মনে পড়ে মনে আছে/-মাশহুদা  মাধবী

মনে পড়ে মনে আছে/-মাশহুদা  মাধবী.......

বহুদিন থেকে নেই সেই চাঁদ,/ফুল,পাখী, নদী,/ঘাস,বন,ভোরের শিশির বিন্দু/সব গেছে ঝরে।…. কতযুগ নেই দেখা,/অতি দূর কোন দ্বীপে/পথিক সেই প্রিয়জন। ভুলে গেছে সবকিছু……..। সেই  রূপকথা অতীত সময় /মাধবী কুঞ্জবীথির অচিন দুপুর আর/সেই অপরূপ  ফাল্গুনী দিন/……………………… তবু মাঝেমাঝেই কিযে হয়!/কোন সে স্মৃতি দিনের উতল বাতাস…/চুপিচুপি বলে যায়./……………… .. ভুলিনি কিছুই আজো /মনে আছে সবই সুনিপুণ /মনে পড়ে,মনে আছে/সে কি ভোলা যায়?

Read More

রবীন্দ্রনাথ/মানসুর মুজাম্মিল

রবীন্দ্রনাথ/মানসুর মুজাম্মিল

তুমি তার পাশে থাকো যে জন্মেছে তোমাকে জাগাতে যার বাড়ি জোড়াসাঁকো জোড়াসাঁকো । তুমি বারবার যার দিকে বাড়াবে হাত সে হলো তোমার প্রিয় রবীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথ । তোমার চোখকে ধাঁধিয়ে দেবে তোমার স্বপ্ন শানিয়ে দেবে তোমাকে ভাবাবে দিনরাত ‘সোনারতরী’তে আসবে সে জন রবীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথ । ‘যোগাযোগ’ করে চিঠি দেবে তুমি তার ‘ডাকঘর’এ ‘শারদোৎসব’ এ ঠিক যাবে তুমি ধর্ম তোমাকে দেবেনা ভাগ করে । লিখে লিখে তুমি পাড়া করো মাত তোমার কাঁধে হাত দিয়ে তোমাকে সাহস জোগাবে রবীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথ । তুমি যে ভাবছো তুমি যে লিখছো সে যে তোমার জাত তোমাকে টেনে…

Read More

আমার আমি ৫/ফিরোজ শ্রাবন

আমার আমি ফিরোজ শ্রাবন

প্রতিদিন রুটিন মতো সব ভাইবোন একসাথে পড়তে বসা আর বিকেল হলে হাত মুখ ধুয়ে হারিকেনের চিমনী ধুয়ে পড়ার টেবিলে বসা অনেক বিরক্তিকর ছিল। আবার জোৎন্সারাতে যখন নিজেকে দেখতাম পড়ার টেবিলে আর বাড়ির অন্যরা উঠানে গল্প আর খেলায় মত্ত তখন নিজেকে বন্দী পাখি মনে হত। তাই শুধু  অপেক্ষা করতাম কখন রাতের খাবারের জন্য ডাক আসবে। রাতের খাবার খেয়ে আবার পড়তে বসলে পড়ার টেবিলেই ঘুম চলে আসত। আর বই বন্ধ করে বসে থাকতাম কখন যেন ঘুমের মধ্যেই বিছানায় চলে যেতাম নিজেও জানতাম না। সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখতাম নিজের বিছানায় আর অবাক হতাম…

Read More

অভিশপ্ত ভালোবাসা/মোঃ শহীদ হোসেন হৃদয়

অভিশপ্ত ভালোবাসা

আজ ৩ দিন হয়ে গেল সুবন্যার সাথে ডিভোর্স হয়েছে হৃদয়ের। কোন যোগাযোগ নেই একজনের সাথে আরেকজনের। দুইজন দুই দিকে। অথচ এই দুইজনই এক সময় উত্তল সঙ্গমে কাটিয়েছে কত শত রাত। ৫ বছর এক সাথে থাকার পর কি যেন মনে হলো, সুবন্যা হৃদয়কে ছেড়ে চলে যায়।   প্রেম করে বিয়ে করেছিলো হৃদয় আর সুবন্যা। শপথ করেছিলো এক সাথে থাকবে দুজন সারাজীবন। এক মেলায় প্রথম দেখে হৃদয় সুবন্যাকে। হৃদয় ঢাকা থেকে গ্রামে আসে ছুটিতে। দেখে ভালো লাগে সুবন্যাকে হৃদয়ের। তারপর  হৃদয় সুবন্যাকে প্রোপোজ করে। গ্রামের মেয়ে সুবন্যা। প্রোপোজে সুবন্যাা রাজি হয়।  …

Read More

গ্রন্থাগার, পাঠ সংকট /মানসুর মুজাম্মিল

গ্রন্থাগার, পাঠ সংকট

শেখার জায়গা হলো বই । জানার জায়গা বই । পাঠাগার জ্ঞানের অন্যতম উৎস । বই কিনে পড়ার মতো অবস্থা সবার থাকে না । আর কটা বই বা কেনা যায় ? কিনে রাখার মতো পরিবেশ কই । মানুষের দু’রকম খাদ্য প্রয়োজন । খাবার যাবে পেটে । বুদ্ধি যাবে মাথায় । আমরা খাবারের পিছে যা খরচ করি তার ১% ও যদি বই কেনার পিছে দিতাম !   কখনো কখনো দেখা যায় পাঠাগার আছে পাঠক নেই । তবে কী ওখানে পাঠারা থাকবে ? পাঠারা কথা বলতে পারে না । উদ্ভাবন করতে জানে না…

Read More

প্রকৃতির সন্তান/হাসনাইন সাজ্জাদী

প্রকৃতির সন্তান

প্রকৃতির সন্তান হারিয়ে যাওয়া ফুল পাখি এলেবেলে মেঠো পথ হেটেছিল শুভক্ষণে আমার সাইত্রিশ বসন্ত। আমি বিয়ের পিড়িতে বঞ্চিত সে নিঝুম রাতে আমার বাসরে। ফুলের মত মেয়েটি কল্পনায় সে আমার আজও ফুটে হুল হয়ে আজো ভালোবাসি। বিলম্বে মা হবার চেষ্টা তার আমি দূর থেকে ফুঁকে দেই গর্ভ প্রকৃতির অলৌকিকত্বে সাফল্য দ্বারপ্রান্তে প্রকৃতি আমার ই। উত্তম পুরুষ ঘড়ির কাটায় ছুঁয়ে যায় সময়ের পরিমাপ জীবনের জলছবি আঁকা জেরস্কপি মেশিনে। মহাকাশ ফেরি করে গ্যাস ভর্তি বেলুনে সাত রঙ ধারাপাত খুঁজে কে বা কারা আনমনে। ধূসর বাতাসের তুলোয় কে উড়ে ট্রাফিক আইল্যান্ডে কার্বনডাইঅক্সাইড ঝড়ে শিশায়…

Read More

গ্রেটওয়ালের দেশে – ২৫তম পর্ব

গ্রেটওয়ালের দেশে

ছিং হুয়াং দাও স্টেশনের বাইরে আমাদের জন্য একটি ট্যুরিস্ট বাস অপেক্ষমাণ ছিল। শহরটি একটি সমুদ্রের পাড়ে। পূর্ব চীন সাগরের সৈকত । আমাদের সকলের সমুদ্র দেখার আকুতি ছিল। বাস আমাদের সমুদ্রসৈকত লাগোয়া একটি সী-ফুড রেস্তোঁরায় নিয়ে এলো। রেস্তোঁরায় বিভিন্ন ধরণের সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি মজুদ ছিল। কিছু কিছু আইটেম রান্না করে সাজানো ছিল আবার কিছু আইটেম গরম গরম রান্না বা ফ্রাই করে দেয়া হচ্ছে। ভাত, চিকেন ফ্রাই, বিভিন্ন ফলমুল, চকোলেট, কেক, পেস্ট্রি, আইসক্রিম, ইয়োগার্ট, সফট ড্রিংক, চৈনিক বীয়ার, চৈনিক মদিরা সবই ছিল।যার যার পছন্দ মত খাবার নিয়ে বিশাল হোটেল…

Read More

রম্য কাহিনি/অনুপা দেওয়ানজী

পিঠে-রক্তবীজ-অনুপা দেওয়ানজী

শীতকাল আসলেই মা নানা রকম পিঠে বানাতেন।  ভাপা, চিতুই, চসি,পুলি , পাটিসাপটা, গোকুলপিঠা,চন্দ্রপুলি আরো কত রকমের! দিদিমার কাছ থেকে শেখা মায়ের চিতুই পিঠে বানাবার কায়দা ছিলো একেবারেই অন্যরকম। খই ভিজিয়ে সেটা পিষে নিয়ে চালের গুঁড়োর কাইয়ের সংগে মিশিয়ে সেই চিতুই তৈরি হত। পিঠেগুলি যেমন ফুলতো  তেমনি আবার মোলায়েমও হত। সে পিঠের ওপরে তারপরে ছড়ানো হত নলেন গুড় দিয়ে তৈরি করা পাতলা ক্ষীর।     ভারি চমৎকার লাগতো খেতে।   এছাড়া নারকেল কুচো আর কিশমিশ দিয়ে রসের পায়েসও করতেন। রসের কথায় মনে পড়ছে কাঁচা রস খাবার কথা।   কোয়ার্টারের অদুরেই ছিলো পাশাপাশি…

Read More

খনার বচনে টিকটিকি তত্ত্ব

Khonar Bochon খনার বচন

আজ থেকে ১৫০০ বছর পূর্বে জন্ম নেওয়া ইতিহাসের এককিংবদন্তি ‘খনা’ বা ‘ক্ষণা।‘ কোন এক শুভক্ষণে তার জন্মবলে নাম দেওয়া হয় ‘ক্ষণা।‘ আর ‘ক্ষণা‘ থেকেই ‘খনা‘ নামের উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। খনা ছিলেন সিংহলরাজার কন্যা। কথিত আছে, খনার আসল নাম লীলাবতী।তিনি ছিলেন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী। তাঁর রচিতভবিষ্যতবাণীগুলোই মূলত ‘খনার বচন’ নামে আমরাজানি।   দিকের নির্ণয় করি বুঝহ সুবুদ্ধি ঊর্ধভাগে হলে ধন ভোগ কার্যসিদ্ধি। পূর্বদিকে অগ্নিকোণে হলে ভয় হয় দক্ষিণেতে অগ্নিভয় জানিহ নিশাচয়। নৈঋুতে কলহ লাভ পশ্চিমেতে ভাব। বায়ূকোণে নববস্ত্র, গন্ধ, জয় লাভ। টিকটিকি আর হাঁচি যদি এক যোগ হয় স্ত্রী লাভ কারণে তাহা জানিবে নিশ্চয়। উত্তরে টিকটিকির ডাকে সুখলাভ কারণ ঈশানে হৈলে মৃত্যু কে করে বারণ।   খনার বচনে গর্ভবতীর পেটের সন্তানের জেন্ডার নিরুপণ বা খনার বচনে গর্ভস্থ সন্তানের স্বরূপ নির্ণয় পদ্ধতি: বানের পেটে দিয়ে বান পেটের ছেলে গুণে আন। নামে মাসে করি এক আটে হবে সন্তান দেখ। এক তিন থাকে…

Read More

আজ পহেলা বৈশাখ

আজ পহেলা বৈশাখ ফিরোজ শ্রাবন

গাছে গাছে আমের মুকুল দেখে ভাবি পহেলা বৈশাখ এলো বলে। গ্রামে একটা সুন্দর ব্যাপার হল প্রকৃতি আপনাকে বলে দেবে এখন কোন কাল চলছে গ্রীষ্ম, বর্ষা, নাকি শরৎকাল। তবে অনেকে হয়ত ১৪২৫ বঙ্গাদে এসে বলবেন, এখন প্রকৃতির রূপ নির্ণয় করা কঠিন । সত্যি কথা যাই হোক, গ্রামে আমরা সাধারণত গাছের মুকুল দেখেই ভাবতাম বৈশাখ এলো বলে। কিন্তু কবে আসবে তা জানার জন্য বড়দেরকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতে হত । কারণ পহেলা বৈশাখ মানে কিন্তু বৈশাখীমেলা । আমি সব কিছু ভুলতে পারি বৈশাখীমেলার কথা ভুলতে পারবো না । শৈশবের এই আনন্দের দিন কি…

Read More