রাজ্জাক: প্রথম যে নায়কের প্রেমে পড়েছিলাম

  রাজ্জাক: প্রথম যে নায়কের প্রেমে পড়েছিলাম/ আফরোজা পারভীনআজ খুব মনে পড়ছে ছোট্ট শহর নড়াইলে যেদিন সিনেমা হল হলো সেদিনটির কথা। সাল তারিখ মনে নেই। হলের নাম ‘চিত্রাবাণী’। নড়াইলের টাউন হল কিছুটা বদলে সিনেমা হলের আদল দেয়া হল। সিনেমা হল হলো, কিন্তু আমরা হারালাম সারা বছর অনু্ষ্ঠান, নাটক লেগে থাকা টাউন হলটাকে। একইসাথে তাই আনন্দ বিষাদ দুটোই ছিল। তবে আনন্দের ভাগ বেশি ছিল। সিনেমা হল বলে কথা। সারা শহরে মাইকিং হলো, আসিতেছে নড়াইল চিত্রাবাণী সিনেমা হলের রূপালী পর্দায়.. আসিতেছে। আর  ওই হলে যেদিন প্রথম সিনেমার প্রথম প্রদর্শনী হল সেদিন ছোট্ট…

Read More

মেজর জিয়াউদ্দিন আর নেই

মেজর জিয়াউদ্দিন​

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউদ্দিন আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল হাসপাতালে মেজর জিয়াউদ্দিন মারা যান। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। মেজর জিয়াউদ্দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলারও সাক্ষী ছিলেন। জিয়াউদ্দিন বেশ কিছুদিন ধরে কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি ঘটলে গত ১ জুলাই তাঁকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। মেজর জিয়াউদ্দিন ১৯৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে পিরোজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।…

Read More

মহাবীর আলেকজান্ডার এর তিন অন্তিম অভিপ্রায়

Alexander_the_Great_mosaic

মৃত্যু শয্যায় আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন – ” আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে। এতে যেন কোনো ব্যঘাত না ঘটে.. ” আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে – ** ” শুধু আমার চিকিৎসকেরা আমার কফিন বহন করবেন “। আমার দ্বিতীয় অভিপ্রায় – ** ” আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে, সেই পথে আমার কোষাগারে সংরক্ষিত সোনা, রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর ছড়িয়ে দিতে হবে “। আমার শেষ অভিপ্রায় – ** ” আমার কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে “। তাঁর…

Read More

তাসমিমা হোসেন, একজন​ অনন্যা

তাসমিমা হোসেন। নিজ পরিচয়ে উদ্ভাসিত এক নারী। পাক্ষিক অনন্যা পত্রিকার সম্পাদক। অনন্যা  সাহিত্য পুরস্কার আর অনন্যা শীর্ষদশ নামে দুটি পুরস্কার দিয়ে গুণী আর শীর্ষ নারীদের সম্মানিত করছেন দীর্ঘদিন ধরে।  বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। একাধারে নিপুণ হাতে চালিয়ে যাচ্ছেন দুটি পত্রিকা। সংসদ সদস্য ছিলেন। নারীদের নিয়ে ভাবেন, কাজ কতে চান। হাসিখুশি, আমুদে, মিশুক, দিলখোলা এই নারীর সাথে ইত্তেফাক অফিসে আলাপ করেছেন কথাশিল্পী আফরোজা পারভীন। বিশালাকার সুস্বাদু চমচম আর মোয়ায় আপ্যায়ন করেছেন।সাথে খোলামেলা কথা বলেছেন । সেই কথামালার  বিস্তারিত: আ.পা:  কেমন আছেন আপা? তা. হো: ভাল । এ বয়সে যতটুকু ভালো…

Read More

একজন সমাজ সেবক মোঃ মতিয়ার রহমান মোল্যা

মোঃ মতিয়ার রহমান মোল্যা প্রচার বিমুখ একজন মানুষ।গ্রামের বাড়ি বর্তমান শাহাবাদ ইউনিয়নের চরবিলা। চার বছর বয়সে পিতাকে হারিয়েছিলেন। উচ্চ পর্যায়ের কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না।কিন্তু জ্ঞানের ভান্ডার ছিলেন।বই পড়া তার নেশা ছিল।রুপগঞ্জ বাজারে ‘ইসলামিয়া লাইব্রেরী’ নামে একটি লাইব্রেরী ছিল। পরে যার নাম হয় ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরী।’ওখান থেকে বই সংগ্রহ করে পড়তেন। ১৭ বছর নয়নপুর-দূর্গাপুর ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট(চেয়ারম্যান) ছিলেন।নয়নপুর স্কুল,দূর্গাপুর রাস্তা,এরকম অনেক সামাজিক ও সংস্কারমূলক কর্মকান্ড তিনি করেছেন। তখন এখনকার মতো ফলক উন্মোচন হতো না।নড়াইলে এক সময় বড় ভাই নামে পরিচিত মোঃ মতিয়ার রহমান সাদাসিধা মানুষ । কিন্তু সৌখিন ছিলেন।বঙ্গবন্ধু যখন আওয়ামীলীগ গঠন…

Read More

আরজ আলী ও লামচরি সন্দর্শনে 

দেশের ক্ষণজন্মা, স্বশিক্ষিত দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর। বরিশালের লামচরি গ্রামে তাঁর নিবাস। প্রথমে কৌতূহল তারপর খোঁজখবর অবশেষে গবেষণা। আমাদের পশ্চাদপদ সমাজে তাঁকে পরিচয় করানো দরকার। তাঁর দার্শনিক তত্ত্বে সমৃদ্ধ রচনা সামগ্রি মেলে ধরাও দরকার। এই তাড়নায় ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এই টানা প্রায় ৬ বছর ধরে ঢাকা–বরিশাল যাতায়াত। উঁই–কাটা জীর্ণশীর্ণ ইতস্তত বিক্ষিপ্ত আরজ আলীর যাবতীয় পাণ্ডুলিপি এখানে সেখানে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় ছিল। সেগুলো কয়েক বছর ধরে অনুসন্ধানে উদ্ধার করা গেল। অতপর জীবনী রচনা করা হলে বাংলা একাডেমি’র তৎকালীন মহাপরিচালক ড মাহমুদ শাহ কোরেশী সাহেব অতি আগ্রহে তা গ্রহণ করে স্বল্পতম সময়ে…

Read More

কেন এভাবে চলে গেলেন আগরতলা ষ​ড়​য়ন্ত্র মামালার আসামী মতিউর রহমান?

লোহাগড়া উপজেলার মধুমতি তীরবর্তী মাকড়াইল গ্রামে ১৯৩৬ সালের ১লা ডিসেম্বর লেঃ মতিউর রহমান জন্মগ্রহন করেন।পিতা সুলাইমান মোল্লা গ্রামের প্রভাবশালী মাতুব্বর।গ্রামের মক্তবে লেখাপড়ার হাতেখড়ি।এলাকায় ভালো স্কুল না থাকায় ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত মাগুরার একটি স্কুলে অধ্যয়ন করেন।অংক বিষয়ে ছিলেন অত্যন্ত দুর্বল। জোকার ওস্তাদজী ইউসুফ মিয়ার তত্ত্বাবধানে গণিত শাস্ত্রের উপর দুর্বলতা কেটে যায়​। অংকে লেটার নম্বরসহ কৃতিত্বের সাথে লাহুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিক পাস করেন। সর্বশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতশাস্ত্রে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ হতে বিএড ডিগ্রি লাভের পর ১৯৬১ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনীর এডুকেশন কোরে এসিসট্যান্ট লেফটেন্যান্ট পদে চাকুরীতে প্রবেশ করেন।…

Read More