খনার বচনে বিবাহযোগ্যা নারী নির্বাচন পদ্ধতি

খনার বচনে বিবাহযোগ্যা নারী নির্বাচন পদ্ধতি

আজ থেকে ১৫০০ বছর পূর্বে জন্ম নেওয়া ইতিহাসের এককিংবদন্তি খনা বা ক্ষণা োন এক শুভক্ষণে তার জন্মবলে নাম দেওয়া হয় ক্ষণা আরক্ষণাথেকেইখনানামের উৎপত্তি বলে মনে করা হয় খনা ছিলেন সিংহলরাজার কন্যা কথিত আছে, খনার আসল নাম লীলাবতীতিনি ছিলেন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী তাঁর রচিতভবিষ্যতবাণীগুলোই মূলতখনার বচননামে আমরাজানি

 

 

 

 

খনার বচনে বিবাহযোগ্যা নারী নির্বাচন পদ্ধতি

প্রথম মত

ধুম্রবর্ণা অধিকাঙ্খী অথবা রোগিণী।

বাচালা অথবা হয় পিঙ্গল বরণী।

নক্ষত্র নামিকা হয় বৃক্ষের নামিনী।

নদী পক্ষী অহি কিংবা নামে অন্তগিরি

ভীষণ নামিকা কিম্বা দুতী নামধারী।

এসব বিবাহযোগ্যা কদাচ না হয়

জ্যোতিশ্য বচন অর্থে এইরূপ হয়।

যেসব মেয়ের গায়ের রঙ ধুম্রবর্ণ, যে কন্যা দীর্ঘাঙ্গী, রোম শূন্য বা অধিক লোমাবৃত, বাচাল, পিঙ্গলাবর্ণা, নক্ষত্রের নামে নাম, বৃক্ষ ও নদীর নামে যার নাম, দুতী নামধারীনী এসব মেয়েকে বিয়ে করা উচিত নয়। কারণ এসব লক্ষণা নারীরা সেকালে কুলক্ষণা বলে বিবেচিত হতো।

দ্বিতীয় মত

তার মধ্যে বিবাহ কর্তব্য নেই

জ্যোতিস প্রমাণ মতে লিখিলাম এই।

গঙ্গা কি যমুনা বা গোমতী, সরস্বতী

বৃক্ষ নামেতে হয় রেবতী আশ্বিনী।

অথবা রোহিনী হয় অশুভ নাশিনী।

 

তৃতীয় মত

ঠ্যারা চক্ষু হয় চঞ্চল লোচনা

দু”শীলা অথবা হয় পিঙ্গলা বরণা।

হাস্যকালে গণ্ডস্থলে কূপ হয়ে যার

বন্ধকী জানিও তারে কহিলাম সার।

 

চতুর্থ মত

শ্যামাংগী সুকেশী তনু লোমরাজি কান্তা।

সুভুরু সুশীলা কিম্বা সুগতি সুদন্তা॥

মধ্য ক্ষীণা যদি হয় পঙ্কজ নয়নী।

কুলহীনা হইলেও বরেষ্ট দায়িনী॥

কুদন্তা অথবা হয় অধিক ব্যাপিকা।

পিঙ্গল লোচনা অঙ্গ ষষ্টী সলোমিকা॥

মধুগুষ্টা যদি হয় রাজার বালিকা।

কুলে শো হইলেও অরিষ্ট দায়িকা॥

Author: রক্তবীজ ডেস্ক

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Related posts