রবি ঠাকুরের বিয়ের চিঠি ( আমন্ত্রণপত্র)

চিঠি শব্দটা শোনামাত্র আজও চনমনিয়ে ওঠে মন। একটা চরকোনা অথবা লম্বা খাম, তার ওপরে হাতে লেখা কয়েকটা লাইন, পোস্টাফিসের ছাপ কত না প্রিয় ছিল একসময়। এখনও আছে আমাদের মতো পুরোনো দিনের মানুষের কাছে। লাল রংয়ের ডাকঘর , পোস্টমাস্টার, তার সাইকেলের টুংটাং কতই না প্রত্যাশিত ছিল তখন। এখন সে দিন হয়েছে বাসি। চিঠির জায়গা নিয়েছে ইনবক্স, চির​কুট এখন এসএমএস। ভাইভার ইনষ্টাগ্রাম টুইটার আরো কতো কি! হারিয়ে গেছে আবেগ। যখন আবেগ ছিল সেই সময়ের চিঠি রবি ঠাকুরের বিয়ের চিঠি ( আমন্ত্রণপত্র) প্রিয় বাজু.. আগামী রবিবার ২৪ অগ্রহায়ণ তারিখে শুভদিনে শুভলগ্নে আমার পরমাত্মীয়…

Read More

চার্চিল-এলভিস-ক্যাথেরিনের​ খাবার বিলাস

১৯৫৪ সালের কথা । বিমানে ভ্রমণ করছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টোন চার্চিল। নাস্তার জন্য তাঁকে মেনু পছন্দ করতে বললে তিনি পছন্দ করেছিলেন কাঁদাখোচা পাখির মাংস। দিনের প্রথম খাবারটা তিনি শুরু করতেন নিজের পছন্দের মেনু দিয়ে। কয়েক বছর আগে তার নিজের লেখা খাবারের মেনু নিলামে ওঠে। আর তা দেখে বোঝা যায়, চার্চিল কতটা ভোজনরসিক ছিলেন। কাঁদাখোচা পাখির মাংস ছাড়াও দুটো প্লেটে সাজিয়ে দেয়া হতো তার পছন্দের খাবার। নাস্তার প্রথম ধাপে থাকত ডিমপোজ, টোস্ট , মাখন জ্যাম আর মাংস । দ্বিতীয় দফায় থাকত আঙুর, এক বাটি মিষ্টি, হুইস্কি সোডা আর প্রিয় সিগারেট।…

Read More