সম্পাদকীয়

ঈদ মোবারক

ঈদ শব্দটার মধ্যে যেন কি একটা  আছে । কেমন এক রিনিক ঝিনিক বাজনা!  কেমন যেন চঞ্চল হয়ে ওঠে মন। একটা উৎসব উৎসব দোলা লাগে মনে। যে  যাই বলুক না কেন, এটা কিন্তু লাগেই। অনেকে বলেন, আমিও মাঝে মাঝে বলি, এখন আর কিসের ঈদ  । ঈদ ছেলে-মেয়েদের জন্য । এটা ঠিক ছেলেবেলায় ঈদে আমরা উথাল পাথাল আনন্দ করতাম।  সেই অবিরাম ঘোরাঘুরি, সেলামি নেয়ার প্রতিযোগিতা, সেমাই পোলাউ  খাওয়ার ধুম এখন নেই। সম্ভবও না। নাগিরক জীবন এখন অনেক ব্যস্ত। কিন্তু এখনকার  আনন্দটা অন্যরকম। ঠিক সেইরকম, আমাদের ছেলেবেলায় বাব-মায়েরা যেমন আনন্দ পেতেন । সন্তান…

Read More

সম্পাদকীয়

editorial

আজ বাবা দিবস। বিশ্বের সব বাবার প্রতি অনি: শেষ শ্রদ্ধা। বাবা এক অপার ভালবাসা আর অসীম নির্ভরতার নাম। এ নাম নিজেকে উজাড় করে সন্তানের নিরাপত্তা  বিধানের। এ এক উদার বটবৃক্ষ, যার স্নেহময় পত্রপুটের সুশীতল ছায়ায় আমরা নির্বিঘ্ন নিশ্চিন্ত নির্ভয়। আজ সেই বাবাদের স্মরণে একটি দিন। যদিও আমি বিশ্বাস করি, বাবার জন্য পৃথক কোন দিবসের প্রয়োজন নেই। বাবা সন্তানের প্রতি মুহূর্তের সাথি। সাথি আনন্দ-বেদনায়, চিন্তায়-বিনোদনে, প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তিতে।তাই একটি বিশেষ দিনে, বিশেষভাবে তাকে স্মরণ করে স্মরণের গন্ডিটাকে সীমাবদ্ধ করার কোন প্রয়োজন নেই। তারপরও কথা থেকে যায়। পৃথিবী আজ আগ্রাসী যন্ত্রদানবের  চাকায়…

Read More

সম্পাদকীয়

যার চেতনার রংয়ে পান্না সবুজ আর চুনি লাল হয়ে ওঠে তিনি রবীন্দ্রনাথ। আমাদের চিরচেনা রবীন্দ্রনাথ। আমাদের রক্ত কনিকার বুদ্বুদে, নিঃশ্বাসের আন্দোলনে ,ঘুমের গাঢ়ত্বে, জাগরণের আনন্দে যিনি জেগে থাকেন তিনি রবীন্দ্রনাথ। আমাদের কবিগুরু, বিশ্বকবি, আমাদের সকল ধ্যান, সকল জ্ঞান সকল  আবেগের কেন্দ্রবিন্দু। আমরা তাঁকে আশ্রয় করে বাঁচি, তাঁর প্রশয়ে বাঁচি। যে কোন জরা, প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি, বেদনায় ওপরতলার আমরা তথকে নিম্নতলায় অবস্থান যে রিক্সাওয়ালা, মজুরও জীবনের কোন না কোন সময় রবীন্দ্রনাথকে আশ্রয় করেন। গুণগুণিয়ে গেয়ে ওঠেন, ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে ওগো বিদেশীনি’ কিংবা ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে।’ আজ সেই…

Read More

সম্পাদকীয় (৭ই মার্চ)

7th March Speech of Sheikh Mujibur Rahman

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। আমাদের স্বাধীনতার বীজতলা। এক মহানায়কের বজ্রকণ্ঠে সংগ্রামের মন্ত্রোচ্চারণের দিন। দৃঢ় শপথ আর অমিত প্রত্যয়ে বেগবান হবার দিন। লক্ষ কোটি সালাম জানাই সেই মহানায়ককে। একটি স্বাধীন দেশের মুক্ত মাটিতে দাঁড়িয়ে দৃপ্ত কন্ঠে কথা বলবার স্বপ্ন যিনি দেখিয়েছিলেন। যিনি ছিলেন আমাদের বরাভয় । আমাদের বাতিঘর। আর সালাম জানাই সেই বীর ভাই-বোনদের নিজের রক্তের তেজে ধুয়ে যারা এনেছেনে এই স্বাধীন স্বদেশ । সম্ভ্রম আর কান্নার বিনিময়ে এ দেশ যাদের অর্জন সেই বোনদের। আর নিজের অঙ্গ খুইযে দেশকে যারা পূর্ণাঙ্গ করেছেন সেই মানুষগুলিকে। আমাদের মুক্তিযোদ্ধা ভাই-বোন, তোমরা আমাদের সূর্যসন্তান। তোমরা…

Read More

সম্পাদকীয়

শুভেচ্ছা জানবেন। আজ ফাল্গুন মাসের প্রথম দিন। মন রাঙানো দিন। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে অবিরাম শুনছিলাম কোকিলের ডাক। পলাশ আরকৃষ্ণচূড়ায় আগুন লেগেছিল বনে বনে। বাসন্তি সাজে তরুণি-যুবতী জানিয়ে দিয়েছিল বসন্ত এসেছে, তার আসন পেতেছে।মেলে দিয়েছে সুবাসিত পল্লবিত ডানা। আর আসছে কাল ভালবাসা দিবস। বসন্তকে সখি করে এলো ভালবাসার দিনটি। এই যুগলবন্ধনে আপ্লুত আমরা। এ এক অদ্ভুত মাস। ভাষা আন্দোলনের গৌরবগাথার মাস, একুশের রক্ত ঝরানোর মাস। আমাদের ভালবাসা  আর শ্রদ্ধার মাস। আমাদের অহঙ্কার আর কাঁদনের মাস। এইত কদিন আগেও আমরা কাঁপছিলাম শীতে। সারাদেশে জাঁকিয়ে পড়েছিল শীত । রাজধানীতে…

Read More

সম্পাদকীয়

  ছেলেবেলা থেকেই সাহিত্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটেছিল আমার জীবনে। একটা অভিজাত রাজনৈতিক পরিবারের উদার আবহে আমার জন্ম । আমরা ছিলাম বর্ধিত পরিবারের বাসিন্দা। পরিবারে সবসময়ই বাবা মা ভাইবোনের বাইরে সমাগম ছিল ভিন্ন চিন্তার, ভিন্ন ধর্মের অসংখ্য মানুষের । আমি শৈশবেই ভাগ করে নিতে আর ভাগ দিতে শিখেছিলাম। আপন পরের ভেদ কখনই বুঝিনি, বুঝিনি ধর্ম আর বর্ণের ভেদও। বুঝতে দেননি আমার বাবা-মা। তারা ছিলেন অসাধারণ মানুষ! আমার বাবা বিনা পয়সায় হাসিমুখে গরিব মানুষের মামলা লড়তেন। আর মাকে দিনভোর প্রচুর রাঁধতে হতো। সেই রান্নার মাঝেই মার ঘর্মাক্ত হাতে ধরা থাকত বই।…

Read More