আমিনুল ইসলামের প্রেমের কবিতা: বহুমাত্রিক এবং অনন্য

আমিনুল ইসলামের প্রেমের কবিতা

মানব মন একটি আস্ত ভূগোল। এ যেন সীমার মাঝে অসীম প্রবাহ। প্রকৃতির মতোই এখানে জোয়ার আসে, দুকূল ছাপিয়ে আসে বন্যা, সে তোড়ে নিজে ভেসে চলে, ভাসিয়েও যায়। এভাবেই চলে স্রোতের টানে লক্ষ্য অভিমুখে ছুটে চলা, কখনও পাড়ে লেগে, কখনওবা পাড় ভেঙে। আর আবেগের উৎসারিত এ ধারা মন্ত্রমুগ্ধের মতো আকর্ষণ করে প্রতিনিয়ত, চুম্বকের ন্যায় টেনে  রাখে অপর কোন প্রান্তে। এ অনুভবের নামই প্রেম। বিন্দু হতে বৃত্ত অভিমুখে এ অনুভূতির গন্তব্য। প্রকৃতির প্রবাহের সাথে মিলে যাওয়া এই গতিময় প্রেমও জীবন্ত হয়ে উঠতে পারে, সজীব আবহে ভরে তুলতে পারে পাঠকের মন, প্রেমের কবি…

Read More

সুচিত্রা-সুপ্রিয়া–সাবিত্রি: উত্তম বাগানের  তিন রক্তকুসুম

সুচিত্রা-সুপ্রিয়া–সাবিত্রি

The name is right once Good kumar He was well, he is there, will be there. The one who has been called the great hero Good man is a great man. The middle and middle people are either pianists or mediators. The full development of the name is really unparalleled. Uttam Kumar is not a paternal name. Dear name Arun Kumar Chatterjee. The 1926 On 3 September, Calcutta 51, No. ahiri Toller Street mamarabarite Born said. Fatherhood in Bhabanipur, Calcutta Grandfather affection is called good. His father’s name is Satkari…

Read More

পবিত্র ঈদুল আযহা : কুরবানির ইতিহাস ও তাৎপর্য

পবিত্র ঈদুল আযহা

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুইটি ধর্মীয় আনন্দ উৎসবের নাম “পবিত্র ঈদুল ফিতর” ও “পবিত্র ঈদুল আযহা”। আমাদের মাঝে দুইটি ঈদ আসে ভিন্নমাত্রায়, ধর্মীয় ভিন্ন ভাবগাম্ভীর্যে। আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য এবং বান্দা তার পাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দীর্ঘ ৩০দিন সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে পবিত্র রমাজান মাস শেষে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামক ঈদ উৎসবে মেতে উঠে। আর ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের  ত্যাগ ও প্রতীকি কুরবানীর মাধ্যমে মনের সকল পাপাচারকে জবেহ করার মধ্য দিয়ে পালন করে পবিত্র ঈদুল আযহা। বাংলাদেশের মুসলমানরা যাকে পালন করে কুরবানীর ঈদ হিসেবে। এ দিনটিতে মুসলামনরা তাদের সাধ্যমত গরু, ছাগল, উট, দুম্বা…

Read More

ইসলাম ধর্ম ও হজের ইতিকথা : গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ইসলাম ধর্ম ও হজের ইতিকথা

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। ইসলাম হচ্ছে সমগ্র বিশ্বলোকের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহতা’আলার পক্ষ থেকে গোটা মানব জাতির জন্যে পাঠানো হেদায়েত (পথনির্দেশ)। মানুষ তার সারা জীবনে যা কিছু করে তার সব কিছুই এর আদেশ-নিষেধের আওতাভুক্ত। আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য, আমাদের শেষ গন্তব্যস্থল ও অন্যান্য প্রাণী-প্রজাতির মধ্যে আমাদের অবস্থান বা মর্যাদা সম্বন্ধে ইসলাম আমাদেরকে অবগত করে এবং সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক তৎপরতাসহ আমাদের সকল ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক কর্মতৎপরতা পরিচালনার সর্বোত্তম পথ প্রদর্শন করে।   ‘ইসলাম’ একটি আরবী শব্দ। যার মানে হচ্ছে- আত্মসমর্পণ ও আনুগত্য। আত্মসমর্পণ মানে আল্লাহ্তা’আলার আদেশ-নিষেধকে মেনে নেয়া। আর…

Read More

সময়ের রুচিশীল ছোটোকাগজ: এবং মানুষ

এবং মানুষ

একজন লেখকের স্বপ্ন- মেধা এবং প্রগতিশীলতার পরিচয় বহন করে সাহিত্যের ছোটোকাগজ। তাই ছোটোকাগজকে লেখকের মুক্তাঙ্গন বলে বিবেচনা করা হয়। সাহিত্যের ইতিহাসে একমাত্র ছোটোকাগজকেই প্রগতি ও সৃজনচর্চার প্লাটফ্রম হিসেবে গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা পালন করে দেখা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় ‘এবং মানুষ’-কুসংস্কার ও অপশক্তির বিরুদ্ধে কবিতার জয় হোক-শ্লোগানকে মান্য করে বৈশাখ সংখ্যা,এপ্রিল-২০১৭ প্রকাশ করেছে। সম্পাদক আনোয়ার কামাল সম্পাদকীয়তে লিখেছেন ‘এবং মানুষ সব বয়সী লেখক-পাঠকের পত্রিকা। আমরা সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি কবিতা দাঁড় করাতে চাই। আসুন হৃদয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করে সকল কুসংস্কার ও অপশক্তির বিরুদ্ধে কবিতা নিয়ে এগিয়ে যাই। গেয়ে উঠি জীবনের জয়গান।’  …

Read More

নজরুল রচিত মহামিলনের গান

নজরুল রচিত মহামিলনের গান

গাহি সাম্যের গান যেখানে মিশেছে হিন্দু–বৌদ্ধ–মুসলিম–ক্রীশ্চান। গাহি সাম্যের গান কে তুমি? পার্সী? জৈন? ইহুদী? সাঁওতাল, ভীল, গারো ? কনফুসিয়াস? চার্বাক–চেলা? বলে যাও, বল আরো! বন্ধু যা খুশি হও পেটে–পিঠে,কাঁধে–মগজে যা–খুশি পুঁথি ও কেতাব বও, কোরান–পুরাণ–বেদ–বেদান্ত–বাইবেল–ত্রিপিটিক– জেন্দাবেস্তা–গ্রন্থসাহেব পড়ে যাও যত সখ,– কিন্তু কেন এ পন্ডশ্রম, মগজে হানিছে শূল? দোকানে কেন এ দরকষাকষি?— পথে ফোটে তাজা ফুল! তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান, সকল শাস্ত্র খুঁজে পাবে সখা খুলে দেখ নিজ প্রাণ! তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতার, তোমার হৃদয় বিশ্ব–দেউল সকলের দেবতার। (সাম্যবাদী / কাজী নজরুল ইসলাম)   কাজী নজরুল…

Read More

বহুমাত্রিক নজরুলঃ ভালোবাসায়  বেঁচে থাকবেন প্রেরণা, শক্তি হয়ে

বহুমাত্রিক নজরুল

সেদিনের ভোর প্রতিদিনের মত ছিল না। প্রতিদিনের মত রাত্রির গভীর অন্ধকার ভেদ করে এক ফালি নবীন আলো দিয়ে সেদিন ভোরের সূচনা হয়নি। তার পরিবর্তে ভোরের আলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বায়ুকোণে এক কালিমেঘ ঝড়ের প্রচন্ড হুঙ্কার দিয়ে সমস্ত আকাশ পরিব্যাপ্ত করে দিল। তারপর বাতাসের গোঙানী, গাছের নির্বাপিত শাখা- প্রশাখার মর্মর শব্দের মধ্যে নজরুল তার সুতীব্র চিৎকার ধ্বনি দিয়ে পৃথিবীতে তার আগমন বার্তা ঘোষণা করলেন। ‘দিনটা ছিল ১১ই জ্যৈষ্ঠ । সময়টা ছিল কালবৈশাখীর।” প্রকৃতির বুকে ঝড়ের উন্মাদনার মধ্যে যেমন তার জন্ম, তেমনি বাংলা কাব্যধারার এক প্রচন্ড  প্রতিবাদের ঝড় নিয়ে তাঁর কবিত্বের পরিচয়…

Read More