সোনার হরিণ

সোনার হরিণ

বিয়ের এক সপ্তাহ পর প্রথমবার বাপের বাড়ি বেড়াতে এসে রাবেয়া যখন চামচকে ‘চামিচ’, কাঁকইকে ‘চিরুনী’ এবং পিছাকে ‘ঝাড়ু’ বলল , তখন মা-খালারা এর ওর গা-এ হাসতে হাসতে ঢলে পড়ে নানান বিশেষণে ওকে এবং ওর মানুষটাকে সজ্জিত করায় ব্যস্ত হল। মানুষটা ওকে ভালবাসে, পাগলের মতো ভালবাসে। রাবেয়া ভাবে ভঙ্গীতে,অসমাপ্ত বাক্য এবং ছোট বড় হাসির সাহায্য নিয়ে মানুষটার ভালবাসা ওকে কতখানি সুখি করেছে, তা বোঝাতে ব্যস্ত হল। স্পষ্ট হয়নি কিছুই, না কথা, না হাসি, কেননা অতটা লজ্জাহীনা ও হতে পারেনি। বিষম লজ্জা মানুষটার ভালবাসার পাগলামি ওর চোখের পাতা আর দু’ ঠোট ভারী…

Read More

আমি কি বহুবিশ্বের নাগরিক নই?

আমি কি বহুবিশ্বের নাগরিক নই?

মহাবিশ্ব কি অনেকের মাঝে একটি? পদার্থবিজ্ঞানের রথী-মহারথীরা এরকম কথা কখনো কখনো বলেন বলে, ঝেড়ে কাশেন না। আর তাই প্রশ্নটা ব্যাপক জ্বালাচ্ছে। আমি কি বহুমহাবিশ্বের নাগরিক নই? উত্তরটা হতে হবে, হয় ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’। তার আগে, বুঝিয়ে বলি বহুমহাবিশ্ব বলতে আমি কি বুঝতে চাচ্ছি। আমাদের মহাবিশ্বটা যদি একটাই মহাবিশ্ব মাত্র না হয়, তবে কি এটি অনেকগুলো মহাবিশ্বের মাঝে একটি? অনেকগুলো মহাবিশ্ব বলতে কি বুঝতে চাই? অসীম সংখ্যার মহাবিশ্ব কি আসলেই বাস্তবতা, আর এর একটি বাস্তব হয়েছে আমাদের চেনা মহাবিশ্বতে? অসীম সংখ্যার মহাবিশ্বসমূহ যদি হয় বাস্তবতা, আর সেই বাস্তবের অংশ তো আমিও।…

Read More

সূর্য ও ঝিঁঝিঁ পোকা

সূর্য ও ঝিঁঝিঁ পোকা

মঞ্জুশ্রি ওর মায়ের সাথে কখনোই কোথাও যেতে চায় না। ও যেমন মুখচোরা, ওর মা ঠিক ততখানি হুল্লোড়ে। যেখানে যায়, সেখানেই মনে হয় য়্যুনিভার্সিটির বন্ধু-বান্ধব বানিয়ে ফেলে। আন্টিরা তো বটেই, আঙ্কেলদের সাথেও বিরামহীন গপ্প করতে থাকে। ওর মা থাকলেই মিথস্ক্রিয়ার গতি রকেটের সাথে পাল্লা দেয়, নইলে স্বাভাবিক হাই-হ্যালো থেকে বড় জোর বাজারের জিনিষ পত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে টাইপের কথা বার্তাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। মঞ্জুশ্রীর মা বাজারের কুঁচো মাছের কানকো-লেজ নাড়িয়ে আদা-রসুনের খোসা ছিলে হলুদ বেটে আগুন ছাড়াই চুলোয় চড়িয়ে দিতে পারে। বাকিরা দিব্যি খড়কুটো গুঁজতে ব্যস্ত হয় গপ্পের চুলোয়। এরকম আড্ডায় মঞ্জুশ্রীকে…

Read More