উন্নয়নের পৃথিবীতে পরিবেশ বিপর্যয়/ আইয়ুব হোসেন

সাম্প্রতিক বিশ্বে আহার, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সঙ্কট ক্রমশঃ ঘনীভূত। বৃহৎ, পরাশক্তি ও বাজার অর্থনীতির কারণে আসন্ন সভ্যতার ভয়াবহ সংকটের ঘনঘটা আকাশে বাতাসে। ক্রমবর্ধিত জনসংখ্যার বিস্ফোরণে তাবৎ বিশ্ববাসী ভীত। এশিয়ার এই দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য আশংকার খবর হলো- পৃথিবীর সবচাইতে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। চলতি শতাব্দীর শেষে গিয়ে এ অঞ্চলের লোকসংখ্যা আরও সোয়া’শ কোটি বৃদ্ধি পেয়েছে। পৃথিবীতে যে দু’শ কোটি লোক বাড়বে তার ৬০% বাড়বে এই স্বল্প পরিসরের এলাকাতেই। তখন পরিবেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য হবে  তীব্রভাবে বিপর্যস্ত। বর্তমান পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন চাহিদার জন্য বৃহৎ শক্তিগুলো বা কিছু ধনশালী…

Read More

রবীন্দ্র-সাহিত্যে কৃষি

রবীন্দ্র-সাহিত্যে কৃষি রবীন্দ্র-সাহিত্যের বিশাল বিস্তৃতির মধ্যে কৃষি বিজ্ঞানও বিষয়াশ্রিত হয়েছে। মাটি, গাছ-পালা, বন-বনানী ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিষয়াবলী রবীন্দ্রনাথ তার অমর সাহিত্যকর্মে বিভিন্নভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। বিজ্ঞানের এই নিরস বিষয় সাহিত্যরসে সঞ্জীবিত হয়ে আমাদের নিকট মূর্ত হয়েছে। পৃথিবীর আদি শিলাস্তর ক্ষয় পেতে পেতে মাটিতে পরিণত হয়েছে। বড় বড় গাছ-পালা, লতা-গুল্ম, ঘাস, ছত্রাক প্রভৃতি উদ্ভিদ কখনো প্রত্যক্ষ কখনো পরোক্ষভাবে মাটি তৈরিতে সহায়তা করছে। পৃথিবীর আদি থেকেই এ কাজ চলছে। রবীন্দ্রনাথ তাই তার ‘বনবাণী’ শীর্ষক বৃক্ষ বন্দনা কবিতায় উদ্ভিদের গুণকীর্তণ করেছেন      “…………মৃত্তিকার হে বীর সন্তান,       সংগ্রাম ঘোষিলে তুমি মৃত্তিকারে দিতে মুক্তিদান       মরুর দূর্গ হতে……….।” মাটি…

Read More

আম, আমাদের প্রিয়তম ফল

আম, আমাদের প্রিয়তম ফল, আইয়ুব হোসেন

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় মাছ ইলিশ, জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার। আছে জাতীয় উদ্যানও। আর আমগাছ জাতীয় বৃক্ষ। আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ ঘোষণার পেছনে ফল আমের অবদানই বোধহয় বেশি। কারণ, আম খেতে ভালোবাসেন না, এমন বাঙালি কেন, ভিন্দেশেরও কাউকে পাওয়া কঠিন।   বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের অনুভূতির সঙ্গে আম ও আমগাছের সম্পর্ক আছে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে ব্রিটিশদের হাতে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ে যে বেদনার ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছিল, ১৯৭১ সালে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে তার পরিসমাপ্তি ঘটে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৭ এপ্রিল প্রবাসী বাংলাদেশ…

Read More

আরজ আলী ও লামচরি সন্দর্শনে 

দেশের ক্ষণজন্মা, স্বশিক্ষিত দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর। বরিশালের লামচরি গ্রামে তাঁর নিবাস। প্রথমে কৌতূহল তারপর খোঁজখবর অবশেষে গবেষণা। আমাদের পশ্চাদপদ সমাজে তাঁকে পরিচয় করানো দরকার। তাঁর দার্শনিক তত্ত্বে সমৃদ্ধ রচনা সামগ্রি মেলে ধরাও দরকার। এই তাড়নায় ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এই টানা প্রায় ৬ বছর ধরে ঢাকা–বরিশাল যাতায়াত। উঁই–কাটা জীর্ণশীর্ণ ইতস্তত বিক্ষিপ্ত আরজ আলীর যাবতীয় পাণ্ডুলিপি এখানে সেখানে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় ছিল। সেগুলো কয়েক বছর ধরে অনুসন্ধানে উদ্ধার করা গেল। অতপর জীবনী রচনা করা হলে বাংলা একাডেমি’র তৎকালীন মহাপরিচালক ড মাহমুদ শাহ কোরেশী সাহেব অতি আগ্রহে তা গ্রহণ করে স্বল্পতম সময়ে…

Read More