জাতির জনকরে গ্রেফতার, রর্বাট ফ্রস্ট ও র্পূবাপর

২৫ র্মাচ রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রফেতার করা হয়। এর আগে ২৪ মার্চ সকাল থেকে অগণিত মানুষের ঢল নামে শেখ মুজিবের বাসভবনের সামনে। একের পর এক জঙ্গি মিছিল এসে জড়ো হতে থাকে। লুঙ্গি-পাঞ্জাবি পরে তিনি মুক্তিপাগল জনতার সামনে এসে দাঁড়ান। তিনি তাদের বলেন: আমি জানি না সংগ্রামকে সুতীব্র করতে আমি আপনাদের আদেশ দেবার জন্যে বেঁচে থাকবো কীনা, অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। (বাংলাদেশ ডকুমেন্টস: প্রথম খুন্ড, পৃষ্ঠা-২৬৭) হামলা পরিকল্পনা, যার নামকরণ করা হয় ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ অনুমোদন দিয়ে সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট হাউস থেকে হোটেলে ফিরে সাংবাদিকদের সামনে ইয়াহিয়া বললেন: আমরা…

Read More

আতেলেকচ্যুয়াল

যাচ্ছ কোথায়? বহুদূর…….। কি কাজে? এমনি ঘুরে বেড়াচ্ছি। ভালো লাগে না ! আমিও তোমার মতোন। চল এক সাথে-কেমন? Okay-fine. (সময়: নাইনটিন সিক্সটি-নাইন) একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরী। কি ব্যস্ততা! শীতের রাতে-আমাদের বাড়ির খোলা জায়গাটায়। ওহ! কি Panoramic viwe চারদিকে। সবশেষ!….মানুষের জন্য। অল স্টুডেন্ট-ইস্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি….। সেদিন তুমি ছোট্টবেলাকার এক গল্প শুনিয়েছিলে। ক্লাসিক টাইপের। ‘আব্বুর পোস্টিং ঢাকার বাইরে এক মফঃস্বল শহরে। বড় মামা ঢাকা থেকে বেড়াতে এসেছে। সাথে করে এনেছে আমাদের জন্য ক্রিকেট খেলার সবকিছু- একসেট আরও রয়েছে নানা বাড়ির তৈরি শীতের পিঠা, মুড়ি-মোয়া- নাড়ু– আর মজাদার খানা হাসের মাংস। -কনকনে শীতের রাতে…

Read More

ক্লিওপেট্রা এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ক্লিওপেট্রা পৃথিবীতে বেঁচে ছিলেন মাত্র ৩৯ বছর। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় তাঁর মত আলোড়ন আর ক‘জন তুলতে পেরেছে? তিনি একাই ইতিহাস কাঁপিয়েছেন। তাঁর নামের সঙ্গে মিশে আছে সৌন্দর্য, মোহনীয়তা, ক্ষমতা আর উচ্চাভিলাস। এবার আসুন সংক্ষেপে জানা যাক তাঁর জীবন কাহিনী।মহাবীর আলেকজান্দার মিসর জয় করার পর নাম রাখেন আলেকজান্দ্রিয়া। টলেমিক বংশ এ নগর শাসন শুরু করেন। এ বংশের ইরিয়াকের কন্যা ক্লিওপেট্রা যিনি পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত নারী শাসক। ইরিয়াকের মৃত্যুর পর রাজ্যের ভার পড়ে ক্লিওপেট্রার উপর। তৎকালিন মিশরীয় রীতি অনুযায়ী ক্লিওপেট্রার একজন সঙ্গী থাকা বাধ্যতা মূলক। রাজ রক্ত রক্ষায় ১৮বছর বয়সী ক্লিওপেট্রা বিয়ে…

Read More

বাতিঘর

অদেখার ছলে কেটে গেছে দেখো কতটা সময়                      ছিলে না তো তুমি প্রণয়ের রাখি করেছে জয় ,                      কবিতার ঘরে বসন্ত আসে মৃদু হাওয়ায় ,                      চিরচেনা তবু অচেনা কোকিল আমাকে কাঁদায়।                      তোমার জমিনে চাষ-বাস নেই সেই কতো দিন                      দীর্ঘ খরায় রোদে ভিজে আজ এতোটা মলিন।                      হয়েছো মলিন, ক্ষতি নেই তাতে কবিতার নদী                      ভাসাবে তোমারে ঢেউ খেলা চোখে রহ নিরবধি।                      ফাগুনে আগুন জ্বেলেছিলে কবে হৃদয়ের কাছে,                      সেই সে প্রদীপ বাতিঘর হয়ে আজো জেগে আছে।

Read More

বিদেশীদের চোখে বাংলাদেশের গণহত্যা-৬

(পূর্ব প্রকাশিতের পর​) অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের রিপোর্ট হিন্দুর বিলয়ন অস্থি মজ্জায় কাঁপন ধরানো সামরিক কার্যক্রমের দুটি স্পষ্ট বৈশিষ্ট্য দৃশ্যমান। হত্যার মতো অপ্রিয় শব্দের বদলে একটি কোমল শব্দ ব্যবহার করতে কর্তৃপক্ষ অধিকতর পছন্দ করে। পূর্ব বাংলাকে পশ্চিম পাকিস্তানের একটি বশ্য উপনিবেশ বানানোর যে প্রক্রিয়া চলছিল,  সাধারণভাবে উচ্চারিত এবং সরকারীভাবে বার বার প্রজ্ঞাপিত “দুষ্কৃতকারী” “অনুপ্রবেশকারী” শব্দ দুটি হচ্ছে সেই ধাঁধার অংশই-যা দিয়ে বিশ্বকে বোঝানো হচ্ছে। প্রচারণাটা ছুঁড়ে ফেলে দিলে বাস্তবতাটা দাঁড়াবে ‘উপনিবেশকরণ’ এবং ‘হত্যাযজ্ঞ’। হিন্দু বিলয়নের যৌক্তিকতা পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক গভর্নর লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান তার এক রেডিও ভাষণে শব্দের মারপ্যাচে তুলে ধরেছিলেন।…

Read More

১৯৭১ ফিরে দেখা ২০১৭-৩

২৫ মার্চ, ১৯৭১ । বিকেলের ট্রেনিং শেষে কেন যেন মনে হলো যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। গত কয়েক দিন অবন্তীকা নিউক্লিয়াস থেকে বাহার ভাই বাসায় ফেরেনি। হয়তো শহরে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে । সবাইকে বললাম, আগামীকাল খুব ভোরে ট্রেনিং শুরু হবে । লেট করা যাবে না । ইতোমধ্যে নতুন যা ঘটেছিলো, আমার বড় ভাইয়ের ছেলে টুটুলের অংশগ্রহণ । অর্থাৎ আমাদের পরিবারের তিনজন তখন মুক্তিযোদ্ধা, বাহার ভাই, আমি ও টুটুল । আমারা দু’জন সন্ধ্যায় একসঙ্গে ফ্লাটে ফিরলাম । অদ্ভুতভাবে সেই রাতে আমারা যাকে ‘মিঞা ভাই’ বলে সম্বোধন করি তাঁর   স্বৈর শাসন ও ভাবির…

Read More

বীরাঙ্গনা : বিড়ম্বনা ও স্বাধীন বাংলাদেশ

বীরাঙ্গনা শব্দের আভিধানিক অর্থ  ‘বীর নারী’। যুদ্ধকালীন সময়ে যে সকল নারীরা লাঞ্ছিত,  নির্যাতিত, নিপীড়িত হয়েছেন তাঁরাই বীরাঙ্গনা।  নির্মম জঘন্য যৌন অত্যাচার নীরবে সহ্য করে জীবনকে রক্ষা করেছেন যারা তাঁরাই বীরাঙ্গনা। যুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে বীর নারীদেরকে ধর্ষিতা রমণী, দুঃস্থ রমণী’ ক্ষতিগ্রস্ত মহিলা, ধর্ষণের শিকার, যৌন নির্যাতনের শিকার, ভাগ্যবিম্বিতা ইত্যাদি নামে  অভিহিত করা হত। কিন্তু  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সমস্ত ভাগ্যহীনা, ভাগ্যবিড়ম্বিতা নারীদেরকে বীরাঙ্গনা খেতাবে ভূষিত করেন। তিনি তাদের মর্যাদা সমুন্নত করেন। ১৯৭২ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি সরকার ‘বাংলাদেশ মহিলা পুনর্বাসন বোর্ড’ গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকালীন নির্যাতিত ধর্ষিতা মহিলাদের জাতীয়…

Read More