মুজিবের অগ্নিবীণায় আগুনের পরশমনি

২৩ মার্চ ১৯৭১। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে নিজ বাসভবনে বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে  কাঙ্ক্ষিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। গেটের বাইরে স্লোগানমুখর জনতা।শত শত হর্ষোৎফুল্ল মানুষ !  তরুণ -তরুণী, যুব- বৃদ্ধ সবার সেদিনের প্রিয় স্লোগান- তোমার দেশ , আমার দেশ,  বাংলাদেশ! বাংলাদেশ! দুঃসাহসী নির্ভয়, দুর্বিনীত, দুর্দম। যেমন নেতা তেমনি জনতা!  চির সবুজ পটে পূর্ব বাংলার মানচিত্র খচিত  হাজার বছরের স্বপ্নে লালিত  স্থাপত্য দিয়ে গড়া  স্বাাধীন বাংলার পতাকা তাদের হাতে। অগ্নিবীণায় সুর বাঁধা। আগুনের  পরশমনি! ছন্দপতনের  শঙ্কা নেই। পশ্চিমে  স্মৃতিময়   মুর্শিদাবাদ, উত্তর পশ্চিমে ‍উত্তাল নকশালবাড়ি।উত্তর দক্ষিণে চীন সীমান্ত ঘেঁসে  অরুণাচলের আঁচল জড়ানো…

Read More

মিতুদির বান্ধবীর স্বর্গ দর্শন -৪

ঢাকেশ্বরী মন্দির সব ধর্মের লোকের উন্মুক্ত প্রবেশাধিকারের জন্যে বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের এক চমৎকার সার্বজনীন প্রকাশ। অনেক পর্যটক এদিক ওদিক ঘুরে ঘুরে মন্দির দেখছেন, কেউ বা প্রণাম করছেন, কেউ বা ধুপ দীপ জ্বালাবার জায়গাটিতে ধুপ, দীপ দিচ্ছেন। মন্দিরে আগত মিতুদির আমন্ত্রিত ভক্তরা সবাই প্রশস্ত চত্বরে বসে নিজেদের মধ্যে গল্প করছিলো। সে গল্প যার যার সংসারের প্রাত্যাহিক জীবনের গল্প।যেখানে কাজের মেয়ে থে্কে শুরুকরে চাল, ডাল, জিনিষপত্রের মূল্য বৃদ্ধি, স্বামীর পকেট কাটা, সিনেমা টিভি, ফ্যাশন ইত্যাদি কিছুই বাদ নেই। জমজমাট সেই গল্পের আসরের অনতিদূরেই আরো অনেকে বসেছিলেন যারা মিতুদির পরিচিত নয়। তারা মাঝে মাঝে…

Read More

দেখছ না, মাছি মারছি

মটকু  ভাই আর তার স্ত্রী আদালতে গেছেন তালাক নিতে। কিন্তু মটকু  ভাইয়ের স্ত্রী তালাক নিতে বা দিতে নারাজ। আদালতে হঠাৎ করেই বেশ কান্নাকাটি শুরু করলেন তিনি। বিচারক ভদ্রমহিলাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কাঁদছেন কেন? তালাক হলে তো আপনার স্বামী আপনাকে খোরপোষ দেবেন। তাতে তো ভালোই চলে যাওয়ার কথা? স্ত্রী  বললেন, আমাদের ১৫ বছর বিয়ের বয়সে ০২ জন সন্তান হয়েছে। আর তাদের খরচাপাতি ২০ হাজার টাকার উপরে। বিচারক বললেন, তাতে সমস্যাটা কী? ভদ্রমহিলা বললেন, কিন্তু বিয়ের সময় আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তালাক হলে সব দায়ভার আমাকেই বহন করতে হবে।   বসে বসে পতি…

Read More

বিখ্যাতদের মজার কথা

১. বিখ্যাত লেখক অস্কার ওয়াইল্ড ছিলেন যেমনি রসিক তেমনি বাকপটু। তিনি একবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডিভভারস’ বিষয়ে মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন। পরীক্ষক তাকে গ্রীক ভাষায় লেখা ‘নিউ টেস্টামেন্ট’ থেকে ‘প্যাশন’ অংশের কয়েক লাইন অনুবাদ করতে বললেন। ওয়াইল্ড নির্ভুলভাবে দশ বারো লাইন অনুবাদ করার পর পরীক্ষক সন্তুষ্ট হয়ে বললেন-’ঠিক আছে আর করতে হবে না।’ ওয়াইল্ড পরীক্ষকের কথা যেন শুনতেই পাননি এমন ভাব করলেন। এক পৃষ্ঠা অনুবাদ করে ফেলার পর পরীক্ষক রেগে গিয়ে  বললেন ‘আরে থামুনতো। বাকিটা অন্যরা অনুবাদ করবে।’ ওয়াইল্ড মিনতি জানিয়ে বললেন, ’স্যার,প্লিজ গোটা অংশটাই আমাকে অনুবাদ করতে দিন। বাড়তি অনুবাদ করার…

Read More