একজন সৎ মানুষের যাপিত জীবনের ক্ষণিকাংশ

একজন সৎ মানুষের যাপিত জীবনের ক্ষণিকাংশ

প্রতিদিন কাজ শেষে রেলস্টেশন থেকে পোস্টাল সার্ভিসের বাস নিয়ে মাত্র ১০ মিনিটেই আমি ঘরে পৌঁছে যাই। কাজে যাওয়ার সময়ে এ সার্ভিসটি থাকে না বলে একাধিক বাস পরিবর্তন করে শহরকেন্দ্র ঘুরে রেলস্টেশনে পৌঁছুতে আমার প্রায় আধাঘন্টা লেগে যায়। আমার আলোচ্য সৎ মানুষটি ৮০ উর্দ্ধ একজন বৃদ্ধা, তিনি আমার ঘরে ফেরার এই পোস্টাল বাস সার্ভিসের নিত্যকার একজন সহযাত্রী। সম্ভাশন বা শুভেচ্ছা বিনিময় ছাড়া আগের ৫/৬ বছরে ওনার সাথে বাড়তি কোন কথা কখনো হয়েছে বলে মনে পড়ে না। সপ্তাহান্তের এক অলসবেলায় গ্রামের এক বারের টেরাস বা খোলাচত্বরে পান করছি, এমন সময়ে আমার আলোচ্য…

Read More

কল্যাণমূলক রাষ্ট্রচিন্তা: প্রসঙ্গ সুইজারল্যান্ড

কল্যাণমূলক রাষ্ট্রচিন্তা: প্রসঙ্গ সুইজারল্যান্ড

(পূর্ব প্রকাশিতর পর) দেশটির মুদ্রার নাম সুইস ফ্রাংক, মুল্যমান ১ সুইস ফ্রাংক= ১.১০ ইউএস ডলার। বছরে জনপ্রতি গড় আয় ৭১ হাজার সুইস ফ্রাংক। নাগরিকদের গড় আয়ুস্কাল ৮১.৩ বছর। ২০১৬ বছর শেষে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমান ছিল ৬৯১ বিলিয়ন সুইস ফ্রাংক, এর বাইরে ব্যাংকটির সংরক্ষিত সোনার পরিমাণ ৩ হাজার মেট্রিক টন। ন্যাশনাল ব্যাংকের বাইরে আছে ইউবিএস বা ইউনাইটেড ব্যাংক অফ সুইস, সারা বিশ্বে যাদের সম্পদের পরিমাণ ৯৪২ বিলিয়ন সুইস ফ্রাংক। আছে ক্রেডিট সুইস ব্যাংক, সারা বিশ্বে যাদের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১১৫৯ বিলিয়ন সুইস ফ্রাংক। পুর্নবীমা বা রিইনসুরেন্সে এদের আছে বিশ্বখ্যাত…

Read More

কল্যাণমূলক রাষ্ট্রচিন্তা: প্রসঙ্গ সুইজারল্যান্ড

সুইজারল্যান্ড

মানব সভ্যতার সুচনাপর্বে প্রকৃতির বিরূপতাকে উপেক্ষা করে গুহাবাসী মানুষ ধীরে ধীরে খোলা আকাশের নিচে বেরিয়ে এসে প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপায় এবং উপাদানে আহার, আচ্ছাদন ও পোশাক পরিচ্ছদের পদ্ধতি উদ্ভাবন করলো। বনজি আহারের পরিবর্তে শুরু হলো বন্যপ্রাণী শিকার ও ভক্ষণ। তারপর এলো রন্ধন। জেড়ায় জোড়ায় বন্যপ্রাণী তাদের বাচ্চা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই বোধহয় নর ও নারী তাদের নিজ নিজ সন্তান নিয়ে একত্রে বসবাসের বাসনা থেকেই সুচনা হলো আধুনা পরিবার প্রথা। প্রাকৃতিক উপায়, উপাদান প্রাপ্তির অপেক্ষাকৃত ভাল স্থানগুলিকে ঘিরে এধরনের কয়েকটি পরিবার নিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে উঠলো ছোট ছোট গোত্রভিত্তিক জনপদ।…

Read More

যান্ত্রিক জীবনের অযান্ত্রিক বোধ

busy life at switzerland

৬–৭ মাস আগের কথা। শহরকেন্দ্র থেকে পাবলিক বাসে ঘরে ফিরছি। আমার সামনের সিটে আনুমানিক ২ বছরের ঘুমন্ত ও পরীর মতো সুন্দর একটি শিশুর মুখ তার বাবার কাঁধে। চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। কিন্তু  এসময় একটি লং ডিসট্যান্স কল আসায় মাথা নিচু করে যথাসম্ভব নিচুস্বরে কথা বলছিলাম। হঠাৎ মনে হলো, মাথার চুলের ওপরে যেন কোন পোকা নড়াচড়া করছে। অজান্তেই মাথায় হাত দিতে গিয়ে স্পর্শ পেলাম কচি হাতের। মাথা তুলে তাকালাম। ছোট্ট পরীটা তার হাত দিয়ে আমাকে ছোঁয়ার চেষ্টা করছে আর মিটি মিটি হাসছে। একই স্টপেজে নামলাম, তাই জানলাম ওরা আমরা একই এলাকায়…

Read More