পুরুষের পিছনে নারীর হাত

মটকু ভাই

সম্মোহন বিদ্যা  মটকু ভাই : সম্মোহন বিদ্যা আবার কী গো? মটকু ভাইয়ের স্ত্রী : সম্মোহন বিদ্যা জানলে দ্বিতীয় কোনো মানুষকে নিজের বশে রেখে তাকে দিয়ে ইচ্ছেমতো কাজ করানো যায়। মটকু ভাই : ওটা আবার সম্মোহন বিদ্যা নাকি? ওটা তো বিয়ে।   বিষয় : খোয়াবনামা নতুন বছরের প্রথম দিনে ঘুম ভাঙতেই মটকু ভাইয়ের স্ত্রী ছুটে গেল তার স্বামীর কাছে। গদগদ স্বরে বলল, ও গো, শুনছ, কাল রাতে আমি দারুণ একটা স্বপ্ন দেখেছি! মটকু ভাই : কী স্বপ্ন দেখেছ? স্ত্রী : দেখলাম, নতুন বছরের প্রথম দিন উপলক্ষে তুমি আমাকে সুন্দর একটা হীরার…

Read More

এক ছাদের নিচে – মটকু ভাই

এক ছাদের নিচে - মটকু ভাই

এক ছাদের নিচে – মটকু ভাই সবার বাড়ির ওপর একটা ছাদ থাকে। মটকু ভাই তোমার বাড়ির ওপর তো দেখছি বারোটা ছাদ, ঘটনা কী? মটকু ভাই : হ্যাঁ, মাসে মাসে আবার সেগুলো পরিবর্তনও হয়। : কেন? : আমার স্ত্রী যাতে বলতে না পারে এক ছাদের নিচে জীবন পার করে দিলাম। মেসেজ করে জানিয়ে দেব মটকু ভাই বলছেন তার স্ত্রীকে মটকু ভাই : শোনো। আমার যদি ব্যবসার কাজ শেষ না হয়, ফিরতে দেরি হয় তাহলে আমি তোমাকে মেসেজ করে জানিয়ে দেব। স্ত্রী : তার আর দরকার নেই। আমি এরই মধ্যে পড়ে ফেলেছি।…

Read More

ডাইনি, তুই আমার জীবনটা শেষ করে দিলি

মটকু ভাই

মটকু ভাই অনেক বিচার বিশ্লেষণ করে অনেক খেটে খুটে নিমোক্ত তথ্যগুলো আবিষ্কার করে তার নোট বইতে লিখেলেন বিষয় : হাতের লেখা পুরুষ : লেখা কোনো রকমে পড়া গেলেই হলো। কাকের ঠ্যাং-বকের ঠ্যাং কী হচ্ছে তা নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না। নারী : লেখা হতে হবে মুক্তোর মতো ঝরঝরে। বিষয় : কেনাকাটা নারী : প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লিস্ট বানিয়ে বাজারে গিয়ে সেগুলো কিনে আনে। পুরুষ : যতক্ষণ না বাড়ির চাল-ডাল সব শেষ বলে বউ চেঁচাতে শুরু করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাজারে যেতে চায় না। বাজারে গিয়ে যা পছন্দ হয় তা-ই কিনতে চায়। কখনো…

Read More

সারপ্রাইজ গিফট?

সারপ্রাইজ গিফট?

বন্ধু : তোর স্যুটটা তো বেশ সুন্দর। কোথায় পেলি? মটকু ভাই : এটা আমার স্ত্রী আমাকে দিয়েছে একটা সারপ্রাইজ গিফট হিসেবে। বন্ধু : কেমন সারপ্রাইজ গিফট? মটকু ভাই : আমি অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখি সোফার উপর এই স্যুটটা পড়ে আছে। বুঝলাম তোর ভাবি এটা আমার জন্যই রেখেছে।     মটকু ভাই : ঈশ্বর নারীর আগে পুরুষ সৃষ্টি করলেন কেন? স্ত্রী : কারণ, প্রতিটি মাস্টারপিস তৈরির আগে একটি খসড়া করা প্রয়োজন।     এক নারী তার প্রতিবেশীর সঙ্গে গল্প করছিলেন :আজ সকালে আমি এক ভিক্ষুককে ১০০০ টাকা দিয়েছি। :পুরো ১০০০টি…

Read More

মাঝরাতে মটকু ভাইয়ের স্ত্রী

মাঝরাতে মটকু ভাইয়ের স্ত্রী

: এই শোনো, আজ দুস্থ সেবাশ্রম থেকে পুরোনো কাপড়চোপড় চাইতে দুজন লোক এসেছিল। : দিয়েছ কিছু? : হ্যাঁ, তোমার দশ বছরের পুরোনো শার্টটি আর গত সপ্তাহে কেনা আমার শাড়িটা দিয়েছি।     মাঝরাতে মটকু ভাইয়ের স্ত্রী মটকু ভাইকে ডেকে তুলল। ফিসফিস করে বলল, এই ওঠো, ওঠো। কাল আমি যে পুডিং বানিয়ে ফ্রিজে রেখেছিলাম ঘরে চোর ঢুকে ফ্রিজ খুলে সেই পুডিং খাচ্ছে! স্বামী বিছানায় উঠে বসে বলল, কাকে ডাকব, পুলিশ না অ্যামবুলেন্স?     প্রথম বন্ধু : কিরে, তোর চোখের ওপর ব্যান্ডেজ কেন? গালেও তো দেখছি চোট লেগেছে। গতকাল সন্ধ্যায়ও না…

Read More

গাধা আমি কোথায় পাব

মটকু ভাই : দেখ, তোমার ছেলে কী ভাবে কাঁদছে। সকাল থেকে বায়না ধরেছে গাধার পিঠে চড়ে ঘুরবে। গাধা আমি কোথায় পাব? স্ত্রী : গাধার দরকার নেই। তোমার পিঠে চড়িয়ে ঘোরাও, আর গাধার মতো ডাকো।দেখবে কান্না থেমে গেছে। মটকু ভাই প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করে। একদিন সে তার স্ত্রীকে বলল, তোমার কাছে আমার কৃতজ্ঞতার অন্ত নেই। আর তাই স্থির করেছি, আমার সদ্য তৈরি ভাইরাসটির নাম দেব তোমার নামে ডালিয়া।   মটকু ভাই : সিনেমার শেষে প্রধান চরিত্র মারা গেলে সেটিকে শুভ সমাপ্তি বলা সম্ভব? স্ত্রী : সম্ভব, যদি প্রধান চরিত্র হয় শাশুড়ি।…

Read More

সাড়ে চার হাজার টাকা বেরিয়ে গেছে

মটকু ভাইকে খাইয়ে নববধু সলজ্জ কন্ঠে জানতে চাইল, এভাবে পুরোটা বছর যদি রোজ রোজ তোমাকে নিজ হাতে রান্না করে খাওয়াই তা হলে বিনিময়ে আমি কী পাওয়ার আশা করতে পারি? গম্ভীর মুখে মটকু ভাই বলেছিল, আমার জীবন বীমার সব টাকা।   বন্ধু : কাল আমার ছেলেটার চোখে একটা বালি পড়ল। ডাক্তার দিয়ে বের করাতে গিয়ে একশ টাকা বেরিয়ে গেল। মটকু ভাই : আরে ভাই, আমার তুলনায় ও তো কিসসু না। গতকাল বেড়াতে গিয়ে বউয়ের চোখে একটা শাড়ি পড়েছিল : একসাথে সাড়ে চার হাজার টাকা বেরিয়ে গেছে।   নব বিবাহিত দম্পতির মাঝে…

Read More