মিতুদির বান্ধবীর স্বর্গ দর্শন

এক বিকেলে মিতুদি এসে আমাকে বললেন, ‘আমি ঢাকেশ্বরী মন্দিরে কাল মায়ের নামে ভোগ দেবো। তাই তোমাকে বলতে এলাম। আর শোনো কাল আমরা দুজনে একসাথেই চলে যাবো।
আসলে হয়েছে কি জানো অনেকদিন পরে আমার প্রিয় একজন বান্ধবী আমেরিকা থেকে এসেছে। তার নাকি খুব ইচ্ছে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে ভোগের প্রসাদ খাবে। আমি তাই আরও কয়েকজনকে আসতে বলেছি মায়ের ভোগ নেবার জন্যে।
আমি বললাম,  ‘বেশ।কাল কখন যেতে হবে মিতুদি?’ মিতুদি বললেন, ‘দুপুর একটায় গেলেই চলবে।
পরদিন ঘড়িতে দুপুর পৌনে একটার সময়ে আমি তড়িঘড়ি করে নেমে আসলাম মিতুদির ফ্ল্যাটে। দেখি মিতুদির পরণে সদ্য পাট ভাঙা একটি সুন্দর তাঁতের শাড়ি।এক হাতে তিনি ভ্যানিটি ব্যাগ ধরে আছেন আর অন্য হাতে পলিব্যাগে মোড়া প্রমান সাইজের দুটি স্টেইনলেসের হাঁড়ি
মিতুদি আমাকে দেখেই বলে উঠলেন, ‘চলো চলো হাতে আর তেমন সময় নেই।‘  এটুক বলেই আর এদিক ওদিক না তাকিয়ে হন্তদন্ত হয়ে হাঁড়ি দুটি হাতে নিয়েই রওয়ানা দিলেন
আমি মিতুদির হাতে হাঁড়ি দেখে জিজ্ঞেস করলাম। হাঁড়ি দিয়ে কি হবে মিতুদি? আপনি তো মন্দিরেই ভোগের প্রসাদ নেবার ব্যবস্থা করেছেন।
(আগামীবারে সমাপ্ত)

Anupa Dewanji
অনুপা দেওয়ানজী

 

Author: অনুপা দেওয়ানজী

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts