ডাল দিয়ে ঘুটে মসৃণ করে মিশাতে হবে। এবার চুলায় বসাতে হবে। দারচিনি দিয়ে মাঝে মাঝে নাড়তে হবে। ফুটে উঠলে ঘন ঘন নেড়ে হালুয়া কষাতে হবে।
হালুয়া পাক বাঁধলে গোলাপজল দিয়ে আবার একটু কষাতে হবে। এবার বাকি  চিনি দিয়ে দিতে হবে। হালুয়া যখন হাঁড়ির তলা  ছেড়ে আসবে তখন নামিয়ে ফেলতে হবে। এবার বড় একটি ছড়ানো এ্যালিউমিনিয়াম এর বরতন বা কাটিং বোড এ  ঢেলে ২ সে মি পুরু করে বেলনি দিয়ে বেলে নিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে চারকোণা বা বরফির আকারে কাটতে হবে। ৮-১০ ঘণ্টা বাতাসে খোলা রাখলে বরফি জমবে। হালুয়া কষাবার সময় কিছুটা  গুঁড়া দুধ দেয়া যায়।
ঠান্ডা হলে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে মজাদার বুটের ডালের হালুয়া।

পল্লভি খান
পল্লভি খান

Author: পল্লভি খান​

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts