একটি পাখি ও বঙ্গবন্ধু

একটি পাখি ও বঙ্গবন্ধু

আমার ছিলো একটি দোয়েল পাখি- মধুর সুরে সকাল বিকেল করতো ডাকাডাকি। আমার আছে- লাল সবুজের নিশান রক্ত দিয়ে এনেছিল তাঁতী মজুর কৃষাণ। বাংলাদেশের বজ্র কন্ঠি যে স্বর সজীব এক নামেতে চিনে তাকে বঙ্গবন্ধু মুজিব। রাজাকার আর মির্জাফরও কুচক্রীদের হাতে জাতির পিতা হত্যা করে ওরা কালো রাতে। খুনীর বিচার আজ হয়েছে ওদের গলায় ফাঁসী কোটি কোটি বাঙালিদের সবার মুখে হাসি।   Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More

বঙ্গবন্ধুর ভাষণে

বঙ্গবন্ধুর ভাষণে

শব্দ আছে নানান রকম শব্দ আছে গুলির নদীর যেমন শব্দ আছে শব্দ আছে তুলির। কাজে কর্মের শব্দ আছে শব্দ আছে হাসির ঝরা পাতার শব্দ আছে শব্দ আছে বাঁশির। শব্দ আছে আন্দোলনের শব্দ আছে দাবির শব্দ আছে ধর্মঘটে ভাঙতে তালা-চাবি।। শব্দ আছে ফেব্রুয়ারির শব্দ আছে মার্চের শব্দ আছে গ্রেনেড বোমার এবং গাড়ির পার্চে। ভয়াবহ শব্দ ছিল পাকিস্তানি শাসনেে এই পৃথিবীর সেরা শব্দ বঙ্গবন্ধুর ভাষণে। আলম তালুকদার Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More

ভাষণ

ভাষণ

সারা বিশ্বে বাঙালিদের দিতে হবে আসন সাতই মার্চে বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন ভাষণ। সেই ভাষণই ছিলো যে তাঁর স্বাধীনতার ডাক বীর বাঙালি অস্র হাতে থাকেনি নির্বাক। মার্চ মাসেতে শুরু হয়ে ডিসেম্বরে শেষ বঙ্গবন্ধুর চেষ্টাতে আজ পেলাম বাংলাদেশ।   Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More

একুশ এক বিপুল বিস্ময়

একুশ এক বিপুল বিস্ময়

দিগন্ত বিস্তৃত সবুজের সমারোহে ফাগুনের শাখায় যখন ফুটেছে বসন্ত শিমুল পলাশ শহীদের রক্তে লাল মায়ের ভাষার দাবিতে উত্তাল রাজপথ রক্তের ধারায় প্রবাহিত হৃদয়ের ক্ষরণ মিছিলের সারিতে সারিতে ছাত্রের বিদগ্ধ উচ্চারণ! যখন বজ্রমুষ্ঠি স্লোগানে আকাশ প্রকম্পিত– মঞ্চের মালঞ্চে যখন কাঞ্চন উদভ্রান্ত তখন পুলিশের কার্তুজে বড় ভয়ানক গর্জন। ভয় পেয়ো না মা। কে কবে কিছু না চেয়ে পেয়েছে অনন্ত অধিকার? আমরা ছিনিয়ে আনব আমাদের একান্ত    হৃদয়ের ভাষা– আমরা ছিনিয়ে আনবো আমাদের জন্মাবধি মানচিত্র স্বাধীকার– যেভাবে মেঘ থেকে বৃষ্টিকে ছিনিয়ে আনে নির্দ্বিধায়। এবং উঙ্কুরোদগম বৃক্ষ থেকে প্রশাখা। তুমি সাহস দাও সীমান্তের উত্তাল দিগন্তে…

Read More

একুশ আমার অহংকার

মার মুখ থেকে প্রথম পেয়েছি তোমায়।    তুমি আছো আমার ঘুমপাড়ানি গানে আমার শৈশবের রূপকথায় আমার গানে, গল্পে আমার কবিতার পাতায়। তুমি আছো আমার প্রেমে, বিরহে   আমার সকল প্রার্থনায়। আছো আমার দুঃখে, শোকে    আমার সকল ব্যর্থতায়। তুমি আমার সেই অহংকার ভাষার জন্যে কোন জাতি দেয় নি যা আর একুশ তোমায় আমি বড় ভালো বাসি রক্তের আখরে  তুমি যে  বেঁধেছো আমায় Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More

কংক্রিট নগরে

পাশ্চাত্যের রাত নেমেছে এ কংক্রিটের নগরে উধাও হয়েছে তাই প্রাচ্যের বিন্যাসিত নিসর্গ নক্ষত্রের আলো প্রত্যাখাত বেদনায় ফিরে যায় চন্দ্র মেঘের মায়াবী জোছনা সংগোপনে কাঁদে। মানুষের অসুখে আক্রান্ত হয়েছে অ্যাপার্টমেন্ট কোথাও চিকিৎসা নেই তার, নেই কোন নিদান জঞ্জালের স্তূপে শুধু কিলবিলে ইঁদুরের দৌড় নিহত কৃষ্ণচূড়ায় ঝুলে থাকে সন্তাপিত শোক দীর্ঘশ্বাসের মিছিলে মিশে হরিণীর চিৎকার গন্তব্য তাদের বিনাশী খাদ শ্বাপদ উপত্যকা। শাফাত শফিক Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More

কুতুপালং থেকে বহেড়াতলায়

কুতুপালং থেকে বহেড়াতলায়

ফিরছি সমুদ্রপাড়- বায়ুসেবী টেকনাফ থেকে। কুতুপালং-উখিয়া শরণার্থীপাড়া- এবার বিদায়। ডাকছে বাংলা একাডেমি বইমেলা, ভাষা-জাগরণ মধু হই হই মধু বই বই… বিনোদন। কি বই খাওয়াইলা ও মেলার মহাজন। ডাকছে বহেড়াতলা, লিটলম্যাগ চত্বর…। স্মৃতিতে কঠিন সেই সত্যাগ্রহ সাময়িকীদিন। যাপিত লিটলম্যাগ গেম, হয়তো প্রথম প্রেম, প্রথম তারুণ্যঘেঁষা ফুটন্ত ফসল- সাহিত্যচেষ্টার করতল, মাঠচষা মফস্বল। ভুলিনি হস্তকম্পোজ, অক্ষরের পরে অক্ষরবসানো খেলা, গ্যালী, তরুণের পাশে প্রথম তরুণী, প্রেম- তার চেয়েও অধিক ছিলো-      যখন লিটলম্যাগ সঁপিলেম! ফিরছি কষ্টপাড়া কুতুপালং থেকে। শরীরে রোহিঙ্গা শরণার্থী গন্ধ। কাহিনি দস্তুর, উদ্বাস্তুর। ফিরছি সুগন্ধি নিতে সদ্যপ্রকাশ সাময়িকীর। জানিনা কাগজ আর কতোদিন! পর্যুদস্ত…

Read More

ভাষা অবমাননায় যাপিত জীবন

ভাষা অবমাননায় যাপিত জীবন সাঈফ ফাতেউর রহমান

নিজের সাথে নিজে প্রতারণা করে চলেছি অবিরাম। মাতৃভাষার জন্য নিবেদিত আমি বহিরঙ্গে অন্তরঙ্গে হৃদয় নিবিড়ে সোচ্চার উচ্চারণে প্রগলভতায় যতোই নিনাদিত করি চারদিক, নিজেই নির্ভুল জানি, মাতৃভাষাকে আমি হৃদয়ে লালন করিনা, পালন করিনা শুদ্ধাচারে সুমার্জিত প্রভায়, ধারণ করিনা ব্যক্তি জীবনের প্রাত্যহিকতার, জীবনাচারের সকল সরল ও বঙ্কিম পথরেখা বা অনুক্রমে। কেবলই প্রদর্শনাচার আমাদেরকে ঘিরে থাকে কেবলই আনুষ্ঠানিকতায় আবৃত থাকি আমরা আমূল কেবলই বাক-সর্বস্বতা, কেবলই সাময়িকতার বৃত্তে আঁটকে থাকি স্বেচ্ছায় কেবলই আমরা দিবস বা মাসের ঘেরাটোপে আবদ্ধ করে রাখি একুশে চেতনা শুদ্ধতায় শিষ্টতায় অনুরাগে সারল্যের শুভ্রতায় ধারণ লালন করিনা মাতৃভাষাকে বন্দী-মাতৃভাষা দিবস-কারাগারের অন্তরালে…

Read More

একুশের কবিতা

একুশের কবিতা

 ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ? বরকতের রক্ত। হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে, সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে ! প্রভাতফেরীর মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা বিষাদগীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা। চিনতে না কি সোনার ছেলে ক্ষুদিরামকে চিনতে ? রুদ্ধশ্বাসে প্রাণ দিলো যে মুক্ত বাতাস কিনতে ? পাহাড়তলীর মরণ চূড়ায় ঝাঁপ দিল যে অগ্নি, ফেব্রুয়ারির শোকের বসন পরলো তারই ভগ্নী। প্রভাতফেরী, প্রভাতফেরী আমায় নেবে সঙ্গে, বাংলা আমার বচন, আমি জন্মেছি এই বঙ্গে। আল মাহমুদ Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More

বেপরোয়া কাব্য

শীতের ঝিরঝির বাতাসে

মৃদুমন্দা বাতাস কখনো আমাকে বলেনি চুমু দীর্ঘ হবে মিলন মেলার। শীতের ঝিরঝির বাতাসে কাঁপেনি প্রিয়ার ঠোঁট চুমুতে ছিল আমার সাত রঙের উষ্ণতা। রাখালিয়া বাঁশি সুমধুর ঝরনার জলকেলি সুর মাঝরাতে শিৎকার কোনটাই পর নয়। আমি উষ্ণ মেলার পথিক শীত কী বসন্তকাল দুপুর কি রাত তাতে আমার কি আসে যায়।   Share this…FacebookGoogle+TwitterLinkedinPinterestemail

Read More