দুর্ভাগ্য রজনী  ও বীরের মৃত্যু

পনের আগস্ট রাতের ভয়াবহতা, বিভীষিকা ও রহস্যময়তা নিয়ে  নতুন করে আষাঢ়ে গল্প ফেঁদে একটি স্বার্থান্বেষী মহল আবারো  পানি ঘোলা করার প্রয়াস পাচ্ছে।কাদা পানিতে  মাছ ধরার সেই অসাধু খেলাই  হবে হয়ত। এমনটি ভাবার সঙ্গত কিছু কারণ ঘটেছে সম্প্রতি। কিন্তু কুশিলব  কারা ?সেকথা জনা হয়নি  এখনও । তারা বলছে সে রাতে ক্ষমতা দখলের জন্যে দুটো সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছিল।প্রথম অভ্যুত্থান হয়েছিল ভারত-সোভিয়েত  সমর্থিত একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর  নেতৃত্বে।তারা বামপন্থী ।তারা শহর ঘিরে ফেলেছিল।বড় সেনাবাহিনী ছিল তাদের হাতে।“সেই অভ্যুত্থানেই বঙ্গবন্ধু শহীদ হন।” তারা আঙুল তুলছে শেখ ফজলুল হক  মনি  ও আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের দিকে।নেপথ্যে ছিলেন…

Read More

সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

রাজনীতি নিরপেক্ষ নির্বাচনী মোর্চা পাইয়োনিয়ার্স ফ্রন্টের কর্ণধার বদরুল। ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের আমি। বদরুলের নেতৃত্বাধীন পাইয়োনিয়ার্সফ্রন্টের মনোনয়নে শাহাদাত জিতে গেলো সাধারণ সম্পাদক পদে।আমার দলের প্রার্থী সেন্ট গ্রেগোরির মেধাবী ছাত্র ওসমান ফারুক (সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী)মাত্র ৫ ভোটে হেরে গেলো। মিষ্টভাষী সদালাপি শাহাদাতের চোখে মুখে একটা বিনয়ের হাসি কাঁঠালের আঠার মত লেগেই থাকতো। সেটাই তাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছিল। এদিকে বছর না গড়াতেই বিমান বাহিনী থেকে ডাক আসলো তার । তাতে সাড়া দিয়ে সে টাটা বাই বাই করে বিদায় নিলো।প্রমোদ সম্পাদক মহীউদ্দীন খান আলমগীর ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের   সাধারণ সম্পাদকের বাড়তি দায়িত্ব পেলো।তার…

Read More

ঘনঘোর শ্রাবনে মহামানবের মহাপ্রয়ান

“ব্যাকুল বেগে আজি বহে যায় /বিজুলি থেকে-থেকে চমকায় / যে কথা এ জীবনে রহিয়া গেলো   মনে /সে কথা আজি যেন বলা যায় /এমন ঘনঘোর বরিষায় ”   “মিছে জীবনের কলরব/ কেবল আঁখি দিয়ে আঁখি সুধা পিয়ে/ হৃদি দিয়ে হৃদি অনুভব/ আঁধারে মিশে গেছে আর সব” ঘনঘোর বর্ষার দিনে এই ছিল কবির নিজের অনুভব।কবি চলে গেলেন সেই শ্রাবণ দিনে তাঁর শত কোটি ভক্তহৃদয়ের  আকাশও তেমনি আঁধারে ছেয়ে গেলো। কেঁদেছিল  মানুষ সেদিন।ছিলনা জীবনের কোন কলরব!   ২২ শ্রাবণ ।আকাশভরা সঘন মেঘে ঢাকা কলকাতার সড়কে তিল ঠাঁই নেই।সারি সারি অশ্রু সজল মানুষের…

Read More

সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

রাজনীতি নিরপেক্ষ নির্বাচনী মোর্চা পাইয়োনিয়ার্স ফ্রন্টের কর্ণধার বদরুল। ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের আমি। বদরুলের নেতৃত্বাধীন পাইয়োনিয়ার্স ফ্রন্টের মনোনয়নে শাহাদাত জিতে গেলো সাধারণ সম্পাদক পদে।আমার দলের প্রার্থী সেন্ট গ্রেগোরির মেধাবী ছাত্র ওসমান ফারুক (সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী)মাত্র ৫ ভোটে হেরে গেলো। মিষ্টভাষী সদালাপি শাহাদাতের চোখে মুখে একটা বিনয়ের হাসি কাঁঠালের আঠার মত লেগেই থাকতো। সেটাই তাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছিল। এদিকে বছর না গড়াতেই বিমান বাহিনী থেকে ডাক আসলো তার । তাতে সাড়া দিয়ে সে টাটা বাই বাই করে বিদায় নিলো।প্রমোদ সম্পাদক মহীউদ্দীন খান আলমগীর ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকের বাড়তি দায়িত্ব পেলো।তার…

Read More

হরিষে বিষাদ,  মায়ের চোখে জল

হরিষে বিষাদ মায়ের চোখে জল শামসুল আরেফিন খান

অবচেতন  মনে ডুবে থাকা অনেক  বেদনা বিধুর স্মৃতি  খুবই ভারি । কোন  কোন স্মৃতি আবার পাখির পালকের মত হালকা ।সে সব স্মৃতি মনকে আপ্লুত করে আনন্দে ।খুশিতে মনটা ভরে ওঠে। ছোটবেলার তেমন একটা  স্মৃতিকথা ভেবে মনে হচ্ছে কতই না সরল আর বোকা ছিলাম তখন।আমার  চেয়ে এগার বছরের বড় ভাই ‘শ্রীকান্ত’ পড়ছিলেন বিছানায় শুয়ে।আমার  ৫ বছর ও ৩ বছরের বড় দুই বোন আর আমি শুনছিলাম সে গদ্যকাহিনী তার শিয়রে বসে। সব কথা বুঝার বয়স তখনও হয়নি।তবুও বললাম, ভাইজান  ওই জাগাটা আবার পড়েন। কোন জাগা ? আমি বললাম, ওই যে কিলা কিলির…

Read More

আমি আপনারে ছাড়া করিনা কাহারে কূর্ণিশ

বিশ্বসাহিত্যে একেক সময় এক এক ধরণের ইজমের বা দার্শনিক মতবাদের প্রভাব এসেছে। কখনও সুপিয়ারিলিজম, কখনও মিস্টিসিজম,কখনও ফিউচারিলিজিম।এমন শতাধিক ইজম আবর্তিত হয়েছে সৃজনশীল মননে। মানুষের চিন্তা উপলব্ধি ও বোধ পরিবর্তিত হয়ে এগিয়ে যায় পরিপক্কতার দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ইজমের প্রভাব ব্যাপক হয়ে ওঠে।এরকম একটি ইজম বা দর্শন হ’ল অস্তিত্ববাদ, ইংরেজি ‘এক্জিসটেনশিয়ালিজম’।মানব হৃদয়ের ক্ষরণে জর্জরিত আত্মা , এক সময় দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে অস্তিত্ববান হয়ে ওঠে এবং শক্ত অবস্থান গ্রহণ করে। কখনও প্রতিবাদী, কখনও সংগ্রাম মুখর হয়ে ওঠা।বেঁচে থাকাটাই চরম সত্য।এ বোধ কার্যকর হয়, একনিষ্ঠ হয়। এ বোধ থেকেই…

Read More

বিশ্বকবির চরণে ‘মুগ্ধ জননীর’  প্রণাম

সাগর সৈকতে অধিষ্ঠিত  থেকে নিশি অবসানে, নির্ঘুম নয়নে, অরুণরবির  রাজসিক উদয় অবলোকনের  বিরল সৌভাগ্য  আজও আসেনি অধমের অর্জনে।তবে  আমি  দেখেছি গোধূলির রক্তিম আকাশ।দেখেছি অনশ্বর সৌররাজের  ধীর গম্ভীর অস্তাচল নির্গমন।দমিত নমিত হয়ে জল ছুঁয়ে মহর্ষির পদস্পর্শ করে প্রণাম  জানাবার নিরন্তর প্রয়াস পেয়েছি বারবার শতবার ! আটলান্টিক আমার নাগালের ভিতর  প্রায় একযুগ।সাগরের স্বাদ পেতে আকন্ঠ জলপান অনাবশ্যক ! অসম্ভবও বটে !অনাবশ্যক একারণে যে একবিন্দু জল আস্বাদন করলেই  অনন্ত অসীম বারিরাশির স্বাদ অনুভবে  লব্ধ হয়। সীমাহীন অন্তহীন অতলান্ত মহাসলিলকে আত্মস্থ করাও  সম্ভব না। কেবল অঞ্জলি ভরে তারে ক্ষণকাল অন্তরীণ করা যায়।সাগরে অবগাহন করে…

Read More