সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

রাজনীতি নিরপেক্ষ নির্বাচনী মোর্চা পাইয়োনিয়ার্স ফ্রন্টের কর্ণধার বদরুল। ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের আমি। বদরুলের নেতৃত্বাধীন পাইয়োনিয়ার্সফ্রন্টের মনোনয়নে শাহাদাত জিতে গেলো সাধারণ সম্পাদক পদে।আমার দলের প্রার্থী সেন্ট গ্রেগোরির মেধাবী ছাত্র ওসমান ফারুক (সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী)মাত্র ৫ ভোটে হেরে গেলো। মিষ্টভাষী সদালাপি শাহাদাতের চোখে মুখে একটা বিনয়ের হাসি কাঁঠালের আঠার মত লেগেই থাকতো। সেটাই তাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছিল। এদিকে বছর না গড়াতেই বিমান বাহিনী থেকে ডাক আসলো তার । তাতে সাড়া দিয়ে সে টাটা বাই বাই করে বিদায় নিলো।প্রমোদ সম্পাদক মহীউদ্দীন খান আলমগীর ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের   সাধারণ সম্পাদকের বাড়তি দায়িত্ব পেলো।তার…

Read More

ঘনঘোর শ্রাবনে মহামানবের মহাপ্রয়ান

“ব্যাকুল বেগে আজি বহে যায় /বিজুলি থেকে-থেকে চমকায় / যে কথা এ জীবনে রহিয়া গেলো   মনে /সে কথা আজি যেন বলা যায় /এমন ঘনঘোর বরিষায় ”   “মিছে জীবনের কলরব/ কেবল আঁখি দিয়ে আঁখি সুধা পিয়ে/ হৃদি দিয়ে হৃদি অনুভব/ আঁধারে মিশে গেছে আর সব” ঘনঘোর বর্ষার দিনে এই ছিল কবির নিজের অনুভব।কবি চলে গেলেন সেই শ্রাবণ দিনে তাঁর শত কোটি ভক্তহৃদয়ের  আকাশও তেমনি আঁধারে ছেয়ে গেলো। কেঁদেছিল  মানুষ সেদিন।ছিলনা জীবনের কোন কলরব!   ২২ শ্রাবণ ।আকাশভরা সঘন মেঘে ঢাকা কলকাতার সড়কে তিল ঠাঁই নেই।সারি সারি অশ্রু সজল মানুষের…

Read More

সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

সেই মনিহার ও মায়াবী সোনার হরিণ

রাজনীতি নিরপেক্ষ নির্বাচনী মোর্চা পাইয়োনিয়ার্স ফ্রন্টের কর্ণধার বদরুল। ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের আমি। বদরুলের নেতৃত্বাধীন পাইয়োনিয়ার্স ফ্রন্টের মনোনয়নে শাহাদাত জিতে গেলো সাধারণ সম্পাদক পদে।আমার দলের প্রার্থী সেন্ট গ্রেগোরির মেধাবী ছাত্র ওসমান ফারুক (সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী)মাত্র ৫ ভোটে হেরে গেলো। মিষ্টভাষী সদালাপি শাহাদাতের চোখে মুখে একটা বিনয়ের হাসি কাঁঠালের আঠার মত লেগেই থাকতো। সেটাই তাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছিল। এদিকে বছর না গড়াতেই বিমান বাহিনী থেকে ডাক আসলো তার । তাতে সাড়া দিয়ে সে টাটা বাই বাই করে বিদায় নিলো।প্রমোদ সম্পাদক মহীউদ্দীন খান আলমগীর ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকের বাড়তি দায়িত্ব পেলো।তার…

Read More

হরিষে বিষাদ,  মায়ের চোখে জল

হরিষে বিষাদ মায়ের চোখে জল শামসুল আরেফিন খান

অবচেতন  মনে ডুবে থাকা অনেক  বেদনা বিধুর স্মৃতি  খুবই ভারি । কোন  কোন স্মৃতি আবার পাখির পালকের মত হালকা ।সে সব স্মৃতি মনকে আপ্লুত করে আনন্দে ।খুশিতে মনটা ভরে ওঠে। ছোটবেলার তেমন একটা  স্মৃতিকথা ভেবে মনে হচ্ছে কতই না সরল আর বোকা ছিলাম তখন।আমার  চেয়ে এগার বছরের বড় ভাই ‘শ্রীকান্ত’ পড়ছিলেন বিছানায় শুয়ে।আমার  ৫ বছর ও ৩ বছরের বড় দুই বোন আর আমি শুনছিলাম সে গদ্যকাহিনী তার শিয়রে বসে। সব কথা বুঝার বয়স তখনও হয়নি।তবুও বললাম, ভাইজান  ওই জাগাটা আবার পড়েন। কোন জাগা ? আমি বললাম, ওই যে কিলা কিলির…

Read More

আমি আপনারে ছাড়া করিনা কাহারে কূর্ণিশ

বিশ্বসাহিত্যে একেক সময় এক এক ধরণের ইজমের বা দার্শনিক মতবাদের প্রভাব এসেছে। কখনও সুপিয়ারিলিজম, কখনও মিস্টিসিজম,কখনও ফিউচারিলিজিম।এমন শতাধিক ইজম আবর্তিত হয়েছে সৃজনশীল মননে। মানুষের চিন্তা উপলব্ধি ও বোধ পরিবর্তিত হয়ে এগিয়ে যায় পরিপক্কতার দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ইজমের প্রভাব ব্যাপক হয়ে ওঠে।এরকম একটি ইজম বা দর্শন হ’ল অস্তিত্ববাদ, ইংরেজি ‘এক্জিসটেনশিয়ালিজম’।মানব হৃদয়ের ক্ষরণে জর্জরিত আত্মা , এক সময় দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে অস্তিত্ববান হয়ে ওঠে এবং শক্ত অবস্থান গ্রহণ করে। কখনও প্রতিবাদী, কখনও সংগ্রাম মুখর হয়ে ওঠা।বেঁচে থাকাটাই চরম সত্য।এ বোধ কার্যকর হয়, একনিষ্ঠ হয়। এ বোধ থেকেই…

Read More

বিশ্বকবির চরণে ‘মুগ্ধ জননীর’  প্রণাম

সাগর সৈকতে অধিষ্ঠিত  থেকে নিশি অবসানে, নির্ঘুম নয়নে, অরুণরবির  রাজসিক উদয় অবলোকনের  বিরল সৌভাগ্য  আজও আসেনি অধমের অর্জনে।তবে  আমি  দেখেছি গোধূলির রক্তিম আকাশ।দেখেছি অনশ্বর সৌররাজের  ধীর গম্ভীর অস্তাচল নির্গমন।দমিত নমিত হয়ে জল ছুঁয়ে মহর্ষির পদস্পর্শ করে প্রণাম  জানাবার নিরন্তর প্রয়াস পেয়েছি বারবার শতবার ! আটলান্টিক আমার নাগালের ভিতর  প্রায় একযুগ।সাগরের স্বাদ পেতে আকন্ঠ জলপান অনাবশ্যক ! অসম্ভবও বটে !অনাবশ্যক একারণে যে একবিন্দু জল আস্বাদন করলেই  অনন্ত অসীম বারিরাশির স্বাদ অনুভবে  লব্ধ হয়। সীমাহীন অন্তহীন অতলান্ত মহাসলিলকে আত্মস্থ করাও  সম্ভব না। কেবল অঞ্জলি ভরে তারে ক্ষণকাল অন্তরীণ করা যায়।সাগরে অবগাহন করে…

Read More

আগুনের পরশমনি  ছোঁয়াও প্রাণে

আমার  মনে পড়ে। বারবার মনে পড়ে ঐতিহাসিক  সেই দিনটির কথা। সেদিন নিজ বাসভবনের বহিরাঙ্গনে  সবুজ চত্বরে বৃক্ষছায়ায় দাঁড়িয়ে  জাতির জনক পাশ্চাত্যের একদল সাংবাদিকের  প্রশ্নবানের মুখে অবিচল দাঁড়িয়ে  বলেছিলেন ,“স্বাধীনতা বিনে কে বাঁচিতে চায়?” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিশিষ্ঠ মিডিয়া পন্ডিতের দিকে তর্জনী উঁচিয়ে পাল্টা প্রশ্ন রেখেছিলেন, “জর্জ  ওয়াশিংটন কী ফরাসী সেনাশক্তি পাশে নিয়ে যুদ্ধ করেননি যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার জন্যে”? সেদিন ছিল ২৩ মার্চ ১৯৭১, পাকিস্তানের প্রজাতন্ত্র দিবস। মার্কিন সরকারের সার্বিক সহায়তা ‍ও বিশেষ সামরিক প্রযত্নে বিকাশিত সৌর্যবীর্যবান  রণকুশলী পাকিস্তানী সেনাশক্তি হিংস্র নখদন্ত বিস্তার করে ঢাকা মহানগরীর মুক্তিপাগল জনগণকে বন্দী করে রেখেছিল।  অগণন…

Read More

দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা… শুধিতে হইবে ঋণ

ফরাসী বিপ্লব নাটকীয়ভাবেই খুব দ্রুততার সাথে ফ্রান্সের রাজনৈতিক কাঠামো বদলে দিল।নেপোলিয়ানের দিগ্বিজয় একই রকম গতিময়তায় বিস্ময়করভাবে বিস্তৃতি ঘটালো বিপ্লবী চিন্তা চেতনার।সারা ইউরোপ আপ্লুত হ’ল্।অষ্টাদশ  শতাব্দির শেষ এবং উনবিংশ শথাব্দির শুরুতে  ঝড়ের বেগে  শিল্পবিপ্লব  এসে নাটকীযভাবে গোটা ইউরোপের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর পরিবর্তন ঘটালো।শিল্পবিপ্লবের সেই জোয়ারে কলকারখানার উৎপাদনে ব্যাপক গতি  সঞ্চারিত হ’ল। নতুন জ্বালানি এবং ইন্ধন এলো।কয়লা এবং বাষ্পচালিত যন্ত্র উৎপাদনব্যবস্থাকে প্রযুক্তিমুখী করে তুললো।শ্রমজীবী মানুষকে তখন প্রতিযোগিতায় নামতে হ’ল  ক্লান্তিহীন যন্ত্রের সাথে।শ্রমের মজুরি বাড়লো না ।কিন্তু কাজের সময় প্রলম্বিত হ’ল। পুঁজি বাড়লো, মুনাফ বাড়লো, শ্রমিকের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হ’ল না।বিশ্রাম ও…

Read More

ওরা যে ভালোবাসার কাঙাল

দ্রোপদিসহ পঞ্চপান্ডবের ১২ বছরের  অজ্ঞাতবাস শেষ হতে তখন মাত্র ১ বছর বাকি। তাদের পরম মিত্র ‘বিরাট  রাজ‘তাদের আশ্রয় দিলেন বলেই রক্ষে । নইলে দুরযোধনের হাতে তাদের চরম সর্বনাশ হয়ে যেত।দুরযোধন খুজতে খুজতে বিরাট রাজার দেশে হাজির হ’ল। বিরাট রাজার চাইতে ক্ষমতাবান ছিল তার সেনাপতি।  সে আবার দুরযোধনের সকল নষ্টামির দোসর, হৃদ্যিক মিত্র। তারই কারসাজিতে ‍দুরযোধনের জন্য রাজকীয় সম্বর্ধনার আয়োজন হ’ল।পান্ডবরা সবাই ছিল বিভিন্ন ছদ্মবেশে । নাচগানের আয়োজনেও তারা অংশীদার। সেই আয়োজনে অর্জুন অবস্থান নিয়েছিল বৃহন্নলা ছদ্মনামে নপুংসক বেশে।মহাভারতের কল্পকাহিনীর বাইরে সর্বযুগে সর্বকালে  সর্বদেশেই বৃহন্নলরা বিরাজমান ছিল এবং এখনও আছে।নারীও না…

Read More

গণমানুষের  মুক্তির জন্যে লড়েছিলেন সেই মহানায়ক

বহুবচনে ইংরেজি “পিপল“ শব্দের অর্থ সর্বসাধারণের কাছে   “জনগন“ বলেই প্রতিভাত হয়।“Government of the people , by the people , for the people গভার্ণমেন্ট অফ দি পিপল বাই দি পিপল ,ফর দি পিপল“, এই  বিখ্যাত  উক্তির জন্যে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনকে  সারা পৃখিবীর মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।  সাধারণভাবে তা “জনগণের সরকার , জনগণের দ্বারা গঠিত সরকার  এবং জনগণের জন্য গঠিত সরকার“ বলেই বিদিত  ও ব্যাখ্যাত হয়ে থাকে।পাশ্চাত্য দুনিয়ায় এটাকেই গণতন্ত্রের সংজ্ঞা বলেও  চালিয়ে দেয়া হয়্। কিন্তু পুঁজিবাদী দেশে  ভাষান্তরে  এই আপ্ত বাক্যের  গূড়  অর্থ যে “বিত্তবানের জন্য সরকার, বিত্তবানের দ্বারা…

Read More