গ্রেটওয়ালের দেশে – ১৭তম পর্ব

Tianjin-china

সতেরো ডিসেম্বর দুহাজার ষোল। প্রতি উইকেণ্ডে বেড়ানোর সুযোগ নিয়ে থাকি। আজ গিয়েছিলাম বেইজিং এ্যাকুয়ারিয়াম(Beijing Acquarium)। সকাল সাড়ে ন’টায় বেইজিং ওয়েস্ট রেলওয়ে স্টেশনের পাশের আমাদের হোটেল থেকে বাসে যাত্রা করে এক ঘন্টায় পৌঁছে গেলাম আমাদের কাঙ্ক্ষিত বেইজিং এ্যাকুয়ারিয়াম। আমাদের সাথে আজ রয়েছে গাইড মিস জেসি। একুয়ারিয়াম বলতে আমরা ঢাকার বাসাবাড়িতে বা দোকানে বা হোটেল রেস্তোরায় যে সব এ্যাকুয়ারিয়াম দেখে থাকি, পাঠক দয়া করে সে রকম ভাববেন না। কিছুক্ষণ পরেই বুঝতে পারবেন এই এ্যকুয়ারিয়ামের বিশালত্ব আর প্রকার। জনপ্রতি ১৬০ আরএমবি করে টিকেট কেটে গেটের অভ্যন্তরে প্রবেশাধিকার পেলাম। গাইড মিস জেসি গেটে আমাদের…

Read More

গ্রেটওয়ালের দেশে- ১৫তম পর্ব

গ্রেটওয়ালের দেশে- ৪র্থ পর্ব

বারো ডিসেম্বর দুহাজার ষোল। আজ পাওয়ার প্লান্টে পৌঁছুতে সকাল দশটা দশ বেজে গেল। রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম ছিল।আজ সকালে টীম এ, বি ও সি এর ক্লাস ছিল।এর মধ্যে অর্ধেকের প্লান্ট ভিজিট, বাকী অর্ধেকের সিমুলেশন ক্লাস। পাওয়ার প্লান্ট কিভাবে চালানো হয়, তারই গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশনই হলো সিমুলেশন। ক্লাস শেষে হোটেলে এসে সরাসরি তৃতীয় তলায় ডাইনিং রুমে। লাঞ্চ সেরে নিজ রুমে একটু বিশ্রাম নেয়া হলো। তারপরই আমরা বেরিয়ে পড়লাম সাবওয়ে ধরে ওয়াং ফু জিং স্ট্রীটের উদ্দেশ্যে। হোটলের পাশেই বেইজিং ওয়েস্ট রেলওয়ে স্টেশন। এখান থেকে  নয় নং লাইন ধরে মিলিটারি মিউজিয়াম স্টেশন। তারপর লাইন ট্রান্সফার…

Read More

গ্রেটওয়ালের দেশে

এক নভেম্বর দুহাজার ষোল। চীনের সাথে আমাদের দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বাইরেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক এতদূর নিবিড় যে, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে চীন ভ্রমণ আমাদের নাগরিকগণের কাছে একেবারে নস্যিতুল্য। কিন্তু আমার কখনো যাওয়ার সুযোগ হয়নি। সুযোগ এল হঠাৎ । দুহাজার ষোল খৃষ্টাব্দের পয়লা নভেম্বর ফ্লাইট। ঢাকা থেকে সবচাইতে কমন চৈনিক বিমান পরিবহন সংস্থা চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনে আমার যাত্রাসূচি স্থির হলো। আমার সফরসঙ্গী তিনজন কর্মকর্তা সালাউদ্দিন, সুমন দাস ও মিশু । ডিপার্চার চেকিং সেকশন (ডিসিএস) থেকে ডিপার্চার চেকিং করে মালপত্র কনভেয়ার বেল্টে দিয়ে দিলাম। বোর্ডিং কার্ড ইস্যুকালিন ডিসিএস এর কর্মকর্তাকে বললাম, ভাই প্রথমবার…

Read More