নামফলক

নামফলক আফরোজা পারভীন

সড়কটা দীর্ঘ নয়। একপাশে বড় একটা দিঘি,  অন্যপাশে কয়েক ঘর বসতি, মাঝখানে এই সড়ক। কিছুদিন আগেও কাঁচা ছিল, এখন খোয়া পড়েছে। পিচ পড়েনি এখনও। সহজে পড়বে বলে মনে হয় না। গাড়ি তেমন একটা চলে না,  রিক্সা চলে, তাও খুব বেশি না। পথচারিরা হাঁটে,  টুটাং করে যায় সাইকেল। ফেরিওয়ালারা ডাক পাড়ে। মাছওয়ালা হাঁকে মাছ মাছ,  মুরগিঅলা মুরগি চাই, মুরগি, চানাচুরঅলা, এইযে নেবেন মজাদার চানাচুর। আরো কতকি। নদীর কূলে নাও ভিড়িয়ে বেদেরা আসে লাল নীল রেশমি চুড়ি বেঁচতে। তবে আস্তে আস্তে এসব কমে যাচ্ছে। নগর যতো বাড়ছে , আধুনিকতা ততোই গ্রাস করছে…

Read More

ভাষা অবমাননায় যাপিত জীবন

ভাষা অবমাননায় যাপিত জীবন সাঈফ ফাতেউর রহমান

নিজের সাথে নিজে প্রতারণা করে চলেছি অবিরাম। মাতৃভাষার জন্য নিবেদিত আমি বহিরঙ্গে অন্তরঙ্গে হৃদয় নিবিড়ে সোচ্চার উচ্চারণে প্রগলভতায় যতোই নিনাদিত করি চারদিক, নিজেই নির্ভুল জানি, মাতৃভাষাকে আমি হৃদয়ে লালন করিনা, পালন করিনা শুদ্ধাচারে সুমার্জিত প্রভায়, ধারণ করিনা ব্যক্তি জীবনের প্রাত্যহিকতার, জীবনাচারের সকল সরল ও বঙ্কিম পথরেখা বা অনুক্রমে। কেবলই প্রদর্শনাচার আমাদেরকে ঘিরে থাকে কেবলই আনুষ্ঠানিকতায় আবৃত থাকি আমরা আমূল কেবলই বাক-সর্বস্বতা, কেবলই সাময়িকতার বৃত্তে আঁটকে থাকি স্বেচ্ছায় কেবলই আমরা দিবস বা মাসের ঘেরাটোপে আবদ্ধ করে রাখি একুশে চেতনা শুদ্ধতায় শিষ্টতায় অনুরাগে সারল্যের শুভ্রতায় ধারণ লালন করিনা মাতৃভাষাকে বন্দী-মাতৃভাষা দিবস-কারাগারের অন্তরালে…

Read More

একুশের কবিতা

একুশের কবিতা

 ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ? বরকতের রক্ত। হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে, সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে ! প্রভাতফেরীর মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা বিষাদগীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা। চিনতে না কি সোনার ছেলে ক্ষুদিরামকে চিনতে ? রুদ্ধশ্বাসে প্রাণ দিলো যে মুক্ত বাতাস কিনতে ? পাহাড়তলীর মরণ চূড়ায় ঝাঁপ দিল যে অগ্নি, ফেব্রুয়ারির শোকের বসন পরলো তারই ভগ্নী। প্রভাতফেরী, প্রভাতফেরী আমায় নেবে সঙ্গে, বাংলা আমার বচন, আমি জন্মেছি এই বঙ্গে। আল মাহমুদ Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More

অবিশ্বাস থেকে বিদ্রোহ তার থেকে বিপ্লব

অবিশ্বাস থেকে বিদ্রোহ তার থেকে বিপ্লব শামসুল আরেফিন খান

বিভাজন রেখা এত গভীর যে তা কলঙ্কের মত অনপনেয়।কোন উপায় নেই মুছে ফেলার।এই বিভাজনের উৎসে রয়েছে মানুষের বিশ্বাস । সেটা সত্যোপলব্ধি  না হয়ে অন্ধবিশ্বাসও হতে পারে।অন্ধ বিশ্বাসের অপর নাম আনুগত্য। অন্ধ বিশ্বাস না থাকলে  আনুগত্য টলে যায়। পৃথিবীতে এখন  উৎপন্ন সমস্ত সম্পদের ৮০ ভাগই কেবল+একভাগ মানুষের কুক্ষিগত হয়েছে।এটা অনুমান নয় , পরিসংখ্যান।এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ দরিদ্র ভাগ্যাহত মানুষ যদি অন্ধবিশ্বাসচ্যুত হয়, অবাধ্য হয়ে ওঠে তা হলে বিশ্বের স্থিতাবস্থার পরিণতি কী হতে পারে তাও চিন্তার বা অনুমানের অগম্য নয়। ফেরাউন যুগের ক্রিতদাশ ২০ ঘন্টা অমানুষিক শ্রম দিয়ে ভাবতো এটাই তার নিয়তি। ভাগ্যের লিখন…

Read More