চার্চিল-এলভিস-ক্যাথেরিনের​ খাবার বিলাস


১৯৫৪ সালের কথা । বিমানে ভ্রমণ করছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টোন চার্চিল। নাস্তার জন্য তাঁকে মেনু পছন্দ করতে বললে তিনি পছন্দ করেছিলেন কাঁদাখোচা পাখির মাংস। দিনের প্রথম খাবারটা তিনি শুরু করতেন নিজের পছন্দের মেনু দিয়ে। কয়েক বছর আগে তার নিজের লেখা খাবারের মেনু নিলামে ওঠে। আর তা দেখে বোঝা যায়, চার্চিল কতটা ভোজনরসিক ছিলেন।
কাঁদাখোচা পাখির মাংস ছাড়াও দুটো প্লেটে সাজিয়ে দেয়া হতো তার পছন্দের খাবার। নাস্তার প্রথম ধাপে থাকত ডিমপোজ, টোস্ট , মাখন জ্যাম আর মাংস । দ্বিতীয় দফায় থাকত আঙুর, এক বাটি মিষ্টি, হুইস্কি সোডা আর প্রিয় সিগারেট।

ফুড জানালিস্ট ‘সেভ এমিনা’ তার ‘দি ব্রেকফাস্ট বাইবেল’ গ্রন্থে এ তথ্য তুলে ধরেছেন। বইটিতে বিখ্যাত ব্যক্তিদের নাস্তার বর্ণনা দেয়া আছে।
বিখ্যাত পপ গায়ক এলভিস প্রিসলিও নানা পদ দিয়ে নাস্তা করতে ভালবাসতেন। মাখন আর অতিরিক্ত লবণ​ দিয়ে রান্না করা ছয়টি ডিম, এক পাউন্ড বেকন, আধা পাউন্ড সসেজ বা পিনাট বাটার আর বানানো স্যান্ডউইচ ছিল তার সকালের খাবারের নির্ধারিত মেনু।

১৯৬২ সারের আগে ইংরেজরা নাকি নাস্তায় চা পান করতো না। রাজা দ্বিতীয় চার্লসের স্ত্রী ক্যাথেরিন ডি ব্রাগাঞ্জা ব্রিটেনে চায়ের প্রচলন ঘটান। পর্তুুগালের মেয়ে কাথেরিনের চায়ের নেশা ছিল। পর্তুগালের রাজদরবারেও চা প্রিয় পানীয় ছিল। সে যাই হোক, রাণীর চা পানের খবর সাধারণের মধ্যে ছড়িযে পড়তেই ব্রিটেনেও চায়ের চল শুরু হয়। নাস্তার সাথে জ্যাম জেলি যোগ করাতেও তার অবদান রয়েছে।

Author: সংগৃহীত

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts