একজন জরিনা/ আফরোজা অদিতি

ঈদ উপলক্ষে ছোট-বড়-মাঝারি দোকান, ফুটপাত সেজে উঠেছে নানা রকমের নতুন পোশাকে; এমন কি ভ্যানগাড়িতে করেও জামা-কাপড় বিক্রি হচ্ছে; বস্তির সামনেও ভ্যানগাড়িতে বসেছে বাজার। অনেকেই কিনছে তবুও বাচ্চা দুটো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে কিন্তু কোন আবদার করছে না! জরিনা একটা ছোটখাটো গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করে। বেতন যা পায় তা দিয়ে বাসা ভাড়া, খাওয়াই ঠিকমতো হতে চায় না, নতুন কাপড় কোথা থেকে হবে; তবুও মায়ের মন, ইচ্ছা করে ঈদ-পরবে ছেলেমেয়েকে নতুন পোশাকে সাজাতে। চিন্তিত বিষণ্ন জরিনা কাজ করছিল; ওভারটাইম করছে ছেলেমেয়ের নতুন জামা কেনার জন্য; ভেবেছিল ঈদের আগে বোনাস পাবে কিন্তু সে ভরসা…

Read More

রাষ্ট্র, পরিবার, শিশু ও চাকরিজীবী নারী

একটি রাষ্ট্রে হাজার-লক্ষ-কোটি মানুষের বাস। এই রাষ্ট্রযন্ত্রকে কেন্দ্র করে সমাজ আবর্তিত হয় আর সমাজকে ঘিরে আবর্তিত হয় পরিবার। মানুষ পরিবার কেন্দ্রিক; পরিবারের সদস্যদের ঘিরেই আবর্তিত হয় মানুষের চাওয়া-পাওয়া, সুখ-দুঃখের হিসাব-নিকাশ! স্বামী স্ত্রী এবং সন্তান নিয়ে একটি পরিবার বা সংসার তৈরি হয়। কখনও কখনও কোন কোন পরিবারে  বাবা-মা-দাদা-দাদি বা অন্যান্য সদস্য থাকে। বর্তমানে যৌথ পরিবারের সংখ্যা খুব কম; নেই বললেই চলে। তাছাড়াও সন্তান নেওয়ার বিষয়ে আছে পরিকল্পনা; সেখানে একটি দুটি সন্তানই যথেষ্ট বলে মনে করে যে পরিবার সে পরিবারগুলো স্বাভাবিকভাবেই ছোট থেকে যায়! মনের বিবর্তন অর্থাৎ মানসিক অবস্থার পরিবর্তনের ফলে মানুষের…

Read More

প্রবীণ মানুষ এবং তার সমস্যা

মানুষের বয়স বাড়ে। মানুষ প্রবীণ হয়। তবে এই প্রবীণতা মানুষের একদিনে বা হঠাৎ করেই আসে না। যাপিত জীবনের একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবনের এই ক্ষণ আসে। বয়স বাড়তে থাকে সেই সঙ্গে দেহের পরিবর্তন হতে থাকে। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বলতার সঙ্গে সঙ্গে শরীর দুর্বল হতে থাকে। ক্ষয় হতে থাকে দেহের অস্থি আর ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা। শরীরের অস্থি ও অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গের কোষের মতো মস্তিষ্ক কোষেরও ক্ষয় হয়। মস্তিষ্ক কোষের ক্রমাগত ক্ষয়িষ্ণুতার কারণে মানুষ স্মৃতি ভুলে যেতে থাকে। মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমে স্মৃতিশক্তি, কমে যায় শারীরিক শক্তি।  তার স্মরণশক্তি, বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত…

Read More

আমার আগামি আমার সন্তান

amar agami amar shontan afroza aditi

সামান্য কারণে মারমুখী হয়ে উঠছে শিশুরা। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতে, একসঙ্গে খেলতে খেলতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতে দেখা যাচ্ছে শিশুদের। মা-বাবা-অভিভাবক-শিক্ষক কারও কথা শুনতে চাইছে না। বেশিরভাগ সময় নিজের মধ্যে ডুবে থাকছে নিজে। রাত জেগে কম্পিউটার কিংবা মোবাইল ব্রাউজ করছে। লেখাপড়া করছে না হয়তো, করছে না হোম-ওয়ার্ক; এই অবস্থায় বেশিরভাগ সময় বকাবকি করা হয় শিশুকে। কখনও কখনও নানা রকম শাস্তিও দেওয়া হয়। মাঝেমধ্যে খবরের কাগজে দেখা যায় শ্রেণিকক্ষে শিশুকে নির্যাতন করেছে তার শিক্ষক । এই নির্যাতন যে সে নির্যাতন নয় একেবারে শয্যাশায়ী, কখনও হাসপাতাল কখনও বা সে রক্তাক্ত ভীতসন্ত্রস্ত। শিশুকে…

Read More