আমাদের সুবোধ কি সত্যি পালিয়ে যাচ্ছে?

সুবোধ তুই পালিয়ে যা

“সুবোধ তুই পালিয়ে যা” শিরোনামে নিচের প্রতীকী  দেয়াল চিত্রগুলো কিছুদিন বেশ আলোচনায় ছিলো। এখনো মাঝেমধ্যে অন লাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় এগুলো নিয়ে লেখালেখি হয়। রাজধানীর আগারগাঁ ও মহাখালিসহ কয়েকটি জায়গায় রাস্তার পাশের দেয়ালে এই গ্রাফিতিগুলো আঁকা ছিলো। আগারগাঁর সামরিক যাদুঘরের দেয়ালে আঁকা চিত্রগুলো মিরপুর থেকে বাসে আসা-যাওয়ার সময় আমার মতো অনেকেরই চোখে পড়তো। চিত্রগুলো রহস্যপূর্ণ। দেখে বোঝা যায় আনাড়ি হাতের নয়, বরং দক্ষ ও মেধাবী শিল্পীর কাজ। স্বদেশে দুর্বৃত্তের কাছে সহজ-সরল ও সুবুদ্ধিসম্পন্ন ভালো মানুষের পরাজয় এ চিত্রগুলোতে প্রতীকিভাবে বোঝানো হয়েছে, বুঝিয়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তবে প্রতিবাদের ভঙ্গিটা চমৎকার।…

Read More

জীবন কেনো এমন হলো

জীবন কেনো এমন  হলো? এই জীবনের জন্যে আমি সবটুকুই কি দায়ী বলো? শিশুকালে স্বপ্নে দেখা সেই জীবন কি পাবো সখা? কে হবে আর সেই দরদি, বুকের কাছে তিতাস নদী ভালোবেসে ফিরিয়ে দেবে? — এই যে জীবন যাপন করি অন্ধকারে হাতড়ে ফিরি কী খুঁজি বা কাকে রাজি করতে সদাই প্রদীপ জ্বালাই খুব গভীরে মনের বালাই দূর করা তাই আর হলোনা, নিজের কাছেই নিজের জীবন খুব অচেনা লাগছে এখন! — রূপকথার এক রাজ্য ছিলো কী সুন্দর সে বাল্যকালে, রাজকুমারের মতো আমার কাটতো জীবন হেলেদুলে। আকাশের ঐ চাঁদটি যেন নেমে আসতো দোরের কাছে,…

Read More

অনামিকা

অনামিকা

শৈশবে দাদীর কাছে রূপকথার অনেক গল্প মুগ্ধ হয়ে শুনতাম আর কল্পনায় রুপকথার স্বপ্নরাজ্যে চলে যেতাম। পাতালপুরীর দৈত্যের প্রাসাদে বন্দিনী রাজকন্যাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা সেই রাজকুমারই ছিলো তখন আমার জীবনের আইডল। রাজকন্যাকে উদ্ধার করতে গিয়ে কত বিপদের সামনে পড়তে হতো রাজকুমারকে! বাঁধা ডিঙিয়ে শত্রুকে পরাজিত করে, দৈত্যের প্রাণভ্রমরাকে মারতে পারলে তবে দৈত্যের মৃত্যু। তারপর পালঙ্কের সোনার কাঠি-রূপার কাঠির স্পর্শে রাজকন্যার ঘুম ভাঙিয়ে তাকে নিয়ে দৈত্যপুরী থেকে বেরিয়ে আসা রাজকুমারের বীরত্বে মুগ্ধ হতাম। বড় হয়ে নিজেও সেই রাজকুমারের মতো হবো- এমনটাই ভাবতাম। তবে সেই রাজকন্যাকে উদ্ধারের পথে অনেক ছলনাময়ীর ছলনার ফাঁদও…

Read More