উষ্ণতার সান্নিধ্যে

উষ্ণতার সান্নিধ্যে জাগ্রত জীবনের সমস্ত উৎসব মাতৃত্বের প্রবল আকাঙ্ক্ষাও এক ঘনিষ্ঠ  উষ্ণতায় উৎসারিত হাতের রেখায় যেভাবে বয়ে যায় উষ্ণতার নদী তাকে স্পর্শ করার আনন্দে উদ্বোধিত প্রেমের পৃথিবী প্রেমের শরীর ভরা তারই জয়োগান তারই উন্মাদনার অনন্য আয়োজন কখনো কখনো উন্মত্ত অভিমান হয় অনিবার্য আত্মা থেকে বেজে ওঠে হৃদয়বীণা হৃদয়কে ঘিরে রাখে উষ্ণতার চাদর জীবন মানেই উষ্ণস্রোতের মুখরিত  বহমানতা এক উদ্দীপিত চাঞ্চল্যের কম্পন বন্ধনের এক বিস্ময়কর বাঁশি যা বেজে যায় হৃদয় থেকে হৃদয়ের পথে বুকের উষ্ণতা জীবনকে জাগিয়ে তোলে পাখির নীড়ে যেভাবে জেগে সমুদ্রময় জোয়ারের ঢেউ উষ্ণতা থেকেই অঙ্কুরিত পৃথিবীর সমস্ত প্রাণের…

Read More

মটকু ভাইর কাণ্ড-বাণ্ড

মটকু   ভাই আর তার স্ত্রী। মটকু  ভাই মোটরসাইকেল চালাচ্ছিল।  রাস্তা ফাঁকা পেয়ে সে এতো জোরে বাইকটি চালাচ্ছিল যে ভাবি বেচারী ভয়েই শেষ। শেষমেষ আর না পেরে বলল, ওগো, একটু আস্তে চালাও না, ভয় লাগছে তো! তখন মটকু  ভাই বলল, ভয় লাগলে এক কাজ কর, আমার মতো চোখ বন্ধ করে রাখো!   মটকু ভাই : ডলি থামবে, রাগে আমার মাথায় আগুন জ্বলছে। মটকু ভাইয়ের স্ত্রী : এ জন্যই তো বলি, গোবর পোড়ার গন্ধটা কোথা থেকে আসে!   মটকু  ভাই ও তার  স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে মটকু ভাই : দেখেছো, শামুক কত…

Read More

শেখ​ মণির অস্ত্র আহরণ ও  মুক্তিযুদ্ধের হাতেখড়ি

শেখ ফজলুল হক মণি প্রশস্ত একটা ঘরের মধ্যে অস্থিরভাবে পায়চারি করছেন।স্থান, সাপ্তাহিক জনতা কার্যালয়, পুরাণ পল্টন, ঢাকা।উপর তালায় আওয়ামি লীগ অফিস।তারিখ, ১ মার্চ,১৯৭১। সময়, বেলা দুই ঘটিকা।সেই দৃশ্যপটে আবির্ভুত হলেন সিরাজুল আলম খান।তার সাথে লেখক।আমাদের দেখে মণি বললেন, ‘সিরাজ ভাই গাড়ি পেয়েছেন?’ সিরাজ আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমাকে দেখিয়ে বললো, ‘শুধু গাড়িই না সেই সাথে একজন দক্ষ ড্রাইভারও পেয়েছি।’মনি আমাকে স্বাগত: জানিয়ে সৌহার্দ্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন।‘ভাই, কেমন আছেন।‘ প্রিয় সম্ভাষণে আমি আপ্লুত হলাম।যুবনেতা শেখ মনির সাথে আমার মিথষ্ক্রিয়ার বিস্তার তেমন প্রশস্ত নয়। ছাত্র রাজনীতির একটা ঝাপসা অতীত এবং সময়ের পেশাজীবী সংবাদকর্মী…

Read More