বিখ্যাতদের খাদ্যাভ্যাস/ কঙ্কা রহমান

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি সে সময় কম্বোডিয়ায় ছিলেন অ্যাঞ্জেলিনা। খুব উৎসাহ নিয়েই স্থানীয় খাবার খেয়েছিলেন। পরে জানিয়েছিলেন, তিনি এমন এক ‘স্ন্যাক ফুড’ খেয়েছেন, যেটা প্রোটিনে ভরপুর। কী বলুন তো জিনিসটা? আরশোলা! অ্যাঞ্জেলিনাও জেনেশুনেই খেয়েছিলেন। একটাই নাকি অসুবিধা হয়েছিল তাঁর। ‘‘আরশোলার পেটের উপরে একটা ছুঁচলো অংশ থাকে, যেটা কোনওমতেই খাওয়া যায় না,’’ বলেছিলেন অ্যাঞ্জেলিনা। অবশ্য শুধু আরশোলা কেন? ছেলে ম্যাডক্সের সঙ্গে ঝিঁঝিপোকা খেয়েছিলেন। চেখে দেখেছিলেন মৌমাছির ‘লার্ভা’ও। সেটা অবশ্য অ্যাঞ্জির পছন্দ হয়নি! ম্যাডোনা যত্ন করে খাবার বানালেন। টেবিলে সাজালেন। চেয়ার টেনে বসে খাবার তুলে নিলেন মুখের কাছে। কিন্তু খেলেন না! প্রাণভরে গন্ধ নিয়ে…

Read More

বাংলা নীলকান্ত/ রক্তবীজ ডেস্ক

বাংলা নীলকান্ত (Coracias benghalensis) (ইংরেজি Indian Roller) কোরাসিডি পরিবারের অন্তর্গত কোরাসিয়াস গণের এক প্রজাতির বিরল পাখি । এরা বাংলাদেশের স্থানীয় পাখি । দেশের সর্বত্র দেখতে পাওয়া যায় । পাখিটি নীলকণ্ঠ  নামে পরিচিত । কিন্তু কণ্ঠ নীল নয় বলে বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব এর নামকরণ করেছে বাংলা নীলকান্ত ।  আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে Least Concern বা আশংকাহীন বলে ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশে এরা Least Concern বা আশংকাহীন   বলে বিবেচিত। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। বাংলা নীলকান্ত আকারে ২৬ থেকে ২৭ সে মি হয়ে থাকে । এদের বুক বাদামী বর্ণের । মাথার উপরের অংশ নীল । এদের দেহের রঙ গাঢ় বেগুনি নীল এবং দেহের কিছু…

Read More

হুমায়ূন আহমেদের কিছু উক্তি/ রক্তবীজ ডেস্ক

নারীদেরকে সৃষ্টিকর্তা পূর্ণতা দিয়েই পাঠিয়েছেন । শুধু পূর্ণতাই না অতিরিক্ত দিয়ে দিয়েছেন। তাই তো আমরা ‘অপূর্ণ পুরুষ’ পূর্ণ হতে এই নারীদেরই প্রয়োজন হয়. তুমি দশটি সত্য এর মাঝে একটি মিথ্যা মিশিয়ে দাও…সেই মিথ্যাটিও সত্য হয়ে যাবে…কিন্তু তুমি দশটি মিথ্যার মাঝে একটি সত্য মিশাও… সত্য সত্যই থেকে যাবে….সেটি আর মিথ্যা হবে না…সত্য আসলেই সুন্দর… নোংরা কথা শুনতে নিষিদ্ধ আনন্দ আছে, কথা যত নোংরা তত মজা। যাদের জীবনে মজার অংশ কম …তারা অন্যের মজা দেখে আনন্দ পায় …দুধের স্বাদ ভাতের মাড়ে মেটানোর মত. “গার্লফ্রেন্ড বিহীন তরুণের পৃথিবীতে বেঁচে থাকা, ঘাসবিহীন মাঠে গরুর…

Read More

হুমায়ূন আহমেদ স্যারের কিছু প্রিয় উক্তি

হুমায়ূন আহমেদ স্যার

১. পাখি উড়ে গেলেও পলক ফেলে যায় আর মানুষ চলে গেলে ফেলে রেখে যায় স্মৃতি । ২. ঈশ্বর যদি কাউকে মারতে চান তাহলে কি তার কোন আয়োজন করার প্রয়োজন আছে ? তাহলে মরতে কিসের ভয় , একবারই তো মরতে হবে । ৩. ভালবাসাবাসির ব্যাপারটা হাততালির মতো। দুটা হাত লাগে। এক হাতে তালি বাজে না। অর্থাৎ একজনের ভালবাসায় হয় না……   ৪.হারিয়ে যাওয়া মানুষ ফিরে আসলে সে আর আগের মত থাকে না….. কেমন জানি অচেনা অজানা হয়ে যায় । সবই হয়তো ঠিক থাকে কিন্তু কি যেন নাই…… কি যেন নাই……  …

Read More

প্রিয়ভাষিণী ফেরদৌসীকে যেমন দেখেছি

প্রিয়ভাষিণী ফেরদৌসী

কিছু কিছু মানুষ আছে জীবন যাঁদের পথ চেনায় না।তাঁরাই জীবনকে পথ চিনিয়ে নিয়ে যান। ফেরদৌসী ছিলেন তেমন একজন মানুষ। জীবনের জটিলতা আর একাকীত্বকে ভুলতে  প্রকৃতির কাছে বারবার হাত পেতেছেন তিনি।এই যন্ত্রণার প্রতিফলন তাই তাঁর শিল্পে আমরা দেখতে পাই। প্রকৃতির প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা আর জীবনবোধ তাঁকে তাই করে তুলেছে  অনন্য এক শিল্পী। অবচেতন মনে তাঁর ছিলো দুর্বলের প্রতি ভালোবাসা তাইতো প্রকৃতির তুচ্ছ জিনিসগুলি তাঁর হাতের ছোঁয়ায় হয়ে উঠেছে অসাধারণ সব শিল্প। জীবনকে সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা, ব্যতিক্রমী এই সাহসী নারী তাই নির্ভীক কন্ঠে সোচ্চার হয়েছিলেন ৭১-এর নির্যাতিতা নারীর কথা সাহসের সাথে উচ্চারণ…

Read More

প্রিয়ভাষিণী

প্রিয়ভাষিণী

কোথায় তুমি এখন? শঙ্খচিল নাকি শালিখের  নাকি কার্তিকের নবান্নের দেশে ? নাকি অন্যত্র। যাকে সবাই বলে‘ না ফেরার দেশ!’ দক্ষিণাঞ্চলের লবণ জল গায়ে মেখে বড় হয়েছ তুমি। সুন্দরবনের উদাত্ততা আর এক ঝাঁক নদী তোমাকে শক্তি দিয়েছে। রূপসা পসুর শিবসা  মধুমতি চিত্রা তোমাকে ছুঁয়েছে বার বার।  অফুরান প্রাণ জুগিয়েছে তোমার মন আর শরীরের জমিনে।। মৌয়ালী মাঝি- মাল্লা নোনাজলের খেটে খাওয়া মানুষেরা তোমাকে  প্রেরণা জুগিয়েছে । সে প্রেরণা আর শক্তি নিয়ে তুমি মহীরুহ হয়েছ। তুমি এক অনন্যা। তোমার হাতের পরশে ফেলে দেয়া খড়কুটো , ঝরা পাতা , শুকনো ফুল শিল্প হয়ে উঠেছে।…

Read More

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহিল বাকী বীর প্রতীক

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহিল বাকী

একাত্তরের এপ্রিল। গ্রীষ্মকাল। কিন্তু ঢাকায় তখন অদ্ভুত শীতলতা। মাঝে মাঝে ভেসে আসে বন্দুকের গুলির আওয়াজ। কখনো পাকিস্তানি সৈন্যদের বুটের শব্দে ছড়িয়ে যায় ভয়, কখনো খবর আসে ‘মুক্তি’ সন্দেহে তরুণ যুবাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ সবে শুরু হয়েছে। খিলগাঁওবাসী মো. আবদুল বারীও পরিবারের সবাইকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন গ্রামে, বিক্রমপুরে। স্ত্রী, চার কন্যা, তিন পুত্রের সংসার তাঁর। ব্রিটিশ কোম্পানি রেলি ব্রাদার্সে কর্মরত আবদুল বারীর দিনগুলো কাটছিল ভালোই। এর মধ্যে শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মেজ ছেলে আবদুল্লাহিল বাকী চলে গেলেন যুদ্ধে। মা আমেনা বারীকে একটি চিঠি লিখে গেলেন, ‘দেশের…

Read More

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লুৎফুন নাহার হেলেনা

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লুৎফুন নাহার হেলেনা

স্বাধীনতার জন্য কত মানুষকে যে জীবন দিতে হয়েছে, কত পরিবারকে যে কত ভাবে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, যার রেশ এখনো সে সব পরিবারে চলছে, তার কতুটুকুই বা আমরা জানি!  একাত্তরের পবিত্র শবে বরাতের রাতে পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের বীভৎসতায় নিহত মাগুরার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লুৎফুন নাহার হেলেনা তেমনি একজন।। একাত্তরের ৫ অক্টোবর রাজাকাররা হেলেনাকে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার এক গ্রাম থেকে শিশুপুত্রসহ আটক করে মাগুরা শহরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।পাকিস্তানি সেনারা তাঁকে হত্যার পর তাঁর মৃতদেহ জিপের পেছনে বেঁধে টেনে নিয়ে শহরের অদূরে নবগঙ্গা নদীর ডাইভারশন ক্যানেলে তাঁর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ…

Read More

এডভোকেট মশিউর রহমান

এডভোকেট মশিউর রহমান

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সহচর এডভোকেট মশিউর রহমান ছিলেন স্বাধীনতা পূর্বকালীন সময়ে বৃহত্তর যশোর-খুলনা অঞ্চলে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন তথা স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ।। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম কৌসুলি এডভোকেট মশিউর রহমান বৃহত্তর যশোর-খুলনা অঞ্চলে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৪৮ সালে যশোর জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং মুসলিম লীগের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত নীতির প্রতিবাদে ১৯৪৮ সালেই জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর যশোর-খুলনা অঞ্চলে ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং গ্রেপ্তার হন।…

Read More

সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বুদ্ধিজীবী শেখ আব্দুস সালাম

সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বুদ্ধিজীবী শেখ আব্দুস সালাম

স্বাধীনতার আগে কালিয়া মহাবিদ্যালয় ( পরে শহীদ শেখ আব্দুস সালাম ডিগ্রী কলেজ) এর অধ্যক্ষ শেখ আব্দুস সালাম ১৯৪০ সালে যশোর জেলার কালিয়া থানার (বর্তমান নড়াইল জেলার অধীন) বিলব্যাওচ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। অতুলনীয় মানবদরদী শহীদ শেখ আব্দুস সালাম স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতি তে জড়িয়ে পড়েন। সে সময় স্কুলের টেবিলের উপর তাঁকে উঠিয়ে দেওয়া হত বক্তৃতা দেবার জন্য। অসাধারণ বক্তৃতা দিতে পারতেন তিনি। প্রতিবাদী ছিলেন এই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ; অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন বলে কয়েকবার জেলও খাটতে হয়েছে তাঁকে। ১৯৬০ সালে বি. এ. পাশ করার পর তাঁকে কিছু দিন পড়াশোনা স্থগিত রাখতে হয়।…

Read More