বিখ্যাত মানুষেরে প্রমের কথা

প্রেম  অনেক রকম। বিচিত্রি  তার রূপ রং । আর এই বৈচিত্রের কাছে ধরা পড়ে প্রতিটি মানুষ। সাধারণ অসাধারণ নির্বিশেষে। আজ  কয়েকজন বিখ্যাত মানুষের প্রেমের কথা বলা হল।

 

কবি জন কিটস :

ফ্যানি ব্রাউন নামের এক তরুণীর সঙ্গে হৃদয়ঘটিত  সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন জন কিটস । ফ্যানি   কিটসকে খুবই ভালোবাসতেন । কিন্তু তার ভালবাসা সম্পর্কে কিটস সন্দেহমুক্ত ছিলেন না। সন্দেহ  আর অবিশ্বাস তাকে তাড়িয়ে নিয়ে  বেড়িয়েছে। হতাশা, দারিদ্র আর ভগ্নস্বাস্থ্য  তাঁর  প্রেমকে  সুস্থ সাবলীল পথে চলতে দেয়নি।  কিটসের সকল শক্তির  উৎস ছিল তার  প্রেমিকা ফ্যানি ব্রাউন। আর তাঁর প্রতিই ছিল যত দুর্বলতা।  ফ্যানির  প্রেমই তাঁকে অনুপ্রাণিত করে ন খধসরধ, b Lamia, The Nightingale, The Grecian Urn ইত্যাদি বিখ্যাত কবিতা রচনা করতে।  মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে কিটস পৃথিবী ত্যাগ করেন। কিটসকে  লেখা ফ্যানির শেষ চিঠি  কিটসের মৃত্যুশয্যায় তার কাছে   পৌঁছে । ওই চিঠি   খোলার মতো শক্তিও তখন কিটসের ছিল না। প্রথমে চিঠিটি তিনি তার কফিনে দিতে বলেন, পরে আবার নিষেধ করেন।  শেষ পর্যন্ত চিঠিটি তাঁর মৃতদেহের সঙ্গে কফিনে দেওয়া হয়।

 

পার্সী বীশি  শেলী :

কবি  শেলী ছিলেন আপাদমস্তক  রোমান্টিক একজন কবি। এ কবির জীবনে  প্রেমের বিষয়টা একটু অন্যরকম। নির্দিষ্ট  কোনো নারীর প্রতি তাঁর  প্রেম  সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর জীবনে এসেছে একাধিক নারী। হ্যারিয়েট,  মেরী, ফ্যানি ও এলিয়েন। কিন্তু তাদের কাউকে নিয়ে তিনি  পরিপূর্ণভাবে তৃপ্ত হতে পারেননি।

 

 

 

 

কবি মায়াকোভস্কি :

রাশিয়ান বিপ্লবের কবি মায়াকোভস্কি তার  কৈশরেই এলসা ত্রিয়লের  প্রেমে পড়েন। এলসা ত্রিয়লে পরবর্তীকালে বিখ্যাত ফরাসী কবি হন ।  তিনি আর এক বিখ্যাত ফরাসী কবি লুই আরাঁগকে বিয়ে করেন। মায়াকোভস্কি এলসার  বোনকে বিয়ে করেন।  কিন্তু ট্রাজেডি এটাই  যে, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি এলসাকে ভালোবেসে  গেছেন ।  বিপ্লব  শেষে  প্রেমে ব্যর্থ এই কবি   অত্যন্ত অসহায়  বোধ করতে লাগলেন। এক সময় জীবন অর্থহীন মনে হওয়ায় আত্মহত্যা করলেন। তাঁর মৃতদেহের পাশ  থেকে যে চিরকুটটি পাওয়া যায়  সেখানে  স্ত্রীর উদ্দেশ্যে  লেখা ছিল ‘লিলি আমাকে একটু ভালবেসো।’

(সংগৃহীত)

(চলবে)

Author: রক্তবীজ ডেস্ক

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts

One thought on “বিখ্যাত মানুষেরে প্রমের কথা