বঙ্গোপসাগরে ভেসে গেল বীর মুক্তিযোদ্ধা লস্কর মিজানের লাশ/ লে: কর্ণেল সৈয়দ হাসান ইকবাল (অব)    

বীর মুক্তিযোদ্ধা লস্কর মিজান

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদানের সময় রেসকোর্স ময়দানে আমার উপস্থিত থাকার বিরল সৌভাগ্য হয়েছিল। সে ভাষণ ছিল বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ, যা UNESCO কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করেছে। ১০ মার্চ ১৯৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতে আমি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নিজ এলাকা পাঁচুড়িয়া গ্রামে চলে যাই। তখন আমি ঢাকার ওয়েষ্ট এন্ড হাইস্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্র ছিলাম। ঢাকায় তদানীন্তন পাকিস্তান সামরিক জান্তাদের সাথে বঙ্গবন্ধুর আলোচনা চলছিলো। কিন্তু বোঝা যাচ্ছিলো যে, পাকিস্তানি জান্তারা দূরভিসন্ধিতে লিপ্ত । ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসাবে বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তানের শাসনভার গ্রহণ করার কথা।…

Read More

স্বাধীনতা ও দিগম্বর কিশোরী/ জান্নাতুল ফেরদৌসী

স্বাধীনতা

তোমার স্বপ্নের সোনালী ভুবনে, লাল সবুজ পতাকা নিয়ে হেসে খেলে  উল্লাস করে উড়ে বেরাবে বলেই স্বাধীনতা। তোমার দিঘীর জল জ্বলবে, মাছরাঙা,পানকৌড়ী,বালিহাঁস খেলবে, ভাদ্র মাসে ভরা পূর্ণিমায় তাথৈ তাথৈ নাচবে বলেই স্বাধীনতা। কঁচি কলাপাতার মতো সবুজ কুসুমের মতো কোমল পেলব মন নদীর মতো প্রবাহমান তুমি বাধাহীন  চলবে বলেই স্বাধীনতা। অথচ কি এক অদ্ভুত ঝড় ভেংগে দিলো স্বপ্নিল সম্ভাবনা। তোমার নাভির নিচে ছিল অপার সুখের নির্মল স্রোত। তুমি ছিলে ভীষণ সাহসী মাত্র বার কি তের তুমি তোমার চোখে চিন্তার রেখা, মুখে মুক্তির স্লোগান। উন্মুক্ত  আকাশের দিকে আঙুল যেনো মানুষের সমান। মুক্তির  উল্লাসে…

Read More

বিশু চোর- ৬ষ্ঠ পর্ব

বিশু চোর

১৯৭১সালের বসন্ত কাল। এটি যেন বিন্নাপুর গ্রামের বিভীষিকাময় বসন্ত। সাতই মার্চের ভাষণে  বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দিয়েছেন। পঁচিশে মার্চ পাকিস্তান বাহিনী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরীহ বাঙালির ওপর হামলা চালায়। দেশের মানুষ একতাবদ্ধ, স্বাধীনতার নেশায় উদগ্রীব।বিন্নাপুর গ্রামের বেশিরভাগ তরুণ ও যুবক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য শপথ নিয়েছে। এ গ্রামের ইরফান পণ্ডিত সরকারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। ইরফান পণ্ডিত একদিন  হন্তদন্ত হয়ে পাকিস্তানের হাট থেকে ফিরে এসে উঠানেই বসে পড়ে একটি টুলের ওপর। ডাকাডাকি করে কালামের মা শিউলি বেগমকে।‘শোনো কালামের মা, ভীষণ ভয়ের খবর আছে। হারুন কনে? কালাম কনে গেছে? অগোর ডাক দ্যাও।…

Read More

মৃণাল সেন: নিয়ম না মানই ছিল তাঁর নিয়ম/ আফরোজা পারভীন

মৃণাল সেন

চলে গেলেন মৃণাল সেন। বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর ৷ বার্ধক্যজনিত রোগে অনেকদিন ধরেই ভুগছিলেন । বাড়িতেই  তাঁর জীবনাবসান হল ৷ স্ত্রী গীতা সেন প্রয়াত হযেছেন গত বছর। শেষ দিনগুলো একাই কাটালেন ‍তিনি। মৃণাল সেনের জন্ম বাংলাদেশে, ১৯২৩ সালের ১৪  ফরিদপুরে । এখানে হাইস্কুলের পড়াশুনো শেষ করে তিনি কলকাতায় চলে যান।  স্কটিশ চার্চ কলেজে পদার্তবিদ্যায় পড়াশুনা  করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।ন বির পোস্টারআমৃত্যু বামপন্থী আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন মৃণাল সেন। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার সাংস্কৃতিক কাজকর্মের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। কিন্তু কখনও পার্টির সদস্য হননি।  রাষ্ট্রপতির মনোনীত সদস্য হিসেবে তিনি…

Read More