সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই দিনে ঢাকা শহরের অনেক প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল পাকিস্তানিরা।রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্মিত হয়েছে স্মৃতিসৌধ।

স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হবার পর  থেকে শুরু করে বিজয় অর্জন পর্যন্ত পুরোটা সময় জুড়ে দেশব্যাপী অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে নিধন করা হয়েছে । এমনকি স্বাধীনতা অর্জনের প্রাক্কালেও অনেক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করো হয়েছে। অত্যন্ত নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডগুলো । দেশের শ্রেষ্ঠ মেধাগুলোকে শেষ করে দেয়া হয়েছে পরিকল্পিতভাবে দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য।

১৪ ডিসেম্বর কেন শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস এ প্রশ্ন বার বার আমার মনে উদিত হয়েছে। আজও হয়। এটা এক অমিমাংসিত প্রশ্ন আমার কাছে । ১৪ ডিসেম্বর শহিদ হয়েছেন কয়েকজন বুদ্ধিজীবী। কিন্তু সারাটা যুদ্ধকালে হত্যা করা হযেছে মুক্তির সপক্ষে দাঁড়ানো অসংখ্য বুদ্ধিবীজীকে। তাহলে তাদের জন্য কোন দিবস!

শুধু তাই-ই নয়, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মাত্র কযেকজন বুদ্ধিজীবীর কথাই আলোচিত হয় বার বার। টেলিভিশনে, টকশোতে পত্র-পত্রিকায় তাদের স্ত্রী সন্তান আত্মজনরাই আসেন। দেশব্যাপী আত্মাহুতি দানকারী অসংখ্য বুদ্ধিজীবী পড়ে থাকেন আলোচনার বাইরে, অন্তকারে, অবহেনিত । তাদের নিকজটজনেরা গুমরে গুমরে কাঁদে।

রক্তবীজ ওযেব পোর্টালের আজকের পাতা সাজানো হয়েছে কয়েকজন শহিদ বুদ্ধিজীবীর আলোচনা দিযে। এ তালিকায় এসেছে ১৪ ডিসেম্বরে শহিদ বুদ্ধিজীবী কযেকজনসহ যুদ্ধকালে  দেশের অন্যান্য স্থানে পাকিস্তানিদের হাতে নিধন হওয়া আরো কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর কথা।

এ লেখাগুলোর বেশ কয়েকটা সংগ্রহ করা হয়েছে বিভিন্ন সূত্র থেকে। কিছু  নেয়া হয়েছে জনাব ‘শিহাব শাহিনের’ লেখা থেকে। তাদের প্রতি রক্তবীজ পরিবারের অশেষ কৃতজ্ঞতা।

সকল শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।

Author: আফরোজা পারভীন

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts

মতামত দিন Leave a comment